
বার্সেলোনা এখন প্রায় দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। কয়েক মৌসুম আগেও দুই হাত ভরে খরচ করে খেলোয়াড় কিনে ঋণের ভারে জর্জরিত কাতালান ক্লাবটি। ২০১৯ সালে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকের রেকর্ড করা বার্সা এখন খেলোয়াড়দের ঠিকভাবে বেতনও পরিশোধ করতে পারে না। ঘরে-বাইরে, চারিদিক নানা সমালোচনায় বিদ্ধ স্প্যানিশ ক্লাবটি।
বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্লাব থেকে বার্সার এভাবে পথে নামার কারণ হিসেবে সাবেক ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোসেপ মারিয়া বার্তেমেউর ‘স্বেচ্ছাচারিতা’কেই দোষারোপ করেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট হুয়ান লাপোর্তা। বার্তেমেউকে সরানোর জন্য গণভোটেরও ব্যবস্থা করেছিলেন বার্সা সমর্থকেরা। ভোটে পরাজয় আসন্ন দেখে নিজে থেকেই সরে যান সাবেক বার্সা প্রেসিডেন্ট।
দায়িত্ব থেকে সরে গেলেও নিজের স্বপ্ন থেকে সরে দাঁড়াননি বার্তেমেউ। কাতালোনিয়ান টিভি চ্যানেল ইএসপোর্টথ্রিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সামনের নির্বাচনে আবারও প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে চান তিনি। বার্তেমেউ বলেছেন, ‘আমি আবারও নির্বাচনে লড়ব। ১২ মৌসুম ধরে আমি লাপোর্তা, সান্দ্রো রাসেলের সঙ্গে কাজ করেছি। নিজে প্রেসিডেন্ট হয়েছি। আমি এর যোগ্য। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতি সব পাল্টে দিয়েছে।’
বার্সার আজ এই দুরবস্থার পেছনে নিজেরও যে ‘কিছু’ দায় আছে, সেটা অবশ্য স্বীকার করেছেন বার্তেমেউ। তবে স্বীকার করেছেন একটু অন্যভাবে, ‘২০১৯ চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে লিভারপুলের কাছে হারের পর বার্সাকে নতুন করে গড়ার পরিকল্পনাটা হাতে নেওয়া উচিত ছিল। আমি খেলোয়াড়দের কথা শুনে ভুল করেছিলাম। আমাদের আর্থিক অবস্থা সীমিত ছিল, এর মধ্যে আবার করোনা হানা দিল।’
তখনকার কোচের (আর্নেস্টো ভালভার্দে) ভুলে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে কিনতে পারেননি বলেও অভিযোগ করেছেন বার্তেমেউ, ‘এমবাপ্পেকে কেনার কথা আমরা বলেছিলাম। কিন্তু কোচ চাইলেন এমন একজন খেলোয়াড় (উসমানে ডেম্বেলে), যে পুরো মাঠ খেলতে পারবে।’
২০১৭ সালে নেইমার চলে যাওয়ার পর ফিলিপে কুতিনহো ও ডেম্বেলের দলবদলের পেছনে প্রায় ৩০ কোটি ইউরো বেশি খরচ করেছে বার্সা। গত পাঁচ মৌসুম ধরেও বার্সার একাদশে নিয়মিত জায়গা পান না এই দুই খেলোয়াড়। বার্সার আর্থিক দুরবস্থার পেছনেও বেশ বড় দায় আছে এই দলবদলের। বার্তেমেউ যদিও বলছেন সিদ্ধান্তগুলো ঠিক ছিল, ‘ইনিয়েস্তা চলে যাচ্ছিল। কুতিনহোকে আমরা ইনিয়েস্তার জায়গায় চিন্তা করেছিলাম। সে প্রিমিয়ার লিগের সেরা খেলোয়াড় ছিল। নেইমার চলে যাওয়ায় ডেম্বেলেকে আনা হয়েছিল।’
আর্থিক দুরবস্থার কারণে লিওনেল মেসিকেও ধরে রাখতে পারেনি বার্সা। পেছনের কারণে লম্বা সময় ধরে চলা বার্তেমেউ প্রশাসনের খামখেয়ালিকেই দোষারোপ করেন সমর্থকেরা। সাবেক বার্সা সভাপতি অবশ্য বিষয়টি মানতে চাইলেন না, ‘মেসির চলে যাওয়া একটা সমস্যা। কারণ বার্সা খেলোয়াড় কেনার ক্লাব, বিক্রি করার ক্লাব নয়। ২০২০ সালে মেসিকে ধরে রাখার জন্য আমি লড়াই করেছি। সে থাকতে চেয়েও এবার চলে গেল। আমি হলে মেসিকে কিছুতেই যেতে দিতাম না।’

বার্সেলোনা এখন প্রায় দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। কয়েক মৌসুম আগেও দুই হাত ভরে খরচ করে খেলোয়াড় কিনে ঋণের ভারে জর্জরিত কাতালান ক্লাবটি। ২০১৯ সালে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকের রেকর্ড করা বার্সা এখন খেলোয়াড়দের ঠিকভাবে বেতনও পরিশোধ করতে পারে না। ঘরে-বাইরে, চারিদিক নানা সমালোচনায় বিদ্ধ স্প্যানিশ ক্লাবটি।
বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্লাব থেকে বার্সার এভাবে পথে নামার কারণ হিসেবে সাবেক ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোসেপ মারিয়া বার্তেমেউর ‘স্বেচ্ছাচারিতা’কেই দোষারোপ করেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট হুয়ান লাপোর্তা। বার্তেমেউকে সরানোর জন্য গণভোটেরও ব্যবস্থা করেছিলেন বার্সা সমর্থকেরা। ভোটে পরাজয় আসন্ন দেখে নিজে থেকেই সরে যান সাবেক বার্সা প্রেসিডেন্ট।
দায়িত্ব থেকে সরে গেলেও নিজের স্বপ্ন থেকে সরে দাঁড়াননি বার্তেমেউ। কাতালোনিয়ান টিভি চ্যানেল ইএসপোর্টথ্রিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সামনের নির্বাচনে আবারও প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে চান তিনি। বার্তেমেউ বলেছেন, ‘আমি আবারও নির্বাচনে লড়ব। ১২ মৌসুম ধরে আমি লাপোর্তা, সান্দ্রো রাসেলের সঙ্গে কাজ করেছি। নিজে প্রেসিডেন্ট হয়েছি। আমি এর যোগ্য। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতি সব পাল্টে দিয়েছে।’
বার্সার আজ এই দুরবস্থার পেছনে নিজেরও যে ‘কিছু’ দায় আছে, সেটা অবশ্য স্বীকার করেছেন বার্তেমেউ। তবে স্বীকার করেছেন একটু অন্যভাবে, ‘২০১৯ চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে লিভারপুলের কাছে হারের পর বার্সাকে নতুন করে গড়ার পরিকল্পনাটা হাতে নেওয়া উচিত ছিল। আমি খেলোয়াড়দের কথা শুনে ভুল করেছিলাম। আমাদের আর্থিক অবস্থা সীমিত ছিল, এর মধ্যে আবার করোনা হানা দিল।’
তখনকার কোচের (আর্নেস্টো ভালভার্দে) ভুলে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে কিনতে পারেননি বলেও অভিযোগ করেছেন বার্তেমেউ, ‘এমবাপ্পেকে কেনার কথা আমরা বলেছিলাম। কিন্তু কোচ চাইলেন এমন একজন খেলোয়াড় (উসমানে ডেম্বেলে), যে পুরো মাঠ খেলতে পারবে।’
২০১৭ সালে নেইমার চলে যাওয়ার পর ফিলিপে কুতিনহো ও ডেম্বেলের দলবদলের পেছনে প্রায় ৩০ কোটি ইউরো বেশি খরচ করেছে বার্সা। গত পাঁচ মৌসুম ধরেও বার্সার একাদশে নিয়মিত জায়গা পান না এই দুই খেলোয়াড়। বার্সার আর্থিক দুরবস্থার পেছনেও বেশ বড় দায় আছে এই দলবদলের। বার্তেমেউ যদিও বলছেন সিদ্ধান্তগুলো ঠিক ছিল, ‘ইনিয়েস্তা চলে যাচ্ছিল। কুতিনহোকে আমরা ইনিয়েস্তার জায়গায় চিন্তা করেছিলাম। সে প্রিমিয়ার লিগের সেরা খেলোয়াড় ছিল। নেইমার চলে যাওয়ায় ডেম্বেলেকে আনা হয়েছিল।’
আর্থিক দুরবস্থার কারণে লিওনেল মেসিকেও ধরে রাখতে পারেনি বার্সা। পেছনের কারণে লম্বা সময় ধরে চলা বার্তেমেউ প্রশাসনের খামখেয়ালিকেই দোষারোপ করেন সমর্থকেরা। সাবেক বার্সা সভাপতি অবশ্য বিষয়টি মানতে চাইলেন না, ‘মেসির চলে যাওয়া একটা সমস্যা। কারণ বার্সা খেলোয়াড় কেনার ক্লাব, বিক্রি করার ক্লাব নয়। ২০২০ সালে মেসিকে ধরে রাখার জন্য আমি লড়াই করেছি। সে থাকতে চেয়েও এবার চলে গেল। আমি হলে মেসিকে কিছুতেই যেতে দিতাম না।’

নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে ভারতের পরিবর্তে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় খেলতে চায় বাংলাদেশ। বিষয়টি নিয়ে ভারতের কথায় আইসিসি অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করলে সেটা মেনে নেওয়া হবে না বলে জানালেন যুব ও ক্রীড়া এবং আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
১ ঘণ্টা আগে
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দারুণ ছন্দে আছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে পাপুয়া নিউগিনিকে ৩০ রানে হারিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বাছাইপর্ব শুরু করেছিল তারা।
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শেষবারের মতো নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছে আফগানিস্তান। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই সংস্করণে ৩ ম্যাচের সিরিজ খেলছে তারা। বিশ্বকাপের জন্য তাই এই সিরিজ থেকেই সেরা একাদশের খোঁজ করছেন আফগান অধিনায়ক রশিদ খান।
৩ ঘণ্টা আগে
শিরোনাম দেখে ভড়কে যাওয়ার কারণ নেই। ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা ফিরছেন না জাতীয় দলে। বলছি ফুটবলার মাশরাফি ইসলামের কথা; সদ্য সমাপ্ত প্রথম বিভাগ লিগে ১৮ গোল করে যিনি হয়েছেন সর্বোচ্চ গোলদাতা। তাঁর দল মহাখালী একাদশ দ্বিতীয় হয়ে লিগ শেষ করে পেয়েছে প্রমোশন। লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যাত্রাবাড়ী ক্রীড়া চক্র; আগ
৩ ঘণ্টা আগে