
ইতিহাস গড়া নিশ্চিত হয়ে গেল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জন্য। তাঁকে নিয়েই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে পর্তুগাল। মার্কিন মুলুকে হতে যাওয়া বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে পর্তুগিজ তারকা ফরোয়ার্ডের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ।
আজ ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য ২৭ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজ। আছেন চার গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তা, জোসে সা, রুই সিলভা, রিকার্দো ভেলহো। যাঁদের মধ্যে ভেলহো যাচ্ছেন ট্রাভেলিং রিজার্ভ হিসেবে। যদি কেউ চোটে পড়েন, তখনই মূল দলে সুযোগ পাবেন তিনি।
রক্ষণ ও মাঝমাঠে আছেন ৯ জন করে ফুটবলার। আক্রমণভাগে রোনালদোসহ আছেন গনসালো রামোস, পেদ্রো নেতো, রাফায়েল লিয়াও এবং গনসালো গেদেস। ব্রুনো ফার্নান্দেজ, জোয়াও ফেলিক্স, রুবেন দিয়াসদের বিশ্বকাপ দলে ডাক পাওয়া এক রকম অনুমিতই ছিল।
কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান ও ডি আর কঙ্গোর বিপক্ষে খেলবে পর্তুগাল। ১৭ জুন ডি আর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে পর্তুগাল। ২৩ ও ২৮ জুন পর্তুগালের প্রতিপক্ষ উজবেকিস্তান ও কলম্বিয়া। বিশ্বকাপের আগে ৬ ও ১০ জুন চিলি ও নাইজেরিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে পর্তুগিজরা।
গোলরক্ষক: দিয়োগো কস্তা, জোসে সা, রুই সিলভা, রিকার্দো ভেলহো।
রক্ষণভাগ: দিয়োগো দালোদ, মাথিয়াস নুনেস, নেলসন সেমেদো, জোয়াও কানসেলো, নুনো মেন্দেস, গনসালো ইনাসিও, রেনাতো ভেইগা, রুবেন দিয়াস, টমাস আরাউহো
মাঝমাঠ: রুবেন নেভেস, জোয়াও নেভেস, ভিতিনিয়া, ব্রুনো ফের্নান্দেস, বের্নার্দো সিলভা, জোয়াও ফেলিক্স, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও, ফ্রান্সিসকো কনসিকাও, স্যামুয়েল কস্তা।
আক্রমণভাগ: পেদ্রো নেতো, রাফায়েল লেয়াও, গনসালো গেদেস, গনসালো রামোস, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন লিওনেল মেসি। বুধবার ভোরে বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টালে বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে শেষবারের মতো আলবিসেলেস্তেদের জার্সি পরবেন ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা। তার আগে সোমবার এজেইজায় দলের অনুশীলনে যোগ দিয়ে নিজের বিদায়ী ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু করেছেন তারকা ফরোয়ার্ড।
২৬ মিনিট আগে
ফিফা আসিয়ান কাপ বাংলাদেশের হয়েছে ভুলে যাওয়ার মতোই। তবু টুর্নামেন্টে কিছু প্রাপ্তি ছিল টমাস ডুলির দলের। এই টুর্নামেন্টে যে তিন তরুণ ফুটবলার নজর কেড়েছেন, তাঁদের মধ্যে আছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জাপানি শুকি ইতোফুসা। গতকাল দুপুরে বেরাইদে ফর্টিস ক্লাব ভবনে জাপানি ভাষায় দেওয়া শুকির সাক্ষাৎকার পর্বে বড় সহায়ক
২ ঘণ্টা আগে
বড় মঞ্চে ভালো না করার কারণটা পরিষ্কার না আমার কাছেও। তবে বড় দলের সঙ্গে আমাদের ব্যবধান কিন্তু অনেক কমছে। আমরা আগের তুলনায় অনেক ধারাবাহিক। নিয়মিত বড় দলকে হারাই। বড় বড় ম্যাচ জিতি। দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ভালো খেলছি। এশিয়া কাপের ফাইনালও তিনবার খেলছি। কিন্তু ট্রফি জিততে পারিনি। রানার্সআপ আসলে কেউ মনে রাখে না।
২ ঘণ্টা আগে
আরও একটি বড় মঞ্চের পরীক্ষা, আরও একবার ব্যর্থ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এশিয়াডে সান্ত্বনার ব্রোঞ্জ জয়ের সুযোগও হাতছাড়া হয়েছে। এভাবে শূন্য হাতে ফেরার গল্প আর নতুন কি! কিন্তু দ্বিপক্ষীয় সিরিজে বাংলাদেশ বড় দলগুলোকে হারিয়ে দেয়। এমনকি বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের বিশ্বকাপও একবার জেতা হয়েছে। কিন্তু এশিয়া কাপ, এশিয়ান গে
২ ঘণ্টা আগে