
মৃত্যুর কোনো দিনক্ষণ নেই। কখন যে কার দরজায় কড়া নাড়বে, সেটা কেউই বলতে পারবেন না। কারণ, লিভারপুল ফরোয়ার্ড দিয়োগো জোতা যে ঘুণাক্ষরেও টের পাননি, আজই তাঁর জীবনের শেষ দিন হতে যাচ্ছে। মাত্র ২৮ বছর বয়সেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা আজ জোতার মৃত্যুর খবর দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি ও তাঁর ভাই আন্দ্রে দুজনই না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন। স্পেনের জামোরা প্রদেশ এলাকায় তাঁদের গাড়ি রাস্তা থেকে ছিটকে পড়ে। তৎক্ষণাৎ গাড়িতে আগুন ধরে যায়। মৃত্যুর দুই সপ্তাহ আগে জোতা তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিকা রুত কার্দোসোকে বিয়ে করেছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবি তখন পোস্ট করেছিলেন লিভারপুল ফরোয়ার্ড। এখন সেগুলো শুধুই স্মৃতি।
পর্তুগালের দুই ক্লাব প্যাকোস ডি ফেরেইরা, পোর্তো ও ইংল্যান্ডের দুই ক্লাব লিভারপুল, উলভস—সব মিলিয়ে চারটি ভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলেছিলেন জোতা। ক্লাব ক্যারিয়ারে ৩৯৮ ম্যাচে ১৩৬ গোল করেছেন। অ্যাসিস্ট করেছেন ৬৬ গোলে। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ, গোল—দুটিই করেছেন লিভারপুলের জার্সিতে। অলরেডদের হয়ে ২০২০ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ৫ বছরে ১৮২ ম্যাচে ৬৫ গোল করেছেন।
লিভারপুলের জার্সিতে একটি করে প্রিমিয়ার লিগ, এফএ কাপ ও কারাবাও কাপের শিরোপা জিতেছেন জোতা। যার মধ্যে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জেতেন ২০২৪-২৫ মৌসুমে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাঁর দুটি শিরোপা রয়েছে। ২০১৮-১৯, ২০২৪-২৫—এই দুইবার নেশনস লিগের শিরোপা জিতেছিলেন ২৮ বছর বয়সী পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড।

আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন লিওনেল মেসি। বুধবার ভোরে বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টালে বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে শেষবারের মতো আলবিসেলেস্তেদের জার্সি পরবেন ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা। তার আগে সোমবার এজেইজায় দলের অনুশীলনে যোগ দিয়ে নিজের বিদায়ী ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু করেছেন তারকা ফরোয়ার্ড।
২৬ মিনিট আগে
ফিফা আসিয়ান কাপ বাংলাদেশের হয়েছে ভুলে যাওয়ার মতোই। তবু টুর্নামেন্টে কিছু প্রাপ্তি ছিল টমাস ডুলির দলের। এই টুর্নামেন্টে যে তিন তরুণ ফুটবলার নজর কেড়েছেন, তাঁদের মধ্যে আছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জাপানি শুকি ইতোফুসা। গতকাল দুপুরে বেরাইদে ফর্টিস ক্লাব ভবনে জাপানি ভাষায় দেওয়া শুকির সাক্ষাৎকার পর্বে বড় সহায়ক
২ ঘণ্টা আগে
বড় মঞ্চে ভালো না করার কারণটা পরিষ্কার না আমার কাছেও। তবে বড় দলের সঙ্গে আমাদের ব্যবধান কিন্তু অনেক কমছে। আমরা আগের তুলনায় অনেক ধারাবাহিক। নিয়মিত বড় দলকে হারাই। বড় বড় ম্যাচ জিতি। দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ভালো খেলছি। এশিয়া কাপের ফাইনালও তিনবার খেলছি। কিন্তু ট্রফি জিততে পারিনি। রানার্সআপ আসলে কেউ মনে রাখে না।
২ ঘণ্টা আগে
আরও একটি বড় মঞ্চের পরীক্ষা, আরও একবার ব্যর্থ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এশিয়াডে সান্ত্বনার ব্রোঞ্জ জয়ের সুযোগও হাতছাড়া হয়েছে। এভাবে শূন্য হাতে ফেরার গল্প আর নতুন কি! কিন্তু দ্বিপক্ষীয় সিরিজে বাংলাদেশ বড় দলগুলোকে হারিয়ে দেয়। এমনকি বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের বিশ্বকাপও একবার জেতা হয়েছে। কিন্তু এশিয়া কাপ, এশিয়ান গে
২ ঘণ্টা আগে