ক্রীড়া ডেস্ক

রিয়াল মাদ্রিদ প্রথম ফুটবল ক্লাব যারা বার্ষিক ১ বিলিয়ন ইউরোর বেশি আয় করেছে। আর্থিক কনসালটিং ফার্ম ডেলয়েটের প্রকাশিত ২৮ তম ‘ফুটবল মানি লিগ’ রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৩-২৪ মৌসুমে ১.০৪৬ বিলিয়ন বা প্রায় ১০৪ কোটি ইউরো আয় করেছে রিয়াল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১৩ হাজার ৩২০ কোটি টাকা। এই মৌসুমে তারা জিতেছিল লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগ। আগের মৌসুমে রিয়ালের আয় ছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ইউরো।
ডেলয়েটের মানি লিগ সমীক্ষায় ২০২৩-২৪ মৌসুমে আয়ের দিক থেকে শীর্ষস্থানে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ৮৩ কোটি ৮০ লাখ ইউরো আয় করে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি আছে তালিকার দুই নম্বরে। ৮০ কোটি ৬ লাখ ইউরো আয় করে তিন নম্বরে ফরাসি ক্লাব পিএসজি। চার নম্বরে থাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আয় ৭৭ কোটি ১০ লাখ ইউরো। জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের আয় হয়েছে ৭৬ কোটি ৫০ লাখ ইউরো।
আরেক স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনার আয় অবশ্য রিয়াল মাদ্রিদ থেকে বেশ কমই। গত মৌসুমে ৭৬ কোটি ইউরো আয় করেছে তারা। তালিকায় চার নম্বর থেকে এবার তারা নেমে গেছে ছয় নম্বরে।
সমীক্ষায় বলা হয়েছে, শীর্ষ ২০ ক্লাবের মোট আয় ৬ শতাংশ বেড়ে ৯.৪৭ বিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছেছে। ম্যাচ-ডে আয় সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বেড়েছে, ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১.৭৭ বিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছেছে, যা স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি, টিকিটের দাম এবং প্রিমিয়াম হসপিটালিটির উন্নতির কারণে সম্ভব হয়েছে।
রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচ-ডে আয়ে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছে, বার্নাব্যু স্টেডিয়ামের সংস্কারের ফলে ২৪ কোটি ৮০ লাখ ইউরো আয় করেছে, যা আগের মৌসুমের দ্বিগুণ। বার্সেলোনা চতুর্থ স্থান থেকে ছয় নম্বরে নেমে গেছে মূলত ম্যাচ-ডে আয় কমে যাওয়ার কারণে। ১০ কোটি ৩০ লাখ ইউরো তারা ম্যাচ-ডে থেকে গত মৌসুমে আয় করেছে। গত বারের চেয়ে প্রায় ৬ কোটি ইউরো কম। ন্যু ক্যাম্পের সংস্কারের সময় ছোট স্টেডিয়ামে খেলার ফলে এই ক্ষতি হয়েছে ক্লাবটির।
মানি লিগে সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস বাণিজ্যিক আয় (কমার্শিয়াল), ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪.১৪ বিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছেছে। মোট আয়ের ৪৪ শতাংশ দখল করেছে। নন-ফুটবল লাইভ ইভেন্ট, যেমন কনসার্ট আয়োজনের মাধ্যমে এই বৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে।
ডেলয়েট স্পোর্টস বিজনেস গ্রুপের প্রধান অংশীদার টিম ব্রিজ বলেছেন, ‘বাণিজ্যিক ও ম্যাচ-ডে আয়ের অব্যাহত বৃদ্ধির ফলে মানি লিগে ক্লাবগুলো নতুন রেকর্ড তৈরি করছে।’ ব্রডকাস্ট আয় স্থিতিশীল রয়েছে, মোট ৩.৬৪ বিলিয়ন পাউন্ড, কারণ বড় পাঁচটি লিগ—প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা, বুন্দেসলিগা, লিগ ওয়ান ও সিরি আ’র একই সম্প্রচার চক্রে রয়েছে।

রিয়াল মাদ্রিদ প্রথম ফুটবল ক্লাব যারা বার্ষিক ১ বিলিয়ন ইউরোর বেশি আয় করেছে। আর্থিক কনসালটিং ফার্ম ডেলয়েটের প্রকাশিত ২৮ তম ‘ফুটবল মানি লিগ’ রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৩-২৪ মৌসুমে ১.০৪৬ বিলিয়ন বা প্রায় ১০৪ কোটি ইউরো আয় করেছে রিয়াল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১৩ হাজার ৩২০ কোটি টাকা। এই মৌসুমে তারা জিতেছিল লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগ। আগের মৌসুমে রিয়ালের আয় ছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ইউরো।
ডেলয়েটের মানি লিগ সমীক্ষায় ২০২৩-২৪ মৌসুমে আয়ের দিক থেকে শীর্ষস্থানে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ৮৩ কোটি ৮০ লাখ ইউরো আয় করে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি আছে তালিকার দুই নম্বরে। ৮০ কোটি ৬ লাখ ইউরো আয় করে তিন নম্বরে ফরাসি ক্লাব পিএসজি। চার নম্বরে থাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আয় ৭৭ কোটি ১০ লাখ ইউরো। জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের আয় হয়েছে ৭৬ কোটি ৫০ লাখ ইউরো।
আরেক স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনার আয় অবশ্য রিয়াল মাদ্রিদ থেকে বেশ কমই। গত মৌসুমে ৭৬ কোটি ইউরো আয় করেছে তারা। তালিকায় চার নম্বর থেকে এবার তারা নেমে গেছে ছয় নম্বরে।
সমীক্ষায় বলা হয়েছে, শীর্ষ ২০ ক্লাবের মোট আয় ৬ শতাংশ বেড়ে ৯.৪৭ বিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছেছে। ম্যাচ-ডে আয় সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বেড়েছে, ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১.৭৭ বিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছেছে, যা স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি, টিকিটের দাম এবং প্রিমিয়াম হসপিটালিটির উন্নতির কারণে সম্ভব হয়েছে।
রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচ-ডে আয়ে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছে, বার্নাব্যু স্টেডিয়ামের সংস্কারের ফলে ২৪ কোটি ৮০ লাখ ইউরো আয় করেছে, যা আগের মৌসুমের দ্বিগুণ। বার্সেলোনা চতুর্থ স্থান থেকে ছয় নম্বরে নেমে গেছে মূলত ম্যাচ-ডে আয় কমে যাওয়ার কারণে। ১০ কোটি ৩০ লাখ ইউরো তারা ম্যাচ-ডে থেকে গত মৌসুমে আয় করেছে। গত বারের চেয়ে প্রায় ৬ কোটি ইউরো কম। ন্যু ক্যাম্পের সংস্কারের সময় ছোট স্টেডিয়ামে খেলার ফলে এই ক্ষতি হয়েছে ক্লাবটির।
মানি লিগে সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস বাণিজ্যিক আয় (কমার্শিয়াল), ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪.১৪ বিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছেছে। মোট আয়ের ৪৪ শতাংশ দখল করেছে। নন-ফুটবল লাইভ ইভেন্ট, যেমন কনসার্ট আয়োজনের মাধ্যমে এই বৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে।
ডেলয়েট স্পোর্টস বিজনেস গ্রুপের প্রধান অংশীদার টিম ব্রিজ বলেছেন, ‘বাণিজ্যিক ও ম্যাচ-ডে আয়ের অব্যাহত বৃদ্ধির ফলে মানি লিগে ক্লাবগুলো নতুন রেকর্ড তৈরি করছে।’ ব্রডকাস্ট আয় স্থিতিশীল রয়েছে, মোট ৩.৬৪ বিলিয়ন পাউন্ড, কারণ বড় পাঁচটি লিগ—প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা, বুন্দেসলিগা, লিগ ওয়ান ও সিরি আ’র একই সম্প্রচার চক্রে রয়েছে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১৯ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
৩ ঘণ্টা আগে