
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ সাফে দুর্দান্ত খেলে আলোচনায় রোনান সুলিভান। পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে আলোড়ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী এই ফুটবলার। অনূর্ধ্ব-২০ সাফে এখন পর্যন্ত যে তিন গোল রোনান করেছেন, তার তিনটিতেই অবদান রোনানের। যার মধ্যে পাকিস্তানের বিপক্ষে একাই জোড়া গোল দিয়ে হয়েছেন ম্যাচসেরা। আর ভারতের বিপক্ষে তাঁর কর্নার থেকে বাংলাদেশ ফেরে সমতায়।
সামাজিক মাধ্যমে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত নাম বোধ হয় রোনানই। ২৪ মার্চ পাকিস্তানের বিপক্ষে তাঁর জোড়া গোলে বাংলাদেশ জেতে ২-০ গোলে। যার মধ্যে ৫৩ মিনিটে তিনি চোখধাঁধানো ৩০ গজি ফ্রি-কিক যেভাবে করেছেন, সেটার সঙ্গে অনেকে লিওনেল মেসির মতো তারকাদের ফ্রি-কিকের তুলনা করেছেন। রোনান কোথায় আলাদা, আজকের পত্রিকার পডকাস্টে সেটাই ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন জাহিদ হাসান এমিলি। বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক স্ট্রাইকার বলেন,‘আমাদের কিন্তু নাম্বার নাইনে থাকা যোগ্য ফুটবলার নেই। তো সেখানে রোনান সুলিভানের যদি দেখেন পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ দেখেন, সে বদলি ফুটবলার হিসেবে দুই গোল করেছে। শুরুতে কিন্তু ছিল না। তারপর থেকেই কিন্তু খেলার মোমেন্টাম বদলে গেছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে আপনি যে দুইটা গোলের কথা নির্দিষ্ট করে বলেছেন, আপনি যদি সেট পিসের গোলটা দেখেন ফ্রি কিক—দুর্দান্ত গোল। আমার কাছে মনে হয়েছে যে সিনিয়র দল বা বয়স ভিত্তিক দলে আমরা এ ধরনের গোল আমি খুব কম দেখেছি। ৩৫ গজ বক্সের সামনে থেকে আসলে গোল করা সাহসের ব্যাপার।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় গোলটা রোনান করেছেন হেডে। শেখ সংগ্রামের ক্রস রিসিভ করে রোনান সুলিভান বলে এমনভাবে মাথা ছুঁয়েছেন, পাকিস্তানি গোলরক্ষক কিছুই বুঝে উঠতে পারেননি। রোনানের মধ্যে সেরা স্ট্রাইকার হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা দেখছেন এমিলি। আজকের পত্রিকার পডকাস্টে এমিলি বলেন, ‘সুইং, পারফেকশন এবং বলটা ট্রাভেল করেছে যে এখানেও তো দেড় থেকে দুই সেকেন্ড সময় লেগেছে, সে সময় কিন্তু গোলরক্ষক আসতে পারেনি। সবকিছু মিলে আমার মনে হয়েছে রোনান দারুণ স্ট্রাইকার এবং সেকেন্ড গোলটা যেটা বলেছেন যে সংগ্রামের ক্রস থেকে যে সে কানেক্ট করেছে, আমি যেহেতু স্ট্রাইকার ছিলাম আমি জানি যে হেডিংয়ের গোলগুলি সবসময় একটু ব্যতিক্রম এবং গোলরক্ষকদের জন্য খুব কঠিন হয় সেভ করা। তার টাইমিং অফ হেড, টাইমিং অফ রান, অন পজিশনে যাওয়া সবকিছু আমার কাছে মনে হয়েছে দুর্দান্ত।’
২০২৪ সালে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নেপালকে হারিয়েই। সেই নেপালকে এবার বাংলাদেশ পেল সেমিফাইনালেই। বাংলাদেশ ‘বি’ গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে সেমিফাইনালে উঠেছে আর নেপাল সেমির টিকিট কেটেছে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে। এমিলির মতে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী যমজ ভাই রোনান সুলিভান, ডেকলান সুলিভান ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী ইব্রাহিম নাওয়জরা আসায় বাংলাদেশ দলটা আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে মনে করেন এমিলি। আজকের পত্রিকার পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘এই দলের অনেক খেলোয়াড় যেমন মুরশেদ, ফয়সাল—এরা কিন্তু সবশেষ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন। ২০২৪ সালে মারুফ ভাই কোচ ছিলেন। সুতরাং এই দলটাতে কিন্তু সে ধরনের ফুটবলার এবং রোনান সুলিভান, ডেকলান, তারপরে ইব্রাহিম নাওয়াজ আসার পর দল আরও শক্তিশালী হয়েছে।’
অনূর্ধ্ব-২০ সাফ শুরুর আগেই আলোচনায় ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দুই যমজ রোনান সুলিভান ও ডেকলান সুলিভান। যাঁর মধ্যে ডেকলান ডিফেন্ডার। তাঁর এখনো বাংলাদেশ দলে খেলার সুযোগ হয়নি। তবে তাঁর ভাই রোনান এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়োচ্ছেন।
মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে গতকাল ভারতের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে বাংলাদেশ। ভারতের গোলকিপিং কোচ সন্দীপ নন্দীর সঙ্গে তর্কে লিপ্ত থাকেন বাংলাদেশ কোচ মার্ক কক্স। রেফারি দুজনকে লাল কার্ড দেখাতে কোনো দ্বিধাবোধ করেননি। তাতে নেপালের বিপক্ষে ১ এপ্রিল সেমিফাইনালে কক্সকে পাবে না বাংলাদেশ।

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
৯ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
১০ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
১১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
১২ ঘণ্টা আগে