
২০৩৪ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনো বাকি ১০ বছর। সেই বিশ্বকাপ যে সৌদি আরবে হচ্ছে সেটা জানা গেছে অনেক আগেই। ১০ বছর পরের বিশ্বকাপ আয়োজন করতে মহাপরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে সৌদি।
সৌদি আরব ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০৩৪ ফুটবল বিশ্বকাপের বিড জমা দিয়েছে সোমবার। প্যারিসে একটি আনুষ্ঠানিক সম্মেলনে সেটা দেওয়া হয়। বিড জমা দেওয়ার পর অ্যাসোসিয়েট প্রেস (এপি), আরব নিউজসহ বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যমে গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে সৌদি আরবের পরিকল্পনার কথা জানা গেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৪৮ দলের ২০৩৪ ফুটবল বিশ্বকাপ হবে সৌদির রাজধানী রিয়াদসহ ৫ শহরে। যার মধ্যে রিয়াদে ফাইনালসহ ৮টি ম্যাচ হবে। কোনো সহযোগী দেশ নয়, সৌদি আরব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে একাই।
সৌদির প্রস্তাবিত শহরগুলোর মধ্যে রিয়াদের পাশাপাশি থাকছে জেদ্দা, আল খোবার, আবহা ও নিওম। নিওম শহর গড়তে খরচ হচ্ছে ৫০ হাজার কোটি ডলার। প্রস্তাবিত বিড অনুযায়ী, ৪৮ দলের বিশ্বকাপ আয়োজন করতে সৌদিতে ১৫টি স্টেডিয়াম প্রয়োজন হবে। যেখানে রিয়াদে হবে ৮ স্টেডিয়াম। যার মধ্যে রয়েছে রাজধানী শহরে ৯২ হাজার ধারণক্ষমতার কিং সালমান স্টেডিয়াম। ২০২৯ সালের মধ্যে তা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী জেদ্দায় হবে চারটি স্টেডিয়াম। একটি করে স্টেডিয়াম আল খোবার, আভা ও নিওমে হতে যাচ্ছে।
বিডের পরিকল্পনা অনুযায়ী কমপক্ষে ৪৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার ১৫টি স্টেডিয়াম দরকার। তবে বর্তমানে সৌদিতে আছে দুটি। সেই দুটি হলো জেদ্দার কিং আবদুল্লাহ স্টেডিয়াম ও রিয়াদের কিং ফাহাদ স্টেডিয়াম। তবে ফাহাদ স্টেডিয়ামে মেরামতের কাজ চলছে। নতুন করে তৈরি হচ্ছে তিন স্টেডিয়াম। ১৫ স্টেডিয়ামের মধ্যে এরই মধ্যে নির্মাণ করা চার স্টেডিয়াম পুনরায় সজ্জিত করার কাজ চলছে।
সৌদির ক্রীড়ামন্ত্রী তুর্কি আল ফয়সাল উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সৌদির এমন মহাপরিকল্পনা নিয়ে। ফয়সাল বলেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপ নিয়ে সৌদি আরবের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে একত্রে কাজ করে যাচ্ছি। অফিসিয়াল বিড বইতে যা আছে, সেভাবেই করতে চাচ্ছি।’ তিনি একই সঙ্গে সৌদি অলিম্পিক এবং প্যারালিম্পিক কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন।

২০৩৪ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনো বাকি ১০ বছর। সেই বিশ্বকাপ যে সৌদি আরবে হচ্ছে সেটা জানা গেছে অনেক আগেই। ১০ বছর পরের বিশ্বকাপ আয়োজন করতে মহাপরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে সৌদি।
সৌদি আরব ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০৩৪ ফুটবল বিশ্বকাপের বিড জমা দিয়েছে সোমবার। প্যারিসে একটি আনুষ্ঠানিক সম্মেলনে সেটা দেওয়া হয়। বিড জমা দেওয়ার পর অ্যাসোসিয়েট প্রেস (এপি), আরব নিউজসহ বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যমে গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে সৌদি আরবের পরিকল্পনার কথা জানা গেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৪৮ দলের ২০৩৪ ফুটবল বিশ্বকাপ হবে সৌদির রাজধানী রিয়াদসহ ৫ শহরে। যার মধ্যে রিয়াদে ফাইনালসহ ৮টি ম্যাচ হবে। কোনো সহযোগী দেশ নয়, সৌদি আরব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে একাই।
সৌদির প্রস্তাবিত শহরগুলোর মধ্যে রিয়াদের পাশাপাশি থাকছে জেদ্দা, আল খোবার, আবহা ও নিওম। নিওম শহর গড়তে খরচ হচ্ছে ৫০ হাজার কোটি ডলার। প্রস্তাবিত বিড অনুযায়ী, ৪৮ দলের বিশ্বকাপ আয়োজন করতে সৌদিতে ১৫টি স্টেডিয়াম প্রয়োজন হবে। যেখানে রিয়াদে হবে ৮ স্টেডিয়াম। যার মধ্যে রয়েছে রাজধানী শহরে ৯২ হাজার ধারণক্ষমতার কিং সালমান স্টেডিয়াম। ২০২৯ সালের মধ্যে তা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী জেদ্দায় হবে চারটি স্টেডিয়াম। একটি করে স্টেডিয়াম আল খোবার, আভা ও নিওমে হতে যাচ্ছে।
বিডের পরিকল্পনা অনুযায়ী কমপক্ষে ৪৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার ১৫টি স্টেডিয়াম দরকার। তবে বর্তমানে সৌদিতে আছে দুটি। সেই দুটি হলো জেদ্দার কিং আবদুল্লাহ স্টেডিয়াম ও রিয়াদের কিং ফাহাদ স্টেডিয়াম। তবে ফাহাদ স্টেডিয়ামে মেরামতের কাজ চলছে। নতুন করে তৈরি হচ্ছে তিন স্টেডিয়াম। ১৫ স্টেডিয়ামের মধ্যে এরই মধ্যে নির্মাণ করা চার স্টেডিয়াম পুনরায় সজ্জিত করার কাজ চলছে।
সৌদির ক্রীড়ামন্ত্রী তুর্কি আল ফয়সাল উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সৌদির এমন মহাপরিকল্পনা নিয়ে। ফয়সাল বলেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপ নিয়ে সৌদি আরবের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে একত্রে কাজ করে যাচ্ছি। অফিসিয়াল বিড বইতে যা আছে, সেভাবেই করতে চাচ্ছি।’ তিনি একই সঙ্গে সৌদি অলিম্পিক এবং প্যারালিম্পিক কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
২ ঘণ্টা আগে