ক্রীড়া ডেস্ক

প্রায় এক বছরের বেশি সময় পর বাংলাদেশ সফরে এসেছে মালদ্বীপ। গত বছরের অক্টোবরে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দ্বিতীয় লেগে কী নাটকীয় জয়ই না পেয়েছিলেন হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যরা। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় ২-১ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে লড়তে হয়েছিল ১০ জন নিয়েই।
একই ভেন্যুতে আগামীকাল সেই জয়ের আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের কারণে চিন্তা কি থেকে যাচ্ছে না? এ বছর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে লাল-সবুজরা খেলেছে ৮ ম্যাচ, জিতেছে মাত্র ১টি। সেটিও মাস দুয়েক আগে থিম্পুতে ভুটানের বিপক্ষে প্রথম প্রীতি ম্যাচে। তবে পরের ম্যাচেই শোধ তোলে স্বাগতিকেরা।
মালদ্বীপের বিপক্ষে প্রথম প্রীতি ম্যাচ দিয়ে এই ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙতে পারবে তো বাংলাদেশ? গত কয়েক দিনের টানা প্রস্তুতিতে জয়ের ধারায় ফেরার বিশ্বাস খুঁজে পেয়েছেন মনে হলো কাবরেরাকে। গতকাল ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানালেন শুরুতে, ‘সত্যি আমাদের প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। শুরুতে কয়েকজন নিয়ে অনুশীলন শুরু করেছিলাম, পরে বসুন্ধরা কিংসের খেলোয়াড়েরা যোগ দেয়। এরপর ফর্টিসের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি, যেটা ইতিবাচক ব্যাপার ছিল। আমার চাওয়া, ছেলেরা সমর্থকদের জন্য খেলুক। দায়িত্ব নিয়ে খেলুক এবং ম্যাচ বাই ম্যাচ ভালো পারফরম্যান্স করুক।’
বাফুফের সঙ্গে কাবরেরার চুক্তি শেষ হবে আগামী ডিসেম্বরে। মালদ্বীপের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দুটিই তাঁর শেষ। শেষটায় রাঙাতে পারবেন তো স্প্যানিশ কোচ? বাংলাদেশও এ বছর শেষ ম্যাচ খেলবে মালদ্বীপের বিপক্ষে। কিংস অ্যারেনায় ১৬ নভেম্বর মালদ্বীপের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ প্রীতি ম্যাচ খেলবে লাল-সবুজরা। প্রীতি ম্যাচ হলেও এই কারণেই হয়তো ম্যাচ দুটিকে আলাদা গুরুত্ব দিচ্ছেন তপু বর্মণ। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘(প্রস্তুতি) খুবই ভালো। কারণ, আমাদের জন্য ম্যাচ দুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের খেলোয়াড়দের কী কাজ এবং কী করণীয় সেটা কাল মাঠে প্রমাণ করতে হবে। ম্যাচের জন্য আমরা যে কৌশল নিয়ে কাজ করেছি, কাল আমাদের এটা দেখাতে হবে। আমাদের সবার প্রতি আমার বিশ্বাস আছে।’
কাবরেরা-তপু যতোই প্রস্তুতি ভালো হয়েছে বলুক—প্রীতি ম্যাচে ফর্টিস এফসির বিপক্ষে দুই ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ দল। সেই ক্ষত নিয়ে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা মালদ্বীপের বিপক্ষে লড়াইয়ে ঘুরে দাঁড়াতে তো পারবে তো বাংলাদেশ। তপু সেই নিশ্চয়তা অবশ্য দিয়েছেন, ‘ফর্টিসের সঙ্গে আমরা দুটা ম্যাচ হেরেছি। আমাদের আসলে জয় পাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। আমরা সেখানে ভালো-খারাপ কী করেছি সেটি নিয়ে কোচ আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। ভালো করেই জানি ম্যাচে আমাদের কী করতে হবে ম্যাচে এবং যে গেমপ্ল্যান আছে সেটা যদি মাঠে দেখাতে পারি নিঃসন্দেহে আমরা জিতব।’

প্রায় এক বছরের বেশি সময় পর বাংলাদেশ সফরে এসেছে মালদ্বীপ। গত বছরের অক্টোবরে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দ্বিতীয় লেগে কী নাটকীয় জয়ই না পেয়েছিলেন হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যরা। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় ২-১ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে লড়তে হয়েছিল ১০ জন নিয়েই।
একই ভেন্যুতে আগামীকাল সেই জয়ের আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের কারণে চিন্তা কি থেকে যাচ্ছে না? এ বছর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে লাল-সবুজরা খেলেছে ৮ ম্যাচ, জিতেছে মাত্র ১টি। সেটিও মাস দুয়েক আগে থিম্পুতে ভুটানের বিপক্ষে প্রথম প্রীতি ম্যাচে। তবে পরের ম্যাচেই শোধ তোলে স্বাগতিকেরা।
মালদ্বীপের বিপক্ষে প্রথম প্রীতি ম্যাচ দিয়ে এই ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙতে পারবে তো বাংলাদেশ? গত কয়েক দিনের টানা প্রস্তুতিতে জয়ের ধারায় ফেরার বিশ্বাস খুঁজে পেয়েছেন মনে হলো কাবরেরাকে। গতকাল ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানালেন শুরুতে, ‘সত্যি আমাদের প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। শুরুতে কয়েকজন নিয়ে অনুশীলন শুরু করেছিলাম, পরে বসুন্ধরা কিংসের খেলোয়াড়েরা যোগ দেয়। এরপর ফর্টিসের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি, যেটা ইতিবাচক ব্যাপার ছিল। আমার চাওয়া, ছেলেরা সমর্থকদের জন্য খেলুক। দায়িত্ব নিয়ে খেলুক এবং ম্যাচ বাই ম্যাচ ভালো পারফরম্যান্স করুক।’
বাফুফের সঙ্গে কাবরেরার চুক্তি শেষ হবে আগামী ডিসেম্বরে। মালদ্বীপের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দুটিই তাঁর শেষ। শেষটায় রাঙাতে পারবেন তো স্প্যানিশ কোচ? বাংলাদেশও এ বছর শেষ ম্যাচ খেলবে মালদ্বীপের বিপক্ষে। কিংস অ্যারেনায় ১৬ নভেম্বর মালদ্বীপের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ প্রীতি ম্যাচ খেলবে লাল-সবুজরা। প্রীতি ম্যাচ হলেও এই কারণেই হয়তো ম্যাচ দুটিকে আলাদা গুরুত্ব দিচ্ছেন তপু বর্মণ। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘(প্রস্তুতি) খুবই ভালো। কারণ, আমাদের জন্য ম্যাচ দুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের খেলোয়াড়দের কী কাজ এবং কী করণীয় সেটা কাল মাঠে প্রমাণ করতে হবে। ম্যাচের জন্য আমরা যে কৌশল নিয়ে কাজ করেছি, কাল আমাদের এটা দেখাতে হবে। আমাদের সবার প্রতি আমার বিশ্বাস আছে।’
কাবরেরা-তপু যতোই প্রস্তুতি ভালো হয়েছে বলুক—প্রীতি ম্যাচে ফর্টিস এফসির বিপক্ষে দুই ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ দল। সেই ক্ষত নিয়ে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা মালদ্বীপের বিপক্ষে লড়াইয়ে ঘুরে দাঁড়াতে তো পারবে তো বাংলাদেশ। তপু সেই নিশ্চয়তা অবশ্য দিয়েছেন, ‘ফর্টিসের সঙ্গে আমরা দুটা ম্যাচ হেরেছি। আমাদের আসলে জয় পাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। আমরা সেখানে ভালো-খারাপ কী করেছি সেটি নিয়ে কোচ আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। ভালো করেই জানি ম্যাচে আমাদের কী করতে হবে ম্যাচে এবং যে গেমপ্ল্যান আছে সেটা যদি মাঠে দেখাতে পারি নিঃসন্দেহে আমরা জিতব।’

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৯ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৯ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
৯ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
১০ ঘণ্টা আগে