ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর পেরিয়ে গেছে আড়াই বছর। তারপরও তাঁকে নিয়ে শোনা যায় নানারকম গুঞ্জন। এবার শোনা গেল, তিনি নাকি মারাই যাননি। কিংবদন্তির পরিবার তাঁর ফেসবুক আইডি হ্যাকিংয়ের অভিযোগ এনেছেন।
গত রাতে ম্যারাডোনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের কথা জানিয়েছে আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম। প্রয়াত কিংবদন্তির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করা হয়েছে, ‘আমি মারা যাইনি। আপনারা জানেন যে আমার মৃত্যুর খবর মিথ্যা।’ এই পোস্টের পরই সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড় হয়ে ওঠে। ম্যারাডোনার আত্মীয় স্বজন এবং ম্যানেজমেন্ট হ্যাকিংয়ের অভিযোগ এনেছেন। ভক্তদের সবাইকে হ্যাকিং আইডি থেকে হওয়া পোস্টগুলো উপেক্ষা করে পরিবার বলেছে, ‘আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে ডিয়েগো ম্যারাডোনার অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে। হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে পরিবার।’
২০২০ এর ২৫ নভেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ম্যারাডোনা। ৬০ বছর বয়সে পরপারে পাড়ি জমান আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তি। ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর শিরোপার খড়া ঘুচিয়েছে আর্জেন্টিনা ও নাপোলি। ১৯৮৬ এর পর ২০২২ বিশ্বকাপ জিতেছে আর্জেন্টিনা গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর। আর গত ৪ মে সিরি-আ জিতেছে নাপোলি। ১৯৯০ এ সর্বশেষ স্কুদেত্তো জিতেছিল নেপলসরা। আর্জেন্টিনা, নাপোলি-দুই দলেরই সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ী দলে ছিলেন ম্যারাডোনা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই এখন আম্পায়ারিং করতে দেখা যায় শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতকে। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর সিদ্ধান্তকে খুব কম সময়েই বদলাতে পারেন ক্রিকেটাররা। আজ রিশাদ হোসেনও হার মেনে গেলেন সৈকতের কাছে।
৫ ঘণ্টা আগে
বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রতি এক পোস্ট দেওয়ার পর ইমাম-উল-হক বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গিয়েছেন। অনেকেই পাকিস্তানি তারকা ক্রিকেটারের বৈবাহিক জীবন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন। এবার তিনি মুখ খুলেছেন। পাকিস্তানি বাঁহাতি ব্যাটারের দাবি, অনেকেই না জেনে বুঝে কথাবার্তা বলেছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। ভেন্যু স্থানান্তরের দাবি থেকে সরে না আসায় ইরান এই ফুটবল মহাযজ্ঞে অংশ নেবে কি নেবে না, তা সূতোয় ঝুলছে। ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দানিয়ালি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ফুটবলের মাঠ রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলে সংঘর্ষ এত তীব্র আকার ধারণ করে যে লাল কার্ড তো দেখানো হয়ই। এমনকি বাধ্য হয়ে ম্যাচ বাতিল করা হয়। ফ্রান্সের ঘরোয়া ফুটবলেও দেখা গেছে তেমন তুলকালাম ঘটনা।
৭ ঘণ্টা আগে