
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শেষ হতে আর বেশি সময় বাকি নেই। নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে পরশু বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা-স্পেন। তবে এই ফাইনাল মাঠে বসে দেখবেন না আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই।
বিশ্বজুড়ে ভক্ত ও খেলোয়াড়রা নানা ধরনের কুসংস্কার বা শুভ লক্ষণে বিশ্বাস করেন। যার মধ্যে অন্যতম হলো, কোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা ফাইনাল দেখলে সেই দল চ্যাম্পিয়ন হতে পারে। তবে তবে লাতিন আমেরিকায়, বিশেষ করে আর্জেন্টিনায়, কাবালাস নামে পরিচিত এসব আচারগত বিশ্বাস ও অভ্যাসের গুরুত্ব অনেক বেশি। নিউজার্সিতে কি ফাইনাল দেখতে যাবেন—গতকাল মিলেইকে এমন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘কোনোভাবেই সম্ভব না।’
নিউজার্সিতে রোববারের ফাইনালে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একসঙ্গে খেলা দেখবেন বলে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন। ট্রাম্প-ইনফান্তিনোর সঙ্গে মিলেই মাঠে বসে খেলা দেখবেন বলে শোনা যাচ্ছিল। গতকাল এ ব্যাপারে তিনি বুয়েনস আইরেসের স্থানীয় রেডিও স্টেশন ‘এল অবজারভাদর’কে বলেন, ‘সব ম্যাচই অলিভোস থেকে দেখব।’ অলিভোস হচ্ছে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন। তিনি বাড়িতে বসে এবার আর্জেন্টিনার সাত ম্যাচ দেখেছেন এবং সবকটিতেই লিওনেল স্কালোনির দল জিতেছে। এ কারণে রোববার আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল দেখতে যাচ্ছেন না মিলেই।
কুসংস্কারের কারণে আর্জেন্টিনার ম্যাচ বাড়িতে বসে দেখার বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেছেন মিলেই। প্রসঙ্গক্রমে আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্ট আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনালের কথা উল্লেখ করেছেন। মিলেই বলেন, ‘যেহেতু ঠান্ডা পড়েছে আর আমি হিটার চালাই না। তাই আমি একটি তেল কোম্পানির লোগোযুক্ত জ্যাকেট পরে থাকি। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের দিন জ্যাকেটটা পরে আমার খুব গরম লাগছিল। তাই আমি সেটা খুলে ফেলেছিলাম। আর তখনই আমাদের বিপক্ষে একটি গোল হয়ে যায়। এরপর আমি আবার জ্যাকেটটা পরি। তারপর থেকে আর কখনও সেটা খুলি না।’
নিউজার্সিতে পরশু স্পেন দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিততে মাঠে নামবে। এর আগে ২০১০ সালে একবারই ফাইনাল খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্প্যানিশরা। আর্জেন্টিনা নামবে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে। যদি আলবিসেলেস্তেরা রোববার চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে তৃতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার কীর্তি গড়বে স্কালোনির দল। এর আগে ইতালি-ব্রাজিলের ছিল এমন কীর্তি।

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালের রেফারি হিসেবে স্লাভকো ভিনচিচের নাম ঘোষণা করতেই পুরো হলরুম করতালিতে ফেটে পড়ল। তাঁকে সবাই জড়িয়ে ধরলেন। আবেগে তিনি কেঁদেও ফেলেছেন। রেফারি হিসেবে অনেক সুনাম থাকলেও স্লোভেনিয়ান এই রেফারির এক অন্ধকার অতীত রয়েছে।
২১ মিনিট আগে
লুইস দে লা ফুয়েন্তের চাওয়াটাই তাহলে পূরণ হয়েছে। সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর স্পেন কোচ বলেছিলেন, ফাইনালে তিনি প্রতিপক্ষ হিসেবে চান আর্জেন্টিনাকে। স্পেন কোচের এই চাওয়ার পেছনে রয়েছে ‘গুরু-শিষ্যের লড়াই’ কিংবা বন্ধুর সঙ্গে বন্ধুর লড়াই।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফাইনালে রেফারিং বলে কথা। যে টুর্নামেন্টের জন্য পুরো বিশ্ব বুঁদ হয়ে থাকে, কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীরা টিভি সেটের সামনে বসে থাকেন, তাঁর চূড়ান্ত পরিণতি এই বিশ্বকাপ ফাইনাল। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ ম্যাচ পরিচালনা করবেন বলে আবেগে কেঁদেই ফেললেন স্লাভকো ভিনচিচ।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে কত নতুন কিছুই তো এনেছে ফিফা। হাইড্রেশন ব্রেকের পাশাপাশি ভিএআর ক্ষমতার সম্প্রসারণ যে নতুন সংযোজনেরই অংশ। ফাইনালে থাকছে আরও চমক। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বিশেষ আংটি দিচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা।
৩ ঘণ্টা আগে