
দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মিশনে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন। নিউজার্সি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে বিশ্বকাপ ফাইনাল। সেখানে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে বিদায় করা এবং ডালাসের সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে অনায়াসে হারিয়ে দেওয়া দলটির ওপরই চূড়ান্ত লড়াইয়ে ভরসা রেখেছেন তিনি।
ফ্রান্স ম্যাচের শেষ দিকে চোট পড়া রাইটব্যাক পেদ্রো পোরো এবং ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল পুরোপুরি সুস্থ হওয়ায় একাদশে ফিরেছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম টানা তিন ম্যাচে একদম অপরিবর্তিত শুরুর একাদশ মাঠে নামাচ্ছেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
স্পেনের অভেদ্য রক্ষণভাগে গোলরক্ষক উনাই সিমনের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়াবেন পেদ্রো পোরো, কুবারসি, লাপোর্তে ও কুকুরেয়া। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি গোল হজম করা এই রক্ষণভাগ ফাইনালজুড়ে স্পেনের বড় শক্তির জায়গা। মাঝমাঠে প্রতিটি ম্যাচেই অপরিহার্য হয়ে ওঠা রদ্রির সঙ্গে থাকছেন অসাধারণ ফর্মে থাকা দানি অলমো এবং ফাবিয়ান রুইস। ফলে পেদ্রি এবং টুর্নামেন্টের সেরা ‘ইমপ্যাক্ট সাব’ মিকেল মেরিনোর মতো তারকাদের আজ সাইডবেঞ্চে বসে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
আক্রমণভাগে স্পেনের মূল অস্ত্র আলেক্স বায়েনা এবং চলতি বিশ্বকাপে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিকেল ওইয়ারসাবাল। টুর্নামেন্টে ইতিমধ্যে ৫ গোল করা ওইয়ারসাবাল স্পর্শ করেছেন ১৯৮৬ সালের বুত্রাগেনো এবং ২০১০ সালের ডেভিড ভিয়ার কীর্তিকে। তাঁদের সঙ্গে আক্রমণভাগে সুর বাঁধবেন লামিনে ইয়ামাল।
স্পেন একাদশ
উনাই সিমন, পেদ্রো পোরো, পাউ কুবারসি, আইমেরিক লাপোর্তে, কুকুরেয়া, রদ্রি, ফাবিয়ান রুইস, দানি অলমো, লামিনে ইয়ামাল, আলেক্স বায়েনা ও মিকেল ওইয়ারসাবাল।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ জয় বলে কথা। নিউজার্সিতে গতকাল শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা মেতে ওঠে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে। লামিনে ইয়ামাল, রদ্রি, মার্ক কুকুরেয়াদের উদযাপনের রেশ ছড়িয়ে পড়ে স্পেনের বিভিন্ন এলাকায়। শিরোপা জয়ের উদযাপন করতে গিয়ে ইউরোপের দেশটিতে ঘটেছে হতাহতের ঘটনা।
৬ মিনিট আগে
এবার স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জিতলেন কুকুরেয়া। মজার বিষয় হলো, দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালই হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে। ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই এই ভেন্যুতে পিএসজিকে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল চেলসি। এক বছরের কিছু বেশি সময় পর আবারও সেই মাঠেই বিশ্বজয়ের আনন্দে মাতলেন কুকুরেয়া। তবে এবার স্পেনের জার্সিতে।
৩৩ মিনিট আগে
টানা দ্বিতীয় শিরোপা জেতার হাতছানি ছিল আর্জেন্টিনার সামনে। কিন্তু স্পেনের কাছে ফাইনালে ১-০ গোলে হেরে এই চক্র পূরণ করতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা। হারের চেয়েও বেশি হতাশাজনক ছিল শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে লিওনেল মেসিদের বাজে পারফরম্যান্স।
১ ঘণ্টা আগে
নিজেদের হারিয়ে খুঁজতে থাকা আর্জেন্টিনার সামনে সবচেয়ে বড় আশা তখন ম্যাচের আয়ু শেষের দিকে থাকায়। একজন কম নিয়ে খেলতে থাকা আলবিসেলেস্তেরা টাইব্রেকারের আশায় তাকিয়ে ছিল রেফারির শেষ বাঁশির দিকে। কিন্তু হঠাৎ এক আক্রমণে ফেরান তোরেস সব হিসাব ওলট-পালট করে দেন।
৩ ঘণ্টা আগে