
যে ম্যাচে একসময় দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে বিদায়ের শঙ্কায় ছিল আর্জেন্টিনা, সেই ম্যাচেই মাত্র চার মিনিটের ঝড়ে সমতায় ফিরেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। লিওনেল মেসির জাদুতে শেষ দিকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে মিসরের বিপক্ষে ২–২ সমতায় ফিরেছে লিওনেল স্কালোনির দল।
আটলান্টায় ৬৭ মিনিটে মোস্তফা জিকোর গোলে ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল মিসর। আর্জেন্টিনার বিদায় প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু এরপর ম্যাচের চিত্র পুরো বদলে দেন মেসি।
গোল শোধে মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে আর্জেন্টিনা। ৭৪ ও ৭৫ মিনিটে নিকো গনসালেসের দুটি ক্রস থেকে লাউতারো মার্তিনেস পরপর দুটি সুযোগ পেলেও একবার তাঁর শট প্রতিপক্ষের রক্ষণে আটকে যায়, আরেকবার বল চলে যায় পোস্টের বাইরে। ৭৬ মিনিটে অফসাইডের ফাঁদে পড়েন হুলিয়ান আলভারেস। ৭৭ মিনিটে ত্রেজেগের শট অল্পের জন্য বাইরে চলে গেলে তৃতীয় গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে মিসর।
শেষ পর্যন্ত ৭৯ মিনিটে ম্যাচে ফেরার পথ খুঁজে পায় আর্জেন্টিনা। মেসির পাস থেকে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। ব্যবধান কমে ২–১ হওয়ার পর নতুন করে প্রাণ ফিরে পায় আর্জেন্টিনার আক্রমণ।
এরপর আর অপেক্ষা করতে হয়নি বেশি। ৮২ মিনিটে আবারও কর্নার থেকে লাউতারো মার্তিনেসের হেড অল্পের জন্য বাইরে যায়। পরের আক্রমণেই লাউতারোর আরেকটি প্রচেষ্টা প্রতিহত হলেও ফিরতি বলে সুযোগ পান মেসি। ৮৩ মিনিটে বক্সের ভেতর বাঁ পায়ের শটে জাল কাঁপিয়ে স্কোরলাইন ২–২ করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস, পরে পোস্টে শট—সব হতাশা যেন এক মুহূর্তেই ভুলিয়ে দিলেন মেসি। তাঁর এক অ্যাসিস্ট ও এক গোলে মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ম্যাচে দারুণভাবে ফিরে এসেছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের লড়াই তাই আবারও নতুন করে শুরু হলো।

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের পেছনে ড্রেসিংরুমের কথাও তুলে ধরেছেন লাউতারো। তিনি বলেন, “এই দল কখনো হাল ছাড়ে না, শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যায়। বিরতির সময় কোচ আমাদের বলেছিলেন, 'যা আছে, তা নিয়েই শেষ পর্যন্ত লড়বে।' আমরা সুযোগ তৈরি করছিলাম, কিন্তু গোল করতে পারছিলাম না। শেষ পর্যন্ত এত চেষ্টার পর যখন গোল
১৩ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনা যখন ২–০ গোলে পিছিয়ে, তখন বিদায় প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু ৭৯তম মিনিটে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, ৮৩তম মিনিটে লিওনেল মেসি এবং যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে বিশ্বকাপের অন্যতম নাটকীয় প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই কারণেই হয়তো জয়ের পর কথার চেয়ে চ
২৬ মিনিট আগে
নকআউট পর্বে বিদায়ের মুখ থেকে ফিরে আসা এই জয় আর্জেন্টিনার জন্য যেমন স্মরণীয়, তেমনি এনসো ফের্নান্দেসের কাছেও বিশেষ হয়ে থাকবে। তিন বছরের যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, সেটি পূরণ হয়েছে ঠিক বিশ্বকাপের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে।
৩৪ মিনিট আগে
ফুটবলে মেসির অর্জনের তালিকা দীর্ঘ। কিন্তু খাদের কিনারা থেকে ফিরে এমন এক জয়, যেখানে তিনি একই ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেছেন, আবার দলকে সমতায়ও ফিরিয়েছেন—সেই রাতের আবেগ যে তাঁর কাছেও ছিল অন্য রকম, শেষ বাঁশির পরের দৃশ্যটাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
৪৪ মিনিট আগে