একবার ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) আর্জেন্টিনাকে বাঁচিয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয়বার আর রক্ষা হলো না। শেষ ষোলোর ম্যাচে মোস্তফা জিকোর গোলে ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে মিসর, আর বড় বিপদে পড়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
প্রথমার্ধে ইয়াসির ইব্রাহিমের হেডে পিছিয়ে পড়ার পর থেকে আক্রমণের পর আক্রমণ চালায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু লিওনেল মেসির পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। এরপর মেসির ফ্রি-কিক পোস্টে লাগে, আলেক্সিস মাক আলিস্তার ও হুলিয়ান আলভারেসের একাধিক চেষ্টাও ব্যর্থ করে দেন মিসরের গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার কমায়নি লিওনেল স্কালোনির দল। ৬১ মিনিটে মেসির ফ্রি-কিক থেকে পাওয়া ক্রসে আলেক্সিস মাক আলিস্তারের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর কর্নার থেকে টানা চাপ তৈরি করে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের ৫৮ মিনিটে একবার বল জালে জড়িয়েছিলেন মোস্তফা জিকো। তবে ভিএআরের হস্তক্ষেপে সেই গোল বাতিল হয়। তাতে স্বস্তি ফিরেছিল আর্জেন্টিনা শিবিরে।
কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৬৬ মিনিটে রদ্রিগো দে পল ও নিকোলাস তালিয়াফিকোকে তুলে লাউতারো মার্তিনেস ও নিকো গনসালেসকে নামিয়ে আক্রমণভাগে নতুন প্রাণ সঞ্চারের চেষ্টা করেন স্কালোনি। কিন্তু বদলির এক মিনিটের মধ্যেই পাল্টা আঘাত হানে মিসর।
৬৭ মিনিটে দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাক থেকে আবারও সামনে চলে আসেন মোস্তফা জিকো। এবার আর কোনো বাধা আসেনি। বক্সের ভেতর থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এমিলিয়ানো মার্তিনেসকে পরাস্ত করে ব্যবধান ২–০ করেন তিনি।

বিশ্বকাপের ফাইনালে আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে নামবে স্পেন। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা আলবিসেলেস্তেদের সামনে এবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের চ্যালেঞ্জ। শিরোপা নির্ধারণী এই লড়াইয়ের আগে দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যান বলছে, কেউই কারও চেয়ে এগিয়ে নেই।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে যখন ভাসছে পুরো দল, তখন লিওনেল মেসিকে ঘিরে আবেগঘন এক মুহূর্ত ধরা পড়েছে উদযাপনের মাঝেই।
৩ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৪০ বছর আগের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল আর্জেন্টাইন ফুটবলে। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদো। আটলান্টার স্টেডিয়ামে বসে দলের জয় দেখার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের বিশ
৩ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি মুহূর্তকেই মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখছেন লিওনেল মেসি। ১-১ গোলে সমতা ফেরার পর আর্জেন্টিনা বুঝতে পেরেছিল, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা আর আগের মতো লড়াইয়ের অবস্থায় নেই। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেওয়ার বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মেস
৫ ঘণ্টা আগে