
গোলরক্ষকের কাজই গোল ঠেকানো। তবে কেউ কেউ সেই কাজ করতে করতেই ইতিহাস লিখে ফেলেন। উনাই সিমন ঠিক সেটিই করলেন। লস অ্যাঞ্জেলেসে আজ অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পুরো ম্যাচে গোল হজম না করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে টানা সর্বোচ্চ সময় ক্লিন শিট রাখার নতুন রেকর্ড গড়েছেন স্পেনের এই গোলরক্ষক।
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত টানা ৫১৯ মিনিট কোনো গোল হজম করেননি সিমন। এর মধ্য দিয়ে ভেঙে দিয়েছেন ইতালির কিংবদন্তি ওয়াল্টার জেঙ্গার ৩৬ বছর পুরোনো রেকর্ড। ১৯৯০ বিশ্বকাপে জেঙ্গা টানা ৫১৭ মিনিট গোল না খেয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন। সেটিই ছিল বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো গোলরক্ষকের দীর্ঘতম ক্লিন শিটের রেকর্ড। সিংহাসনটা এবার কেেড়ে নিলেন সিমন। তালিকার তৃতীয় স্থানে আছেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি পিটার শিলটন, যিনি টানা ৫০০ মিনিট গোল হজম করেননি।
সিমনের এই রেকর্ডযাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে। গ্রুপ পর্বে জাপানের বিপক্ষে ৫১তম মিনিটে আও তানাকার গোলের পর আর কোনো বল তাঁর জালে জড়ায়নি। এরপর সেই ম্যাচের বাকি সময়, মরক্কোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর ১২০ মিনিট এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে কেপ ভার্দে, সৌদি আরব, উরুগুয়ে ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পুরো ম্যাচ মিলিয়ে টানা ৫১৯ মিনিট অপরাজিত থেকেছেন তিনি।
এতে স্পেনের হয়েও নতুন ইতিহাস গড়েছেন সিমন। এতদিন দেশটির হয়ে বিশ্বকাপে টানা সর্বোচ্চ ৪৭৭ মিনিট গোল না খাওয়ার রেকর্ড ছিল কিংবদন্তি ইকার কাসিয়াসের দখলে। ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপ মিলিয়ে গড়া সেই কীর্তিও এখন অতীত। সিমন শুধু কাসিয়াসকেই ছাড়িয়ে যাননি, বিশ্বকাপ ইতিহাসের শীর্ষেও উঠে গেছেন।
বিশ্বকাপে স্পেনের আক্রমণভাগ যেমন নজর কেড়েছে, তেমনি তাদের সাফল্যের বড় ভিত্তি হয়ে উঠেছে রক্ষণ। আর সেই রক্ষণের শেষ আস্থার জায়গায় থাকা সিমন প্রমাণ করলেন শিরোপার স্বপ্ন দেখতে হলে গোলরক্ষকের দৃঢ়তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তবে পর্তুগালকে ইউরোপের সেরা করলেও বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটি এখনো রোনালদোর জন্য অধরাই রয়ে গেছে। নিজের শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে এই একটি আক্ষেপ ঘোচানোই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য। কাতিয়া বলেন, ‘যাঁরা বুদ্ধিমান এবং ফুটবল ভালোবাসেন, তাঁদের রোনালদোকে পছন্দ করতেই হবে। যারা তাঁকে পছন্দ করে না, ক্ষতিটা আসলে তাদ
১ ঘণ্টা আগে
হতাশা আর গৌরবের ব্যবধান কতটুকু? হ্যারি কেইনকে জিজ্ঞেস করলে উত্তরটা হবে—মাত্র ১১ মিনিট। আটলান্টায় তখন ইংলিশ সমর্থকদের চোখে অন্ধকার। ডিআর কঙ্গোর কাছে ১-০ গোলে পিছিয়ে বিশ্বসেরা তারকায় ঠাসা ইংল্যান্ড দাঁড়িয়ে ছিল আরেকটি অপ্রত্যাশিত বিদায়ের সামনে।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমে অপেক্ষা, তারপর আধিপত্য, শেষে উদ্যাপন। স্পেনের জয়ের গল্পটা এমনই। গোল পেতে কিছুটা সময় লেগেছে, কিন্তু একবার গোলের দেখা পাওয়ার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আর হাতছাড়া করেনি লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। লস অ্যাঞ্জেলেসে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দাপটের সঙ্গেই বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে স্পেন।
২ ঘণ্টা আগে
মায়ামির প্রায় প্রতিটি সৈকতে গেলেই দেখা যাবে আর্জেন্টাইন দর্শকদের ভিড়। তবে গত পরশু বিকেলে মায়ামির ব্যান্ডশেল সৈকতে গিয়ে একটু অবাকই হতে হলো। বালুকাবেলায় উদোম গা এলিয়ে শুয়ে-বসে সময় কাটাচ্ছেন হাতে গোনা কিছু আর্জেন্টাইন দর্শক।
২ ঘণ্টা আগে