নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

লড়াইটা অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার, প্রতিশোধেরও। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের সামনে সমীকরণটা এখন এমনই। হারলে ছিটকে পড়তে হবে, ড্রয়ের ক্ষেত্রেও অভিন্ন কিছু নয়। জয়ের বিকল্প কিছু নেই। সেই লক্ষ্য নিয়ে আজ হংকংয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে হাভিয়ের কাবরেরার দল।
বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় ম্যাচটি শুরু হবে। হংকংয়ে কিছুটা আগেভাগে গিয়ে বাংলাদেশ ভোগান্তির মধ্যে পড়বে, তা জানা কথা। স্বাগতিক দল প্রতিপক্ষকে বেকায়দায় ফেলতে নিয়মের মধ্যে থেকে সব ধরনের চেষ্টাই করবে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম কিছু করেনি হংকং। টানা দুই দিন অনুশীলনের জন্য পায়নি ভালো মাঠ। গতকাল অবশ্য সুযোগ মিলেছে ম্যাচের ভেন্যু কাই তাক স্টেডিয়ামে অনুশীলন করার।
প্রায় ৫০ হাজার আসনের স্টেডিয়ামটির দিকে তাকালেই চোখ জুড়িয়ে যায়। ছাদঢাকা স্টেডিয়ামে ম্যাচের দিন অনেকটা বদ্ধ পরিবেশে হামজাদের বুকে কাঁপন তুলতে গর্জন ছুড়বেন স্বাগতিক দর্শকেরা। বাংলাদেশের জন্য প্রতিশোধের কাজটা মোটেও সহজ নয়।
ঢাকায় ৯ অক্টোবর হংকংয়ের বিপক্ষে পয়েন্ট পাওয়ার সুযোগ ছিল হামজা-শমিতদের। প্রথমে হামজার গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর হজম করতে হয় ৩ গোল। সেখান থেকে ব্যবধান ৩-৩ করে ফেলে বাংলাদেশ। শেষ মিনিটের গোলে স্বাগতিকদের হৃদয় ভেঙে ৪-৩ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে হংকং। ম্যাচ হারলেও শেষ ২০ মিনিটে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল প্রশংসনীয়। ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপে টেবিলের শীর্ষে আছে তারা। বাংলাদেশের অবস্থান ১ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে।
আজ হেরে গেলে বাংলাদেশের সামনে সর্বোচ্চ ৭ পয়েন্ট নেওয়ার সুযোগ থাকবে বাছাইপর্বে। বাংলাদেশকে হারাতে পারলে হংকংয়ের ঝুলিতে জমা থাকবে ১০ পয়েন্ট। ড্র করলে সুযোগ থাকবে ৮ পয়েন্ট নিয়ে বাছাই শেষ করার সুযোগ। কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ কাবরেরা বলেন, ‘আমরা একই মানসিকতা, একই লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামব এবং জানি, এগিয়ে যেতে হলে আমাদের ৩ পয়েন্ট পেতেই হবে।’
প্রথম দেখায় হৃদয় ভাঙা হার ভুলে সামনে তাকানো কঠিন ছিল বাংলাদেশের। কাবরেরাও সেটি তুলে ধরলেন তাঁর কথায়, ‘গত ম্যাচের শেষটা সত্যিই কঠিন ছিল সামলানো। তবে আমরা খেলোয়াড়দের যেভাবে বার্তা দিয়েছি, সেটা খুব স্পষ্ট; যা-ই হোক না কেন, আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’
মাঠ যেমনই হোক, বাংলাদেশের যে লড়াই করার সক্ষমতা আছে, তা ভালোভাবে আঁচ করতে পারছেন হংকং কোচ অ্যাশলি ওয়েস্টউড। ঢাকায় ৭ গোলের রোমাঞ্চ দেখার পর আর সন্দেহ থাকার কথা নয়। তাঁর পর্যবেক্ষণ, ‘আমরা দেখেছি, বাংলাদেশি খেলোয়াড়েরা দারুণ লড়াই করেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন খুব দ্রুতগতির। হামজা চৌধুরীর উপস্থিতি দলের শক্তি আরও বাড়িয়েছে। আমাদের মনোযোগী থাকতে হবে এবং প্রতিটি পয়েন্ট আদায়ের চেষ্টা করতে হবে।’
অথচ হামজাকেই ঢাকার ম্যাচের আগে ‘বেঞ্চের খেলোয়াড়’ বলেছিলেন হংকং কোচ। এখন ওয়েস্টউডের মন্তব্য ভিন্ন, ‘কথাটা বলার সময় আমি হাসছিলাম। শুধু দক্ষতা দেখেই কাউকে দলে নেওয়া হয় না, যদিও ওর দক্ষতা রয়েছে। তবে এটা স্পষ্ট, সে উঁচু মানের খেলোয়াড়।’
আজ আরও একবার হামজার দিকে তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ, চাইবে প্রত্যাশিত জয়।

লড়াইটা অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার, প্রতিশোধেরও। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের সামনে সমীকরণটা এখন এমনই। হারলে ছিটকে পড়তে হবে, ড্রয়ের ক্ষেত্রেও অভিন্ন কিছু নয়। জয়ের বিকল্প কিছু নেই। সেই লক্ষ্য নিয়ে আজ হংকংয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে হাভিয়ের কাবরেরার দল।
বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় ম্যাচটি শুরু হবে। হংকংয়ে কিছুটা আগেভাগে গিয়ে বাংলাদেশ ভোগান্তির মধ্যে পড়বে, তা জানা কথা। স্বাগতিক দল প্রতিপক্ষকে বেকায়দায় ফেলতে নিয়মের মধ্যে থেকে সব ধরনের চেষ্টাই করবে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম কিছু করেনি হংকং। টানা দুই দিন অনুশীলনের জন্য পায়নি ভালো মাঠ। গতকাল অবশ্য সুযোগ মিলেছে ম্যাচের ভেন্যু কাই তাক স্টেডিয়ামে অনুশীলন করার।
প্রায় ৫০ হাজার আসনের স্টেডিয়ামটির দিকে তাকালেই চোখ জুড়িয়ে যায়। ছাদঢাকা স্টেডিয়ামে ম্যাচের দিন অনেকটা বদ্ধ পরিবেশে হামজাদের বুকে কাঁপন তুলতে গর্জন ছুড়বেন স্বাগতিক দর্শকেরা। বাংলাদেশের জন্য প্রতিশোধের কাজটা মোটেও সহজ নয়।
ঢাকায় ৯ অক্টোবর হংকংয়ের বিপক্ষে পয়েন্ট পাওয়ার সুযোগ ছিল হামজা-শমিতদের। প্রথমে হামজার গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর হজম করতে হয় ৩ গোল। সেখান থেকে ব্যবধান ৩-৩ করে ফেলে বাংলাদেশ। শেষ মিনিটের গোলে স্বাগতিকদের হৃদয় ভেঙে ৪-৩ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে হংকং। ম্যাচ হারলেও শেষ ২০ মিনিটে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল প্রশংসনীয়। ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপে টেবিলের শীর্ষে আছে তারা। বাংলাদেশের অবস্থান ১ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে।
আজ হেরে গেলে বাংলাদেশের সামনে সর্বোচ্চ ৭ পয়েন্ট নেওয়ার সুযোগ থাকবে বাছাইপর্বে। বাংলাদেশকে হারাতে পারলে হংকংয়ের ঝুলিতে জমা থাকবে ১০ পয়েন্ট। ড্র করলে সুযোগ থাকবে ৮ পয়েন্ট নিয়ে বাছাই শেষ করার সুযোগ। কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ কাবরেরা বলেন, ‘আমরা একই মানসিকতা, একই লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামব এবং জানি, এগিয়ে যেতে হলে আমাদের ৩ পয়েন্ট পেতেই হবে।’
প্রথম দেখায় হৃদয় ভাঙা হার ভুলে সামনে তাকানো কঠিন ছিল বাংলাদেশের। কাবরেরাও সেটি তুলে ধরলেন তাঁর কথায়, ‘গত ম্যাচের শেষটা সত্যিই কঠিন ছিল সামলানো। তবে আমরা খেলোয়াড়দের যেভাবে বার্তা দিয়েছি, সেটা খুব স্পষ্ট; যা-ই হোক না কেন, আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’
মাঠ যেমনই হোক, বাংলাদেশের যে লড়াই করার সক্ষমতা আছে, তা ভালোভাবে আঁচ করতে পারছেন হংকং কোচ অ্যাশলি ওয়েস্টউড। ঢাকায় ৭ গোলের রোমাঞ্চ দেখার পর আর সন্দেহ থাকার কথা নয়। তাঁর পর্যবেক্ষণ, ‘আমরা দেখেছি, বাংলাদেশি খেলোয়াড়েরা দারুণ লড়াই করেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন খুব দ্রুতগতির। হামজা চৌধুরীর উপস্থিতি দলের শক্তি আরও বাড়িয়েছে। আমাদের মনোযোগী থাকতে হবে এবং প্রতিটি পয়েন্ট আদায়ের চেষ্টা করতে হবে।’
অথচ হামজাকেই ঢাকার ম্যাচের আগে ‘বেঞ্চের খেলোয়াড়’ বলেছিলেন হংকং কোচ। এখন ওয়েস্টউডের মন্তব্য ভিন্ন, ‘কথাটা বলার সময় আমি হাসছিলাম। শুধু দক্ষতা দেখেই কাউকে দলে নেওয়া হয় না, যদিও ওর দক্ষতা রয়েছে। তবে এটা স্পষ্ট, সে উঁচু মানের খেলোয়াড়।’
আজ আরও একবার হামজার দিকে তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ, চাইবে প্রত্যাশিত জয়।

মোহাম্মদ সালাহর শেষ মুহূর্তের গোলে পরশু রাতে বেনিনকে ৩-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গিয়েছিল মিসর। শেষ আটে প্রতিপক্ষ কে হয়, সেটা জানতে মিসরকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ২৪ ঘণ্টা। কোয়ার্টার ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আইভরি কোস্টের বিপক্ষে খেলবে মিসর।
১ ঘণ্টা আগে
ব্যাটিং ব্যর্থতা যেন এবারের অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের নিত্যসঙ্গী। মেলবোর্নে বক্সিং ডে টেস্টের ম্যাচটা ইংলিশরা জিতলেও হারিয়েছিল ৬ উইকেট। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) চলমান অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্টে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে একপ্রান্ত আগলে সেঞ্চুরি করেছেন জ্যাকব বেথেল।
১ ঘণ্টা আগে
যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যায়, তাহলে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পয়েন্ট কাটা হতে পারে বলে ক্রিকইনফো গত রাতে খবর প্রকাশ করেছে। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, এখানে পয়েন্ট কাটার কোনো ব্যাপার নেই।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থাকলেও পুরোটা সময় খেলা নাও হতে পারে লকি ফার্গুসন ও ম্যাট হেনরির। ভারত-শ্রীলঙ্কায় ফেব্রুয়ারি-মার্চে আইসিসি ইভেন্ট চলার সময় পিতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকতে পারেন তাঁরা (ফার্গুসন-হেনরি)। এমনকি নিউজিল্যান্ডের এই দুই তারকা পেসার চোট থেকে এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেননি।
৩ ঘণ্টা আগে