দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটেছে আর্জেন্টিনা ও মেসির। সেই উৎসবও এখন শেষের পথে। লুসাইলের ফাইনালের পর স্তিমিত হয়ে আসছে সর্বকালের সেরা বিতর্কও।
কিন্তু মেসির এক সময়ের সতীর্থদের ধারণা মেসি এমনিতেই সর্বকালের সেরা। এ জন্য তাঁর বিশ্বকাপ জেতার প্রয়োজনই ছিল না।
মেসির সাবেক ক্লাব বার্সেলোনায় এক সঙ্গে দীর্ঘদিন খেলেছেন। এমন অধিকাংশ তারকাই মেসিকে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ফুটবলার মনে করেন। ১৪ বছর এক সঙ্গে খেলা ইনিয়েস্তাও তেমনটাই মনে করেন মেসিকে নিয়ে। ফুটবল বিষয়ক সংবাদ সংস্থা ইএসপিএন কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সে কথাই বললেন স্প্যানিশ এই কিংবদন্তি আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। বিশ্বকাপ জয় করায় মেসিকে অভিনন্দন জানিয়ে ইনিয়েস্তা বলেন, ‘আমার কাছে মেসিই বিশ্বসেরা সে বিশ্বকাপ জিতুক আর নাই জিতুক।’ এ সময় মেসির শ্রেষ্ঠত্বের প্রশ্নে ইনিয়েস্তা বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে মেসিকে সেরা হিসেবে দেখে না এমন কেউই এটাকে এভাবেই দেখার জন্য একটা অজুহাত খুঁজে পাবে, সে বিশ্বকাপ জিতুক বা না থাকুক।’
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয় যে শুধু মেসির নয়, দেশ আর্জেন্টিনার জন্যও দারুণ উদ্যাপনের বিষয়। বলতে ভুলেননি সে কথাও, ‘(বিশ্বকাপ জয়) নিজের জন্য আনন্দের একটি বিশাল উৎস। কিন্তু একটি দেশ হিসাবে আর্জেন্টিনার জন্য। তারা সব সময় শিরোপার লক্ষ্যেই থাকে। তারা যেভাবে জিতেছে তাতে এটি পুরোপুরি তাঁদেরই প্রাপ্য।’
২০১০ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ইনিয়েস্তার গোলেই শিরোপা জেতে ফ্রান্স। ২০১১ সালে বার্সেলোনার তিন কিংবদন্তি জাভি, ইনিয়েস্তা ও মেসি তিনজনই ছিলো ফিফা ব্যালন ডি অরের সেরা তিন তালিকায় ছিলো। সে বছরও ব্যালন ডি অর জিতেছিলেন লিওনেল মেসি।

আর্জেন্টিনা যখন ২–০ গোলে পিছিয়ে, তখন বিদায় প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু ৭৯তম মিনিটে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, ৮৩তম মিনিটে লিওনেল মেসি এবং যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে বিশ্বকাপের অন্যতম নাটকীয় প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই কারণেই হয়তো জয়ের পর কথার চেয়ে চ
৬ মিনিট আগে
নকআউট পর্বে বিদায়ের মুখ থেকে ফিরে আসা এই জয় আর্জেন্টিনার জন্য যেমন স্মরণীয়, তেমনি এনসো ফের্নান্দেসের কাছেও বিশেষ হয়ে থাকবে। তিন বছরের যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, সেটি পূরণ হয়েছে ঠিক বিশ্বকাপের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে।
১৫ মিনিট আগে
ফুটবলে মেসির অর্জনের তালিকা দীর্ঘ। কিন্তু খাদের কিনারা থেকে ফিরে এমন এক জয়, যেখানে তিনি একই ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেছেন, আবার দলকে সমতায়ও ফিরিয়েছেন—সেই রাতের আবেগ যে তাঁর কাছেও ছিল অন্য রকম, শেষ বাঁশির পরের দৃশ্যটাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
২৪ মিনিট আগে
সবকিছুই যেন শেষ হয়ে গিয়েছিল। স্কোরবোর্ডে ২–০, সময় গড়িয়ে ৬৭ মিনিট। প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস করেছেন লিওনেল মেসি, মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর হয়ে উঠেছেন দুর্ভেদ্য প্রাচীর। আর্জেন্টিনার বিদায় তখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের গল্প কি এত সহজে শেষ হয়!
৪০ মিনিট আগে