বিশ্বকাপ বাছাইয়ে হঠাৎ যেন খেই হারাল আর্জেন্টিনা। শেষ চার ম্যাচের মধ্যে দুই হার ও এক ড্র। এমন পরিস্থিতিতে বছরের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ সময় কাল ভোর ৬টায় পেরুর বিপক্ষে মাঠে নামছে লিওনেল স্কালোনির দল।
কিছুটা দুঃসময়ে আর্জেন্টিনা। পেরু ম্যাচের আগে দলে অস্বস্তি যোগ করেছে চোটের মিছিল। রক্ষণভাগে লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, জার্মান পেজ্জেয়া, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও নেহুয়াল মোলিনা ছিটকে গেছেন দল থেকে। তাঁদের সঙ্গে আক্রমণভাগে লেফট উইঙ্গার নিকো গঞ্জালেসও নেই চোটের কারণে। শেষ মুহূর্তে দলে ডাক পেয়েছেন আক্রমণভাগে সব পজিশনে মানানসই—জিউলিয়ানো সিমিওনে।
সবশেষ ম্যাচে প্যারাগুয়ের কাছে হারের পর ডান পায়ের ঊরুতে অস্বস্তি অনুভব করেন মলিনা। লিসান্দ্রো ও পেজ্জেয়া ছিটকে যাওয়ায় নতুন করে ডাক পড়ে ফাকুন্দো মেদিনার। কাঁধের চোটে থাকা লেফট-ব্যাক নিকোলাস তাগলিয়াফিকো যোগ দিয়েছেন অনুশীলনে।
আর্জেন্টিনার টেলিভিশন চ্যানেল টিওয়াইসি স্পোর্টস তাদের সাইটে পেরুর বিপক্ষে আলবিসেলেস্তেদের সম্ভাব্য একাদশে তাগলিয়াফিকোকে রেখেছে। তাঁর সঙ্গে রাইট-ব্যাক গঞ্জালো মন্তিয়েল, সেন্টর-ব্যাক হিসেবে রাখা হয়েছে নিকোলাস ওতামেন্দি ও লিওনার্দো বালের্দিকে।
প্রত্যাশিতভাবে মধ্যমাঠ সামলানো দায়িত্বে থাকতে পারেন রদ্রিগো দি পল, এনজো ফার্নান্দেজ ও অ্যালিক্সেস ম্যাক আলিস্টার। আক্রমণভাগে রাখা হয়েছে অধিনায়ক লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্তিনেজ ও হুলিয়ান আলভারেজ। গোলপোস্ট সামলাতে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ তো অটো চয়েসই।
পেরুর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ
গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।
ডিফেন্ডার: গঞ্জালো মন্তিয়েল, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিওনার্দো বালের্দি, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো।
মিডফিল্ডার: রদ্রিগো দি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালিক্সেস ম্যাক আলিস্টার।
ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্তিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ।

দিনের প্রথম সেশনে উইকেট পড়ল ৮টি। আফগানিস্তানের ৬টার বিপরীতে বাংলাদেশ হারাল দুটি। বড় লিড নেওয়ায় সেশনটা হয়ে থাকল সফরকারীদের।
২৩ মিনিট আগে
ব্যাটিং ব্যর্থতায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ নারী দল। হারের পর মাথা ঠান্ডা রেখে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছিলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। অধিনায়কের সে কথার প্রতিফলনই যেন ফুটে উঠল সোবহানা মোস্তারির ব্যাটে।
১ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশনে বাংলাদেশের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান রহমত শাহ ও ইকরাম আলিখিল। দিনের বাকি সময়টা নির্বিঘ্নে পার করে দেন দুজন। কিন্তু তৃতীয় দিনের শুরুতেই ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। শুরুটা করেন ইবাদত হোসেন। এরপর দৃশ্যপটে হাসান মাহমুদ। এই পেসারের দাপুটে বোলিংয়ে এগিয়ে থাকল বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
বল জিয়াউর রহমানের প্যাডে লাগলেই জোরালো আবেদন হলো। কিন্তু আবেদন সাড়া দেননি আম্পায়ার। সেই সিদ্ধান্তে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রিভিউ নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তাতেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান হাসান মাহমুদ।
২ ঘণ্টা আগে