
সবই হাতে তুলেছেন, শুধু বিশ্বকাপটাই অধরা থেকে গেল। খেলোয়াড় হিসেবে সেটি হয়তো আর কখনোই উঁচিয়ে ধরার সুযোগ হবে না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। গতকাল মরক্কোর বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের পর পর্তুগালের বিশ্বকাপ অভিযান কোয়ার্টার ফাইনালেই শেষ হয়ে গেল।
ম্যাচের পর ইস্পাতকঠিন চেহারার রোনালদো দুই হাতে অশ্রু মুছতে মুছতে ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন। এই রোনালদোকে এভাবে কাঁদতে আগে কখনো দেখেনি বিশ্ব। টানেল দিয়ে ড্রেসিংরুমে ঢোকার সময় ফিফার এক কর্মী সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও এ কান্না যেন থামার নয়।
সবকিছুর শুরু যেমন আছে, শেষও আছে। তবু শেষ বিশ্বকাপটা বেশ সুখকর হলো না রোনালদোর। শেষ ষোলো ও কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে শুরুর একাদশে জায়গা হয়নি তাঁর। এ নিয়ে অসন্তোষও ছিল সিআর সেভেনের। পর্তুগাল কোচ ফার্নান্দো সান্তোসের সঙ্গে মনোমালিন্যের খবরও হয়েছে গণমাধ্যমে। এগুলো তো আর পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদোর অর্জনকে ছাপিয়ে যেতে পারবে না।
বিশ্বকাপে রোনালদোর অর্জনও কম নয়। ২২ ম্যাচে ৮ গোল তাঁর। পর্তুগালের হয়ে ইউসেবিওর পর বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। টানা পাঁচ বিশ্বকাপে গোল করা একমাত্র খেলোয়াড়ও রোনালদো। ২০১৮ বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে সেই হ্যাটট্রিক কে ভুলতে পারবে?
গতকাল মরক্কোর বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধেও মাঠে নেমে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন প্রতিপক্ষের রক্ষণ। শুধু দেখা পাননি কাঙ্ক্ষিত গোলের। ম্যাচের পর রোনালদোর অশ্রু কাঁদিয়েছে সমর্থকদেরও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজ সমর্থকগোষ্ঠী থেকে প্রতিপক্ষ, রোনালদোকে নিয়ে আবেগী বার্তার জোয়ার ওঠে। ফুটবল শিল্পকে পূর্ণমাত্রা যাঁরা দিয়েছেন, তাঁরা সবারই প্রিয় হবেন, এটাই তো নিয়ম।
কৌশলের কারণে ফার্নান্দো সান্তোসের একাদশে গতকালও ছিলেন না রোনালদো। ম্যাচের পর এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সান্তোস বললেন, ‘কোনো অনুশোচনা নেই।’
তবে রোনালদোর প্রতিভা নিয়ে কোনো সংশয় নেই কোচের, ‘ক্রিস্টিয়ানো একজন দুর্দান্ত খেলোয়াড়, আমরা যখন মনে করেছি, তখনই সে মাঠে এসেছিল। আমাদের কোনো অনুশোচনা নেই।’
রোনালদোর সম্মানে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করেছে। তারা লিখেছে, ‘একটি রূপকথা, একজন কিংবদন্তি, একটি যন্ত্র, ধন্যবাদ ক্রিস্টিয়ানো।’
পর্তুগালের হয়ে সামনে হয়তো কমই দেখা যেতে পারে রোনালদোকে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ফুটবল যত দিন থাকবে, তত দিন মনে রাখতে হবে এই কিংবদন্তিকে। কারণ আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ ১১৮ গোল এই পর্তুগিজের। গতকাল মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নেমে আরেকটি রেকর্ড গড়েন রোনালদো। পর্তুগালের হয়ে এটি ছিল তাঁর ১৯৬তম ম্যাচ, যা আন্তর্জাতিক ফুটবলে যৌথ সর্বোচ্চ। ১৯৬ ম্যাচ খেলেছেন কুয়েতের ফরোয়ার্ড বাদের আল-মুতাওয়া। গোল এবং ম্যাচ দুটোই এখন রোনালদোর।

সবই হাতে তুলেছেন, শুধু বিশ্বকাপটাই অধরা থেকে গেল। খেলোয়াড় হিসেবে সেটি হয়তো আর কখনোই উঁচিয়ে ধরার সুযোগ হবে না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। গতকাল মরক্কোর বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের পর পর্তুগালের বিশ্বকাপ অভিযান কোয়ার্টার ফাইনালেই শেষ হয়ে গেল।
ম্যাচের পর ইস্পাতকঠিন চেহারার রোনালদো দুই হাতে অশ্রু মুছতে মুছতে ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন। এই রোনালদোকে এভাবে কাঁদতে আগে কখনো দেখেনি বিশ্ব। টানেল দিয়ে ড্রেসিংরুমে ঢোকার সময় ফিফার এক কর্মী সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও এ কান্না যেন থামার নয়।
সবকিছুর শুরু যেমন আছে, শেষও আছে। তবু শেষ বিশ্বকাপটা বেশ সুখকর হলো না রোনালদোর। শেষ ষোলো ও কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে শুরুর একাদশে জায়গা হয়নি তাঁর। এ নিয়ে অসন্তোষও ছিল সিআর সেভেনের। পর্তুগাল কোচ ফার্নান্দো সান্তোসের সঙ্গে মনোমালিন্যের খবরও হয়েছে গণমাধ্যমে। এগুলো তো আর পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদোর অর্জনকে ছাপিয়ে যেতে পারবে না।
বিশ্বকাপে রোনালদোর অর্জনও কম নয়। ২২ ম্যাচে ৮ গোল তাঁর। পর্তুগালের হয়ে ইউসেবিওর পর বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। টানা পাঁচ বিশ্বকাপে গোল করা একমাত্র খেলোয়াড়ও রোনালদো। ২০১৮ বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে সেই হ্যাটট্রিক কে ভুলতে পারবে?
গতকাল মরক্কোর বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধেও মাঠে নেমে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন প্রতিপক্ষের রক্ষণ। শুধু দেখা পাননি কাঙ্ক্ষিত গোলের। ম্যাচের পর রোনালদোর অশ্রু কাঁদিয়েছে সমর্থকদেরও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজ সমর্থকগোষ্ঠী থেকে প্রতিপক্ষ, রোনালদোকে নিয়ে আবেগী বার্তার জোয়ার ওঠে। ফুটবল শিল্পকে পূর্ণমাত্রা যাঁরা দিয়েছেন, তাঁরা সবারই প্রিয় হবেন, এটাই তো নিয়ম।
কৌশলের কারণে ফার্নান্দো সান্তোসের একাদশে গতকালও ছিলেন না রোনালদো। ম্যাচের পর এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সান্তোস বললেন, ‘কোনো অনুশোচনা নেই।’
তবে রোনালদোর প্রতিভা নিয়ে কোনো সংশয় নেই কোচের, ‘ক্রিস্টিয়ানো একজন দুর্দান্ত খেলোয়াড়, আমরা যখন মনে করেছি, তখনই সে মাঠে এসেছিল। আমাদের কোনো অনুশোচনা নেই।’
রোনালদোর সম্মানে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করেছে। তারা লিখেছে, ‘একটি রূপকথা, একজন কিংবদন্তি, একটি যন্ত্র, ধন্যবাদ ক্রিস্টিয়ানো।’
পর্তুগালের হয়ে সামনে হয়তো কমই দেখা যেতে পারে রোনালদোকে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ফুটবল যত দিন থাকবে, তত দিন মনে রাখতে হবে এই কিংবদন্তিকে। কারণ আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ ১১৮ গোল এই পর্তুগিজের। গতকাল মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নেমে আরেকটি রেকর্ড গড়েন রোনালদো। পর্তুগালের হয়ে এটি ছিল তাঁর ১৯৬তম ম্যাচ, যা আন্তর্জাতিক ফুটবলে যৌথ সর্বোচ্চ। ১৯৬ ম্যাচ খেলেছেন কুয়েতের ফরোয়ার্ড বাদের আল-মুতাওয়া। গোল এবং ম্যাচ দুটোই এখন রোনালদোর।

চতুর্থবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি আসছে বাংলাদেশে। আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি। এর আগে ২০০২, ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপ সামনে রেখেও ট্রফি এসেছিল ঢাকায়। এবারের সফরে ফিফার প্রতিনিধি হিসেবে সাথে আছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।
৫ মিনিট আগে
রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো। রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
৩১ মিনিট আগে
২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
১২ ঘণ্টা আগে
রুবেন আমোরিমকে ৫ জানুয়ারি ছাঁটাই করে দলের পরের দুই ম্যাচের জন্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দায়িত্ব দিয়েছিল ক্লাবেরই অনূর্ধ্ব-১৮ দলের কোচ ড্যারেন ফ্লেচারকে। সে দুই ম্যাচের পর দলের ডাগআউটে বসবেন কে? শোনা যাচ্ছে চলতি মৌসুমের অন্য সময়ের জন্য ৪৪ বছর বয়সী মাইকেল ক্যারিকই দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ওল্ড ট্রাফোর্ডের দ
১৩ ঘণ্টা আগে