ইংল্যান্ডের বড় টুর্নামেন্ট জেতার আক্ষেপে প্রলেপ দিতে পারলেন না গ্যারেথ সাউথগেট। আশা জাগিয়ে এবার থামতে হয়েছে ফাইনালে। আরেকবার টাইব্রেকারের ফাঁড়ায় শিরোপাস্বপ্ন জলাঞ্জলি দিতে হয়েছে ইংলিশদের। টাইব্রেকার দুর্ভাগ্য যেন পিছু ছাড়ছে না দলটির কোচ সাউথগেটকে। ম্যাচ শেষে অবশ্য পেনাল্টি শুটআউটে হারের দায় নিজের কাঁধে নিয়েছেন ৫০ বছর বয়সী এই কোচ।
১৯৯৬ ইউরোতে সাউথগেটের পেনাল্টি মিসে জার্মানির কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ইংলিশদের। সাউথগেটের সামনে এবার সুযোগ ছিল কোচ হিসেবে সেই দায়মোচনের। সাউথগেট সেটি পারেননি। নিজে হতাশ হয়েছেন। হতাশ করেছেন ইংলিশ সমর্থকদের। বাদ যাচ্ছেন না সমালোচনা থেকেও।
ইংলিশদের হয়ে এদিন তিনটি পেনাল্টি শট মিস করেছেন মার্কাস রাশফোর্ড, জাদন সানচো, বুকাওয়ে শাকা। সাউদগেট জানিয়েছেন, কারা পেনাল্টি শট নেবে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিজেই নিয়েছেন। সিদ্ধান্ত যেহেতু নিজে নিয়েছেন দায়টাও নিজের কাঁধেই তুলে নিতে পিছ পা হচ্ছেন না তিনি।
এবারের ইউরোতে দারুণ খেলে সবার নজর কেড়েছেন তরুণ ইংলিশ উইঙ্গার শাকা। অল্প সময়েই হয়েছেন কোচের আস্থাভাজন। তবে পেনাল্টি শট মিস করা নিয়ে এখন রোষানলে পড়ছেন ১৯ বছর বয়সী উইঙ্গার। তাঁর মতো একজন তরুণকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শট নিতে দেওয়া নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে সাউথগেটেরও।
সব দায় নিয়ে সাউথগেট বলেছেন, ‘ফাইনালের আগে আমরা তাদের নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করেছি। পেনাল্টি শুটআউটে শট তারাই নিয়েছে যাদের নিয়ে আমরা এক সঙ্গে পরিকল্পনা করেছি। শাকা তাদেরই একজন। সে খুবই প্রতিশ্রুতিশীল এবং দুর্দান্ত খেলোয়াড়। এই মুহূর্তে আমাদের তার পাশে থাকা উচিত। তাকে সমর্থন করা উচিত। বাইরে থেকে অনেকেই সেটা দিচ্ছেনও।’
ইউরো জিততে না পারলেও হতাশ হচ্ছেন না সাউথগেট। নতুন করে আবার স্বপ্ন বোনার তাগাদা দিয়েছেন শিষ্যদের। ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘টুর্নামেন্ট জিততে তারা সব উজাড় করে দিয়েছে। এতে ছেলেদের মাথা উঁচু রাখা উচিত। দেশকে একটা শিরোপা দিতে না পারা অবশ্যই হতাশার। তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। আমি তাদের নিয়ে গর্বিত।’

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
৬ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
৭ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
৮ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
৮ ঘণ্টা আগে