
ব্যাটারদের মুখ থুবড়ে পড়ার পর জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের সামনে বাংলাদেশের বোলাররাও অসহায় ছিল। ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল তাইজুল ইসলাম। প্রায় একাই স্বাগতিকদের ব্যাটারদের প্যাভিলিয়নের পথ দেখিয়েছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। এমন দারুণ বোলিং করে সাকিব আল হাসানের একটি রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন তিনি।
হারারে টেস্টের প্রথম ইনিংসে তাইজুল একাই নেন ৭ উইকেট। টেস্টে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ফাইফারের মালিক এখন তিনি। ১৯ বার ফাইফার নিয়ে এত দিন রেকর্ডটি নিজের দখলে রেখেছিলেন সাকিব। এবার সাবেক অধিনায়কের পাশে বসলেন তাইজুল।
৭ উইকেট নেওয়ার পথে ১৩৮ রান দেন তাইজুল। তাঁর দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও ১ সেঞ্চুরি ও ৩ ফিফটিতে ৪১০ রান করেছে জিম্বাবুয়ে। এর আগে টস হারা বাংলাদেশ অলআউট হয় মাত্র ১৪০ রানে। এক মুমিনুল হক (৬০) ছাড়া অতিথিদের আর কোনো ব্যাটার ক্রিজে দাঁড়াতে পারেননি। জবাব দিতে নেমে জিম্বাবুয়ের ওপেনার ইনোসেন্ট কাইয়া একাই করেন ১৪০ রান। সেঞ্চুরির সুযোগ ছিল ওয়েসলে মাধেভেরের সামনেও। সঙ্গী না পাওয়ায় ৭৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
এ ছাড়া ক্রেইগ আরভিন ৬০ ও ব্রায়ান বেনেটের ব্যাট থেকে আসে ৫৯ রান। বেন কারানের অবদান ৪২ রান। ২৭০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে বাজে ব্যাটিংয়ের পর ইনিংস হারের শঙ্কা জেগেছে সফরকারী দলে। লজ্জা এড়াতে চাইলে দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণ কিছুই করতে হবে বাংলাদেশকে।

৯ অক্টোবর আবুধাবিতে শুরু হবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজের একমাত্র টেস্ট। তার আগে মরুর বুকে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন সৌম্য সরকার-মেহেদী হাসান মিরাজরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম দিনটা বাংলাদেশের জন্য অম্লমধুরই বলা চলে।
৩ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান গেমসে ব্যর্ধতার ষোলোকলা পূর্ণ করল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিশিনে গতকাল শ্রীলঙ্কার ৬২ রানে হেরে ব্রোঞ্জও পেল না বাংলাদেশ। হারের পর লিটন দাস জাপানে খাবারদাবার নিয়ে অজুহাত সামনে এনেছেন। অধিনায়কের মুখে এমন কথা শুনে অসন্তুষ্ট খালেদ মাহমুদ সুজন।
৪ ঘণ্টা আগে
ওয়ানডের অন্যতম সেরা ফিনিশারের নাম বললে মাইকেল বেভান, মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলিরা থাকবেন ওপরের তালিকায়। ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিপক্ষের কাছ থেকে অনেকবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে এড়ালেন ধবলধোলাই। পাহাড়সমান লক্ষ্য থাকলেও ঘাবড়ে যাননি তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সপ্তম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাঁর সেঞ্চুরিতে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে আছে স্বাগতিক চট্টগ্রাম। রাজশাহীর অর্ধেকেরও বেশি রান চট্টগ্রাম করে ফেলেছে কোনো উইকেট না হারিয়ে। চট্টগ্রাম দ্বিতীয় দিনটা স্বস্তিতে
৬ ঘণ্টা আগে