
উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে সমালোচকদের জবাব দিলেও বাকি দুই ম্যাচে সেই ধার ধরে রাখতে পারেননি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। দল শেষ ষোলোতে উঠলেও তাঁর পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। সেই সমালোচকদের তালিকায় এবার যোগ দিলেন উরুগুয়ের সাবেক তারকা ফুটবলার দিয়েগো ফোরলান।
বিশেষ করে কলম্বিয়ার বিপক্ষে রোনালদোর নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের পর তাঁর খেলার ধরন নিয়ে সরব হয়েছেন ফোরলান। তাঁর মতে, সিআরসেভেনের বর্তমান ভূমিকা পর্তুগালের জন্য উপকারের বদলে বরং ক্ষতিই করছে বেশি।
ইএসপিএনের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান লা কাসা দেল কুনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফোরলান বলেন, ‘স্ট্রাইকার হিসেবে যদি বলি, সমস্যাটা হচ্ছে রোনালদো একদম মাঠের মাঝখানে (সেন্টার পজিশন) দাঁড়িয়ে থাকে। সে এখন পুরোপুরি নাম্বার নাইন হিসেবে খেলছে এবং কেবল গোলের সুযোগের অপেক্ষায় ওখানেই ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকছে। সে বলের নাগাল পেতে নিচে বা আশেপাশে কোথাও নামছে না। আর এটাই পর্তুগালকে মাঠে সীমাবদ্ধ করে ফেলছে।’
ফোরলানের মতে, আধুনিক ফুটবলে শুধু বক্সের ভেতর অপেক্ষা করলে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, ‘এটা সেই পুরোনো আমলের মানসিকতা—আমি গোলের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আছি, যাতে সুযোগ এলেই গোল করতে পারি। কিন্তু সে (রোনালদো) বুঝতে পারছে না, এতে দলের ক্ষতি হচ্ছে। সে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকায় প্রতিপক্ষের দুজন সেন্টার ব্যাকও সেখানে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকার সুযোগ পাচ্ছে। কেউ তার পর্যন্ত বল নিয়ে পৌঁছাতে পারছে না, কারণ সে নিজেই জায়গাটা ব্লক করে রাখছে।’
নকআউট পর্বের আগে রোনালদোকে খেলার ধরনে পরিবর্তন আনার পরামর্শও দিয়েছেন ফোরলান। তাঁর বিশ্বাস, পর্তুগালকে আরও এগিয়ে নিতে হলে আল নাসর তারকাকে শুধু গোলের অপেক্ষায় না থেকে সতীর্থদের জন্য জায়গা তৈরি করতেও ভূমিকা রাখতে হবে।
ফোরলান বলেন, ‘রোনালদো যদি একটু দুই পাশে (উইংয়ে) সরে আসে, তবে দলের অন্য ফুটবলাররা ভেতরে ঢোকার জায়গা পাবে, সে নিজেও প্লে-মেকিং করতে পারবে। এখানেই পর্তুগাল মার খেয়ে যাচ্ছে, কারণ তারা খালি জায়গাগুলো ব্যবহার করতে পারছে না। সবকিছু একপাশে গিয়ে আটকে যাচ্ছে। আমি বলব না এটা অনেক বড় সমস্যা, তবে তাকে এটা বোঝাতে হবে। তাকে বলতে হবে—নড়াচড়া করো, পজিশন ছেড়ে বের হও—তুমিও কিছু করতে পারবে, দলও জায়গা পাবে।’

ম্যাচের ২৮ মিনিটে মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মারাত্মক ভুল করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার দানিলো। সেই সুযোগে দ্রুতগতির এক পাল্টা আক্রমণ সাজায় জাপান। ব্রাজিলের ডিফেন্ডাররা কিছু বুঝে ওঠার আগেই জাপানি মিডফিল্ডার কাইশু সানো আড়াআড়ি এক জোরাল শটে বল জালে জড়ান। গোলরক্ষক আলিসন পুরো ডাইভ দিয়েও বলের নাগাল পাননি।
১৪ মিনিট আগে
১৯৮৬ সালের ২৯ জুন মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে পশ্চিম জার্মানিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে আর্জেন্টিনা। কার্লোস বিলার্দোর অধীনে গড়া সেই ঐতিহাসিক দলকে ঘিরে চার দশক পরও ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ কমেনি। দিয়েগো ম্যারাডোনার জাদুকরি পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সেই দলে থাকা ২২ জন খেলোয়াড়ের
৩৫ মিনিট আগে
প্রথম লেগে ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে ৮-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল জাপান। সেই ম্যাচে মাঝমাঠ সামলেছিলেন মোরিয়াসু। দারুণ খেলে রক্ষণের পাশাপাশি আক্রমণেও রাখেন অবদান। ফিরতি লেগে দুবাইয়ের মাঠে বাংলাদেশকে ৪-১ ব্যবধানে হারানোর ম্যাচেও পুরো ৯০ মিনিট খেলেন সাবেক এই মিডফিল্ডার। খেলোয়াড়ি জীবনের তিন দশক পর, ২০২৩ সালেও প্
১ ঘণ্টা আগে
‘লিওনেল মেসি তার ক্যারিয়ারের শেষ গোলটা কিন্তু দিয়ে ফেলেছেন!’ এ টুকু শুনলেই হয়তো পিলে চমকাবে আর্জেন্টিনা সমর্থক, বিশেষ করে লিওনেল মেসি সমর্থকদের। মন্তব্যটি করেছেন বাংলাদেশের তরুণ রাজনীতিক তাসনিম জারা, রসিকতার ছলে।
১ ঘণ্টা আগে