
প্রথমার্ধের মলিনতা ঝেড়ে ফেলে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হিউস্টনের মাঠে চেনা ছন্দে ফিরল ব্রাজিল। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরোর দুর্দান্ত গোলে জাপানের বিপক্ষে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফিরেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। গাব্রিয়েল মাগালাইসের এক নিখুঁত ক্রসে চমৎকার হেডে জাপানের জাল কাঁপান কাসেমিরো, যা হিউস্টনের গ্যালারিতে থাকা ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের সমতায় ফেরার উল্লাসে ভাসিয়ে দেয়।
তবে এই গোলের আবহ তৈরি হয়েছিল ঠিক দুই মিনিট আগেই। ৫৩ মিনিটে ম্যাচের উত্তেজনা ছড়ায় মাঠের দুই প্রান্তেই। কাসেমিরোর একটি ডাইভিং হেড জাপানের গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন তাঁদের ডিফেন্ডাররা। সেখান থেকে বল পেয়েই দ্রুতগতিতে পাল্টা আক্রমণে ওঠে জাপান। ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে পেছনে ফেলে ব্যবধান ২-০ করার সুযোগ তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত তা হাতছাড়া করে তারা।
সমতায় ফেরার পর ব্রাজিলের আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়ে। ৫৮ মিনিটে লিড নেওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল সেলেসাওরা। জাপানের ডি-বক্সের ভেতর ডিফেন্ডারদের ড্রিবলিংয়ে পরাস্ত করে ডান পায়ের আউটসাইড দিয়ে চমৎকার এক ফ্লিক করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। কিন্তু জাপানি গোলরক্ষক সুজুকির সেভ এবং পোস্টের বাধায় সেযাত্রায় গোল পায়নি ব্রাজিল।
ঠিক পরের মিনিটেই বড় ভুল করে বসে জাপানের রক্ষণভাগ। অফসাইডের ফাঁদ পেরিয়ে বক্সে ফাঁকায় বল পেয়ে যান এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার। প্রথমার্ধে যে জাপানি প্রাচীর ভাঙা কঠিন মনে হচ্ছিল, দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে সেই দেয়ালে ফাটল ধরিয়ে ম্যাচ এখন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার লড়াই চালাচ্ছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। এর আগে ২৯ মিনিটে কাইশু সানোর গোলে এগিয়ে যায় জাপান।

দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে আনচেলত্তি দাবি করেন, এই ম্যাচে জয় ব্রাজিলেরই প্রাপ্য ছিল। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পরও দল যে খেই হারিয়ে ফেলেনি, সেটাই কোচের কাছে সবচেয়ে স্বস্তির বিষয়। তিনি বলেন, ‘আমরা দারুণ ফুটবল খেলেছি এবং এই জয় আমাদের প্রাপ্য ছিল। আমরা বেশ কিছু গোলের সুযোগ মিস করেছি সত্যি
৩ মিনিট আগে
গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির শেষ মুহূর্তের গোলে ঘুরে দাঁড়ানো জয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পৌঁছেছে ব্রাজিল। হিউস্টনে শেষ বত্রিশের নাটকীয় ম্যাচে জাপানকে ২–১ গোলে হারিয়েছে তারা। বিস্তারিত আসছে....
২৭ মিনিট আগে
ম্যাচের ৩৭ মিনিটে মাঠের ভেতর পজিশন নিয়ে লুকাস পাকেতা ও মাথিয়াস কুনিয়ার মধ্যে কথা কাটাকাটি হতে দেখা যায়। ৪০ মিনিটে মাঝমাঠে কাসেমিরোর কাছ থেকে সহজেই বল কেড়ে নেন জাপানের মায়েদা। এমন ছন্নছাড়া পারফরম্যান্সের পর দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি ব্রাজিল।
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের ২৮ মিনিটে মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মারাত্মক ভুল করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার দানিলো। সেই সুযোগে দ্রুতগতির এক পাল্টা আক্রমণ সাজায় জাপান। ব্রাজিলের ডিফেন্ডাররা কিছু বুঝে ওঠার আগেই জাপানি মিডফিল্ডার কাইশু সানো আড়াআড়ি এক জোরাল শটে বল জালে জড়ান। গোলরক্ষক আলিসন পুরো ডাইভ দিয়েও বলের নাগাল পাননি।
২ ঘণ্টা আগে