
‘উড়াই চলো স্বপ্নডানা, আকাশ ছুঁতে নেই যে মানা’-চারিথ আসালাঙ্কার কাছে গতকাল ব্যাপারটা ছিল যেন এমনই। যুদ্ধ জয়ের আনন্দে তিনি যেন শূন্যে উড়ছেন। তাঁর এই শূন্যে ওড়ার আনন্দ ছুঁয়ে গেছে পুরো শ্রীলঙ্কা দলকে। ম্যাচসেরার পুরস্কার না পেলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জয়ের পর তিনিই যেন এখন নায়ক।
শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান ‘অলিখিত সেমিফাইনাল’ ম্যাচ অবশ্য উত্তেজনাপূর্ণ হওয়ার কথা ছিল না। বৃষ্টি আইনে ৪২ ওভারে শ্রীলঙ্কার লক্ষ্য ছিল ২৫২ রান। আসালাঙ্কা যখন ব্যাটিংয়ে নামেন তখন লঙ্কানদের দরকার ৭৪ বলে ৭৫ রান, হাতে ৭ উইকেট। শুরুতে তাঁকে কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ মনে হচ্ছিল। তবে পাকিস্তানি ফিল্ডারদের পিচ্ছিল হাতের সুযোগ নিয়ে বেঁচে যান। কুশল মেন্ডিসকে নিয়ে লঙ্কানদের জয়ের পথে সাবলীলভাবে এগিয়ে নিতে থাকেন আসালাঙ্কা।
মেন্ডিস-আসালাঙ্কার ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল যেন লঙ্কানরা হেসেখেলেই ম্যাচ জিতবে। শেষ ৭ ওভারে দরকার ছিল ৪২ রান, হাতে তখনও ৭ উইকেট। এরপর থেকেই ম্যাচের গতিপথ পাল্টাতে থাকে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা লঙ্কানদের জন্য জয়ও কঠিন হতে থাকে। তবু একপ্রান্তে আগলে খেলতে থাকেন আসালাঙ্কা। লঙ্কান এই বাঁহাতি ব্যাটারকে দিতে হয় চূড়ান্ত অগ্নিপরীক্ষা। শেষ দুই বলে ২ উইকেট হাতে নিয়ে লঙ্কানদের দরকার হয় ৬ রান। স্বীকৃত ব্যাটার বলতে শুধু আসালাঙ্কাই। জামান খানের করা পঞ্চম বলে মেরেছেন চার। এরপর শেষ বলে ২ রান নিতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে লঙ্কান ডাগআউট। ফাইনালে ওঠার আনন্দে তাঁকে সতীর্থরা জড়িয়ে ওঠেন। ৪৭ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন আসালাঙ্কা।
ম্যাচ শেষ করে এলেও ম্যাচসেরা হতে পারেননি আসালাঙ্কা। ৮৭ বলে ৯১ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন কুশল মেন্ডিস। তবু আসালাঙ্কা যেন ছিলেন সকলের ‘নয়নের মণি’। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তিনি। ম্যাচ কীভাবে শেষ করে আসবেন, সে ব্যাপারে নিজের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছেন, ‘আমি শুধু ভাবছিলাম যে কীভাবে গ্যাপে ঠেলে দুই রান নিতে পারি। কারণ মাঠও বড় ছিল এবং পাতিরানাকে বললাম শুধু রান নিতে। আমি জানতাম সে বাউন্সার অথবা ইয়র্কার করবে। এরপর সে স্লোয়ার বল করল। সেটা আমার পক্ষেই এসেছে। আমি খুবই রোমাঞ্চিত। ম্যাচটা শেষ করতে চেয়েছিলাম। সেটাই আমার কাজ।’ আসালাঙ্কার প্রশংসা করে মেন্ডিস বলেন, ‘ফাইনাল খেলতে পেরে ভালো লাগছে। সবাই ভালো খেলেছে। দুটো উইকেট পড়ে যাওয়ার পর আমি আশা করছিলাম যে চারিথ ম্যাচ শেষ করে আসবে। সে তা করতে পেরেছে।’
শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকার কণ্ঠেও ঝরেছে আসালাঙ্কাকে নিয়ে প্রশংসার বাণী। আসালাঙ্কার মধ্যে বড় খেলোয়াড় হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন শানাকা, ‘ম্যাচ আমাদের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। তবে ম্যাচে আমাদের শেষ পর্যন্ত থাকতে হতো। আমরা তাদেরকে ফিরে আসার কিছু সুযোগ দিয়েছি। তবে চারিথ চাপ সামলে খেলেছে। চারিথ দারুণ খেলোয়াড়। তার মধ্যে বড় খেলোয়াড় হওয়ার গুণ রয়েছে।’

‘উড়াই চলো স্বপ্নডানা, আকাশ ছুঁতে নেই যে মানা’-চারিথ আসালাঙ্কার কাছে গতকাল ব্যাপারটা ছিল যেন এমনই। যুদ্ধ জয়ের আনন্দে তিনি যেন শূন্যে উড়ছেন। তাঁর এই শূন্যে ওড়ার আনন্দ ছুঁয়ে গেছে পুরো শ্রীলঙ্কা দলকে। ম্যাচসেরার পুরস্কার না পেলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জয়ের পর তিনিই যেন এখন নায়ক।
শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান ‘অলিখিত সেমিফাইনাল’ ম্যাচ অবশ্য উত্তেজনাপূর্ণ হওয়ার কথা ছিল না। বৃষ্টি আইনে ৪২ ওভারে শ্রীলঙ্কার লক্ষ্য ছিল ২৫২ রান। আসালাঙ্কা যখন ব্যাটিংয়ে নামেন তখন লঙ্কানদের দরকার ৭৪ বলে ৭৫ রান, হাতে ৭ উইকেট। শুরুতে তাঁকে কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ মনে হচ্ছিল। তবে পাকিস্তানি ফিল্ডারদের পিচ্ছিল হাতের সুযোগ নিয়ে বেঁচে যান। কুশল মেন্ডিসকে নিয়ে লঙ্কানদের জয়ের পথে সাবলীলভাবে এগিয়ে নিতে থাকেন আসালাঙ্কা।
মেন্ডিস-আসালাঙ্কার ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল যেন লঙ্কানরা হেসেখেলেই ম্যাচ জিতবে। শেষ ৭ ওভারে দরকার ছিল ৪২ রান, হাতে তখনও ৭ উইকেট। এরপর থেকেই ম্যাচের গতিপথ পাল্টাতে থাকে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা লঙ্কানদের জন্য জয়ও কঠিন হতে থাকে। তবু একপ্রান্তে আগলে খেলতে থাকেন আসালাঙ্কা। লঙ্কান এই বাঁহাতি ব্যাটারকে দিতে হয় চূড়ান্ত অগ্নিপরীক্ষা। শেষ দুই বলে ২ উইকেট হাতে নিয়ে লঙ্কানদের দরকার হয় ৬ রান। স্বীকৃত ব্যাটার বলতে শুধু আসালাঙ্কাই। জামান খানের করা পঞ্চম বলে মেরেছেন চার। এরপর শেষ বলে ২ রান নিতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে লঙ্কান ডাগআউট। ফাইনালে ওঠার আনন্দে তাঁকে সতীর্থরা জড়িয়ে ওঠেন। ৪৭ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন আসালাঙ্কা।
ম্যাচ শেষ করে এলেও ম্যাচসেরা হতে পারেননি আসালাঙ্কা। ৮৭ বলে ৯১ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন কুশল মেন্ডিস। তবু আসালাঙ্কা যেন ছিলেন সকলের ‘নয়নের মণি’। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তিনি। ম্যাচ কীভাবে শেষ করে আসবেন, সে ব্যাপারে নিজের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছেন, ‘আমি শুধু ভাবছিলাম যে কীভাবে গ্যাপে ঠেলে দুই রান নিতে পারি। কারণ মাঠও বড় ছিল এবং পাতিরানাকে বললাম শুধু রান নিতে। আমি জানতাম সে বাউন্সার অথবা ইয়র্কার করবে। এরপর সে স্লোয়ার বল করল। সেটা আমার পক্ষেই এসেছে। আমি খুবই রোমাঞ্চিত। ম্যাচটা শেষ করতে চেয়েছিলাম। সেটাই আমার কাজ।’ আসালাঙ্কার প্রশংসা করে মেন্ডিস বলেন, ‘ফাইনাল খেলতে পেরে ভালো লাগছে। সবাই ভালো খেলেছে। দুটো উইকেট পড়ে যাওয়ার পর আমি আশা করছিলাম যে চারিথ ম্যাচ শেষ করে আসবে। সে তা করতে পেরেছে।’
শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকার কণ্ঠেও ঝরেছে আসালাঙ্কাকে নিয়ে প্রশংসার বাণী। আসালাঙ্কার মধ্যে বড় খেলোয়াড় হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন শানাকা, ‘ম্যাচ আমাদের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। তবে ম্যাচে আমাদের শেষ পর্যন্ত থাকতে হতো। আমরা তাদেরকে ফিরে আসার কিছু সুযোগ দিয়েছি। তবে চারিথ চাপ সামলে খেলেছে। চারিথ দারুণ খেলোয়াড়। তার মধ্যে বড় খেলোয়াড় হওয়ার গুণ রয়েছে।’

শীর্ষেই ছিল রংপুর রাইডার্স। কিন্তু চট্টগ্রাম রয়্যালসের দাপটে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের পর্বের লিগ টেবিলের দুইয়ে নেমে যেতে হয়েছে তাদের। হারানো সিংহাসন ফিরে পাওয়ার মিশনে আজ দুপুরে মাঠে নামবে নুরুল হাসান সোহানের দল। তাদের প্রতিপক্ষ রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। বিপিএলে দিনের অপর ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিট
২৮ মিনিট আগে
বর্ণাঢ্য ক্লাব ক্যারিয়ার মোহাম্মদ সালাহর। চেলসি, লিভারপুলের মতো ইউরোপসেরা ক্লাবের হয়ে সম্ভাব্য সব ধরনের শিরোপা জিতেছেন এই ফরোয়ার্ড। কিন্তু কখনো মিসরের হয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরা হয়নি তাঁর। সেই অপেক্ষার পালা শেষ করতে আরেকটি সুযোগ পেয়েছেন তিনি। আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের সেমিফাইনালে উঠেছে সালাহর মিসর।
১ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে এল ক্লাসিকো দেখতে চাওয়ার আশা পূরণ হয়েছে বার্সেলোনার কোচ হান্সি ফ্লিকের। এখন নির্ভার হয়ে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ ঘিরে পরিকল্পনা আঁটছেন তিনি। তবে ফ্লিকের মতো নির্ভার থাকার সুযোগ নেই জাবি রিয়াল মাদ্রিদের কোচ জাবি আলোনসোর। মাথার ওপর চাপ এবং ভবিষ্যতের শঙ্কা নিয়ে ফাইনালের মঞ্চ
২ ঘণ্টা আগে
নিরাপত্তার কারণে ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে না চাওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এ মুহূর্তে বেশ চাপে আছে। সবচেয়ে বেশি চাপে আছেন সম্ভবত বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিসিআই) কি স্বস্তিতে আছে? উত্তরটা যে হ্যাঁ-সূচক নয়, সেটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরই বলে দিচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে