ভারত, আফগানিস্তান-দুটো দলই আজ বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছে ভিন্ন পরিস্থিতিতে। স্বাগতিক ভারত জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে নামলেও আফগানিস্তান খেলছে বিশাল হারের দুঃসহ স্মৃতিকে সঙ্গী করে। যেখানে দিল্লির অরুণ জেটলি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারতীয় বোলারদের দারুণ মোকাবিলা করছে আফগানিস্তান। বিপজ্জনক হওয়া জুটি ভেঙে ভারতকে কিছুটা
টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছেন আফগানিস্তান অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শাহিদী। দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান ভালোভাবেই এগোচ্ছিলেন। তবে প্রথম ১০ ওভারের আগেই ভেঙে যায় আফগানদের উদ্বোধনী জুটি। সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে জসপ্রীত বুমরাহকে খোঁচা দিতে যান ইব্রাহিম জাদরান। আউটসাইড এজ হওয়া বল ক্যাচ ধরেছেন ভারতীয় উইকেটরক্ষক লোকেশ রাহুল। ২৮ বলে ৪ চারে ২২ রান করেন ইব্রাহিম। যেখানে উদ্বোধনী জুটিটি ছিল ৪০ বলে ৩২ রানের।
উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর উইকেটে আসেন রহমত শাহ। দ্বিতীয় উইকেটেও রহমত শাহর সঙ্গে জুটি বড় করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন গুরবাজ। একের পর এক বাউন্ডারিও মারছিলেন গুরবাজ। তবে আফগান উইকেটরক্ষক ব্যাটার ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৩ তম ওভারের চতুর্থ বলে হার্দিক পান্ডিয়াকে পুল করেন গুরবাজ। ডিপ ফাইন লেগে দাড়িয়ে থাকা শার্দুল ঠাকুর নিশ্চিত ছক্কা হওয়া বল প্রথমে ফিরিয়েছেন। এরপর দারুণ ক্যাচ ধরেছেন শার্দুল। ২৮ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২১ রান। দ্বিতীয় উইকেটে গুরবাজ-রহমতের জুটি ছিল ৩৭ বলে ৩১ রানের।
গুরবাজ আউট হওয়ার পর দ্রুত ফিরে গেছেন রহমতও। ১৪ তম ওভারের প্রথম বলে রহমতকে এলবিডব্লু করেন শার্দুল। রিভিউ নিলেও বাঁচতে পারেননি রহমত। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, বল লেগস্ট্যাম্পে লাগায় তা ছিল আম্পায়ার্স কল। ১৩.১ ওভারে আফগানদের স্কোর ৩ উইকেট হারিয়ে ৬৩ রান। এরপরই উইকেটে এসে হাল ধরেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। অধিনায়ক শাহিদীকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের হাল ধরেন ওমরজাই। ভারতীয় বোলারদের বেশ সাবলীলভাবেই খেলতে থাকেন আফগান এই দুই ব্যাটার। যেখানে এবারের বিশ্বকাপের ১০০ তম ছক্কা এসেছে ওমরজাইয়ের ব্যাটে। ২৫ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে কুলদীপকে সোজা ছক্কা মারেন ওমরজাই। শাহিদী, ওমরজাই-দুই ব্যাটারই ফিফটির দেখা পেয়েছেন। ৩৫ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ওমরজাইকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন পান্ডিয়া। ওমরজাই ৬৯ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় করেন ৬২ রান। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৫ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৯ রান করেছে আফগানরা। শাহিদী ৬০ রানে ও নবী ১ রানে ব্যাটিং করছেন।

ভারত-পাকিস্তান চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন অতীত। রাজনৈতিক বৈরিতায় দুই দলের দেখা হয় শুধু আইসিসি ইভেন্টে। মাঠের পারফরম্যান্সেও দেখা যায় না লড়াই। টেস্ট তো সুদূর অতীত। এবার ধুলো জমে যাওয়া স্মৃতির পাতায় ফিরিয়ে নিয়ে গেল বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হকরা পেছনে ফেলে দিলেন ভারতকে।
১৩ মিনিট আগে
বাংলাদেশ দল পঞ্চম দিনে ঝুঁকি নেবে না—সালমান আলী আঘা গতকাল চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এমন কথাই বলেছিলেন। কিন্তু সেই কথাকে ভুল প্রমাণ করল বাংলাদেশ। প্রথম তিন-চার দিনে যে গতিতে রান হয়েছে, তার চেয়ে দ্রুত গতিতে আজ পঞ্চম দিনে রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ।
১ ঘণ্টা আগে
বোলিংয়ের সময় নাহিদকে খুব একটা পরামর্শ দেওয়া লাগেনি শান্তর, ‘আগে হয়তো একটু বেশি প্রয়োজন হতো এখন ধীরে ধীরে শিখছে, ধীরে ধীরে করছে। কারণ নিজের সঙ্গে নিজের বোঝাপড়া থেকে বল করা গুরুত্বপূর্ণ। যেটা ভবিষ্যতে কাজে দেবে এবং সে নিজে থেকে শিখবে।’
২ ঘণ্টা আগে
লেগস্টাম্পে করা নোমান আলীর ওই ডেলিভারিতে রিভার্স সুইসের চেষ্টা না করলে হয়তো টেস্ট ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরিটা পেয়েই যেতেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তিন অঙ্কের ম্যাজিক্যাল ফিগার স্পর্শ করতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে মনমরা হয়ে মাঠ ছেড়েছেন, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর ব্যাট যেভাবে কথা বলছে, সেটা সেঞ্চুরি মিসের আক্
৩ ঘণ্টা আগে