মুগ্ধতা ছড়িয়ে যাচ্ছেন বিরাট কোহলি। ২২ গজে তিনি যখন ব্যাটিং করেন, মনে হয় যেন ক্যানভাসে শিল্পী তুলির আঁচড় টানছেন। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে এবারের বিশ্বকাপে গড়ে চলেছেন একের পর এক রেকর্ড। দারুণ ছন্দে থাকা কোহলির ব্যাটিং যেন হৃদয় ছুঁয়েছে ভারতীয় ব্যাটিং কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের।
এবারের বিশ্বকাপে কয়েক দিন আগে শচীনের এক রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছিলেন কোহলি। ৫ নভেম্বর নিজের ৩৫তম সেঞ্চুরির দিন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেছেন কোহলি। ভারতীয় এই ব্যাটার তাতে ওয়ানডেতে ৪৯ সেঞ্চুরি করে শচীনের সেঞ্চুরির রেকর্ডে ভাগ বসান। এরপর বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামীতে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা থাকলেও তা করতে পারেননি কোহলি। সেদিনের সেই আক্ষেপ ঘোচানোর উপলক্ষ যেন আজ পেলেন তিনি। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে করলেন দুর্দান্ত সেঞ্চুরি। শচীনের ওয়ানডেতে ৪৯ সেঞ্চুরির রেকর্ড ভেঙে ৫০তম সেঞ্চুরি করলেন কোহলি। দুর্দান্ত এই রেকর্ডের পর গ্যালারি থেকে করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন শচীন। ভারতীয় ব্যাটিং কিংবদন্তিকে কুর্নিশ জানিয়েছেন কোহলিও।
কোহলির রেকর্ড গড়ার পর প্রশংসা করতে তেমন একটা দেরি করেননি শচীন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা করতে গিয়ে কোহলিকে নিয়ে পুরোনো এক ঘটনার কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন ভারতের ব্যাটিং কিংবদন্তি। ২০০৮ সালে যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোহলির পথচলা শুরু হয়, তখন তিনি (কোহলি) পা ছুঁয়েছেন শচীনের। এর পর থেকেই শচীনের রেকর্ড ভাঙার পেছনে ছুটছেন কোহলি। সেই ধারাবাহিকতায় আজ ওয়াংখেড়েতে নিজের রেকর্ড ভাঙতে দেখার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ভাষা হারিয়ে ফেলেন শচীন। ভারতীয় ব্যাটিং কিংবদন্তি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘প্রথমবার যখন তোমার সঙ্গে দেখা হলো, তুমি আমার পা ছুঁয়েছিলে। তোমাকে দেখে সতীর্থরা মজা করছিল। আমিও হাসি থামাতে পারছিলাম না। খুব দ্রুতই তোমার দারুণ ব্যাটিং আমার হৃদয় ছুঁয়েছে। আমি খুব খুশি যে সেই তরুণ খেলোয়াড় আস্তে আস্তে “বিরাট” খেলোয়াড় হয়ে উঠেছে। এক ভারতীয় আমার রেকর্ড ভেঙেছে, এর চেয়ে বেশি খুশি আমার পক্ষে হওয়া সম্ভব না। সেমিফাইনালের মতো বড় মঞ্চে করা ও সেটা আমার ঘরের মাঠে—এটা তো অনেক ভালো কিছু।’
সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙার আগে শচীনের বেশ কিছু রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছেন কোহলি। ২০২৩ বিশ্বকাপে ৮টি পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলেন কোহলি। যা এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস। ২০০৩ বিশ্বকাপে শচীন খেলেন ৭টি পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস। এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড নিজের নামে করে নেন কোহলি। ২০২৩ বিশ্বকাপে ১০১.৫৭ গড় ও ৯০.৬৮ স্ট্রাইক রেটে করেন ৭১১ রান। ৩ সেঞ্চুরি ও ৫ ফিফটি করেন। শচীন ২০০৩ বিশ্বকাপে ১ সেঞ্চুরি ও ৬ ফিফটিতে করেছিলেন ৬৭৩ রান।

ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
২ ঘণ্টা আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটা দিন বাংলাদেশ কাটাবে, তা কজনে কল্পনা করতে পেরেছিলেন? কদিন আগে এই বাংলাদেশ ইনিংসে হেরেছে জিম্বাবুয়ের কাছে। তার ওপর ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে বাংলাদেশের যে দল টেস্ট খেলেছে, সেই দলের কোনো ক্রিকেটারেরই ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। আজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্র
৪ ঘণ্টা আগে
ঘরের মাঠের চেয়ে বিদেশের মাঠেই বেশি সাবলীল হাসান মাহমুদ। পেস, সুইংয়ে ব্যাটারদের কাবু করেন নিয়মিতই। অস্ট্রেলিয়ায় এবার প্রথমবার টেস্ট খেলতে নেমেই আগুন ঝড়াচ্ছেন হাসান। ছুঁয়ে ফেলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজার রেকর্ড। হাসানের সামনে এখন কেবল শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তাসকিন আহমেদ।
৫ ঘণ্টা আগে