আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে গত ১০ জানুয়ারি ঢাকা ক্যাপিটালসকে ৩ উইকেটে হারিয়েছিল সিলেট স্ট্রাইকার্স। ভেন্যু বদলাতেই এবার পাল্টে গেল ম্যাচের ফল। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ প্রতিশোধ নিল ঢাকা।
টানা দুই ম্যাচ জিতে সিলেট স্ট্রাইকার্স ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল। তবে সিলেটের ভক্ত-সমর্থকদের আশা হতাশায় রূপ নিতে সময় লাগেনি। টানা তিন ম্যাচ হারল আরিফুল হকের নেতৃত্বাধীন সিলেট স্ট্রাইকার্স। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ শেষ মুহূর্তে আশা জাগিয়েও সিলেট ৬ রানে হেরেছে ঢাকার কাছে। ৮ ম্যাচে ২ জয় ও ৬ হারে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সিলেট পয়েন্ট তালিকার সাত নম্বরে নেমে গেছে। সমান ৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বরে ঢাকা। তবে ঢাকার হাতে বাকি মাত্র তিন ম্যাচ।
১৯৭ রানের লক্ষ্যে নেমে ৪.৩ ওভারে ২ উইকেটে ৩২ রানে পরিণত হয় সিলেট স্ট্রাইকার্স। দুই টপ অর্ডার ব্যাটার জর্জ মানসি (৩) ও জাকির হাসান (৮) আউট হয়েছেন এক অঙ্কের ঘরে। তৃতীয় উইকেটে এরপর ৫৬ বলে ৮০ রানের জুটি গড়তে অবদান রাখেন রনি তালুকদার ও অ্যারন জোনস। তবে এই দুইজনই জুটি গড়ার পর দ্রুত বিদায় নিয়েছেন। ২ উইকেটে ১১২ রান থেকে মুহূর্তেই সিলেটের স্কোর হয়ে যায় ৪ উইকেটে ১২৭ রান।
হাতে ৬ উইকেট নিয়ে শেষ ২৭ বলে ৭০ রান প্রয়োজন হয় সিলেট স্ট্রাইকার্সের। পঞ্চম উইকেটে ১৯ বলে ৪২ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন জাকের আলী অনিক ও আরিফুল। ১৩ বলে ২৮ রান করা জাকেরকে ফিরিয়ে ঢাকাকে ম্যাচে ফেরান মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। শেষ ওভারে সিলেট স্ট্রাইকার্সের দরকার হয় ২৩ রান। হাতে তাদের ৫ উইকেট। মোস্তাফিজুর রহমানের করা সেই চূড়ান্ত ওভারের প্রথম তিন বলে ১২ রান তুলে নেয় সিলেট। যেখানে ছক্কা, চার ও সিঙ্গেলে ১১ রান নেন সামিউল্লাহ শিনওয়ারি।
শেষ ৩ বলে সিলেটের যখন ১১ রান দরকার, তখন আবার ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। শেষ ওভারের চতুর্থ বলে আরিফুলকে কট এন্ড বোল্ড করে সিলেটকে ম্যাচ থেকে এক রকম ছিটকে দেন মোস্তাফিজ। রুয়েল মিয়া ইনিংসের শেষ বলে চার মারলেও সেটা হারের ব্যবধানই কমাতে পেরেছে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রানে থেমে যায় সিলেট স্ট্রাইকার্সের ইনিংস। ৪৪ বলে ৬৮ রান করা রনি তালুকদার ম্যাচে সিলেটের সর্বোচ্চ স্কোরার। মেরেছেন ৯ চার।
অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন ঢাকার অধিনায়ক থিসারা পেরেরা। ৪ ওভারে ৩১ রানে নেন ২ উইকেট। ফিল্ডিংয়ে দুটি ক্যাচ ধরেছেন। ব্যাটিংয়ে ছয় নম্বরে নেমে ১৭ বলে ৩টি করে ছক্কা ও চারে করেছেন ৩৭ রান। পেরেরার পাশাপাশি মোস্তাফিজও নিয়েছেন ২ উইকেট। তবে মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ৪৬ রান খরচ করেন।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেয় ঢাকা ক্যাপিটালস। শুরুটা টি-টোয়েন্টি সুলভ না হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণাত্মক হয়েছে দলটি।নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে করেছে ১৯৬ রান। ইনিংস সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন লিটন দাস। ৪৮ বলের ইনিংসে ৪টি করে ছক্কা ও চার মেরেছেন তিনি। সিলেটের শিনওয়ারি, টিপু সুলতান দুটি করে উইকেট পেয়েছেন।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে গত ১০ জানুয়ারি ঢাকা ক্যাপিটালসকে ৩ উইকেটে হারিয়েছিল সিলেট স্ট্রাইকার্স। ভেন্যু বদলাতেই এবার পাল্টে গেল ম্যাচের ফল। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ প্রতিশোধ নিল ঢাকা।
টানা দুই ম্যাচ জিতে সিলেট স্ট্রাইকার্স ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল। তবে সিলেটের ভক্ত-সমর্থকদের আশা হতাশায় রূপ নিতে সময় লাগেনি। টানা তিন ম্যাচ হারল আরিফুল হকের নেতৃত্বাধীন সিলেট স্ট্রাইকার্স। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ শেষ মুহূর্তে আশা জাগিয়েও সিলেট ৬ রানে হেরেছে ঢাকার কাছে। ৮ ম্যাচে ২ জয় ও ৬ হারে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সিলেট পয়েন্ট তালিকার সাত নম্বরে নেমে গেছে। সমান ৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বরে ঢাকা। তবে ঢাকার হাতে বাকি মাত্র তিন ম্যাচ।
১৯৭ রানের লক্ষ্যে নেমে ৪.৩ ওভারে ২ উইকেটে ৩২ রানে পরিণত হয় সিলেট স্ট্রাইকার্স। দুই টপ অর্ডার ব্যাটার জর্জ মানসি (৩) ও জাকির হাসান (৮) আউট হয়েছেন এক অঙ্কের ঘরে। তৃতীয় উইকেটে এরপর ৫৬ বলে ৮০ রানের জুটি গড়তে অবদান রাখেন রনি তালুকদার ও অ্যারন জোনস। তবে এই দুইজনই জুটি গড়ার পর দ্রুত বিদায় নিয়েছেন। ২ উইকেটে ১১২ রান থেকে মুহূর্তেই সিলেটের স্কোর হয়ে যায় ৪ উইকেটে ১২৭ রান।
হাতে ৬ উইকেট নিয়ে শেষ ২৭ বলে ৭০ রান প্রয়োজন হয় সিলেট স্ট্রাইকার্সের। পঞ্চম উইকেটে ১৯ বলে ৪২ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন জাকের আলী অনিক ও আরিফুল। ১৩ বলে ২৮ রান করা জাকেরকে ফিরিয়ে ঢাকাকে ম্যাচে ফেরান মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। শেষ ওভারে সিলেট স্ট্রাইকার্সের দরকার হয় ২৩ রান। হাতে তাদের ৫ উইকেট। মোস্তাফিজুর রহমানের করা সেই চূড়ান্ত ওভারের প্রথম তিন বলে ১২ রান তুলে নেয় সিলেট। যেখানে ছক্কা, চার ও সিঙ্গেলে ১১ রান নেন সামিউল্লাহ শিনওয়ারি।
শেষ ৩ বলে সিলেটের যখন ১১ রান দরকার, তখন আবার ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। শেষ ওভারের চতুর্থ বলে আরিফুলকে কট এন্ড বোল্ড করে সিলেটকে ম্যাচ থেকে এক রকম ছিটকে দেন মোস্তাফিজ। রুয়েল মিয়া ইনিংসের শেষ বলে চার মারলেও সেটা হারের ব্যবধানই কমাতে পেরেছে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রানে থেমে যায় সিলেট স্ট্রাইকার্সের ইনিংস। ৪৪ বলে ৬৮ রান করা রনি তালুকদার ম্যাচে সিলেটের সর্বোচ্চ স্কোরার। মেরেছেন ৯ চার।
অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন ঢাকার অধিনায়ক থিসারা পেরেরা। ৪ ওভারে ৩১ রানে নেন ২ উইকেট। ফিল্ডিংয়ে দুটি ক্যাচ ধরেছেন। ব্যাটিংয়ে ছয় নম্বরে নেমে ১৭ বলে ৩টি করে ছক্কা ও চারে করেছেন ৩৭ রান। পেরেরার পাশাপাশি মোস্তাফিজও নিয়েছেন ২ উইকেট। তবে মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ৪৬ রান খরচ করেন।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেয় ঢাকা ক্যাপিটালস। শুরুটা টি-টোয়েন্টি সুলভ না হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণাত্মক হয়েছে দলটি।নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে করেছে ১৯৬ রান। ইনিংস সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন লিটন দাস। ৪৮ বলের ইনিংসে ৪টি করে ছক্কা ও চার মেরেছেন তিনি। সিলেটের শিনওয়ারি, টিপু সুলতান দুটি করে উইকেট পেয়েছেন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ভারতে খেলার মতো পরিস্থিতি নেই— আজ বিকেলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এমনটাই বলেছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
১ ঘণ্টা আগে
নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স রীতিমতো উড়ছে। জয় দিয়েই তারা সিলেট পর্ব শেষ করেছে। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আজ ঢাকা ক্যাপিটালসকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে রাজশাহী।শুধু তাই নয়, রাজশাহীর জয়ে ২০২৬ বিপিএলে তিন দলের প্লে অফে ওঠা নিশ্চিত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা নিজেদের কাছেই রেখে দিল বার্সেলোনা। এবারও তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে। মাঠে যতই তারা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হোক না কেন, চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনাকে ‘গার্ড অব অনার’ দিতে প্রস্তুত ছিল রিয়াল।
৩ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতে হবে নাকি শ্রীলঙ্কায়, তা নিয়ে এখনো জটিলতা কাটেনি। এরই মধ্যে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বিস্ফোরক এক বক্তব্য দিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে