২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা স্মৃতির মানসপটে উঁকি দিলে প্রথম কোন জিনিসটা মনে পড়ে? ফাইনালে যোগিন্দর শর্মার বলে মিসবাহ-উল-হকের ওই স্কুপ তালিকার প্রথম দিকেই থাকার কথা। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ফাইনালে মিসবাহর ওই উচ্চাভিলাষী স্কুপ খেলতে গিয়ে আউটই যে সংক্ষিপ্ততম সংস্করণের প্রথম বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের উচ্ছ্বাসে ভেসেছিল ভারত।
একটু এদিন-সেদিক হলে সেদিন শিরোপা জেতার উৎসব করতে পারত পাকিস্তান। তবে সেটা হয়নি মিসবাহর মুহূর্তের উত্তেজনায়। দেড় যুগের বেশি সময় পরও তাই সেই আউট পোড়ায় সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ককে। স্কুপ শট দিয়েই সেই বিশ্বকাপে আলাদাভাবে নজর কেড়েছিলেন মিসবাহ। শক্তির জায়গাটাই কি না ফাইনালে ‘বেইমানি করে তাঁর সঙ্গে’।
স্মৃতির ডালা খুলে দিয়ে ওই শট নিয়ে মিসবাহ জানালেন, ‘আপনি বলতে পারেন, আমি অতি আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়েছিলাম। সেই শটেই গোলমাল বাঁধালাম, যেটা আমাকে সব সময় আত্মবিশ্বাস জোগাত।’
শেষ ওভারে শর্মার তৃতীয় বলে স্কুপ খেলতে গিয়ে ফাইন লেগে যুবরাজ সিংয়ের তালুবন্দী হয়েছিলেন মিসবাহ। তখনো ওভারের বাকি আরও তিন বল। পাকিস্তানের দরকার ছিল ৫ রান। ৩৮ বলে ৪৩ রান করে সেই মুহূর্তে দারুণ ছন্দে ছিলেন মিসবাহ। শটটা নিয়ে মিসবাহ আরও বলেন, ‘সেই সময় ওই শটে আমি প্রচুর রান করেছি। ফাইন লেগ ফিল্ডার থাকলেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওই শট খেলে রান করেছি। স্পিনারের বিপক্ষে ফাইন লেগ দিয়ে ওই শটে রান করতে আমি অভ্যস্ত ছিলাম।’

নকআউট পর্ব শুরুর আগেই ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপে এক কীর্তির অংশ হয়ে গেলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছেন চার গোল নিয়ে। এর মাধ্যমে তিনি ছুঁয়েছেন রোনালদো, নেইমার ও জর্জিনহোর গড়া একটি বিরল রেকর্ড।
১ ঘণ্টা আগে
নকআউট পর্বের প্রতিপক্ষ নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন ভিনিসিয়ুস, ‘প্রতিপক্ষ বেছে নেওয়ার সুযোগ আমাদের নেই। যে দলই সামনে আসুক না কেন, আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এই জয়ে 'সি' গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করল ব্রাজিল। ৩ ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম পর্ব শেষ করল তারা। এই গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ডে উঠেছে মরক্কো। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় নকআউট পর্বে সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
২ ঘণ্টা আগে
এরপর ৮৯ মিনিটে রাহিমির অ্যাসিস্ট থেকে আরেক বদলি ফুটবলার ইয়াসিন ফাঁকা জালে বল ঠেলে দিলে মরক্কোর জয় নিশ্চিত হয়। শেষ দিকে সুফিয়ান আমরাবাত চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ায় ১০ জনের দলে পরিণত হলেও হাইতির আক্রমণভাগকে সফলভাবে রুখে দেয় মরক্কোর রক্ষণ। এই রোমাঞ্চকর জয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে শেষ বত্রিশের টিকিট
২ ঘণ্টা আগে