
২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের সুখস্মৃতিটা অ্যাডিলেডে ফিরিয়ে আনতে পারল না বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডকে এ মাঠেই হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল সাকিব আল হাসানরা। এবার ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে জিততে পারলে সেমিফাইনালে যাওয়ার পথটা মসৃণ হতো বাংলাদেশের। কিন্তু ভারতের কাছে বৃষ্টি আইনে ৫ রানে হেরে এখন বাড়ির পথে সাকিবরা।
শুরুতে জয়ের আশা জাগিয়ে শেষে এসে হতাশ হতে হলো বাংলাদেশকে। শেষ ৬ বলে বাংলাদেশের দরকার ছিল ২০ রান। প্রথম বলে ১ রান নিয়ে তাসকিন আহমেদ প্রান্ত বদল করেন নুরুল হাসানের সঙ্গে। স্ট্রাইক পেয়ে দ্বিতীয় বলেই ছক্কা মেরে ম্যাচ জমিয়ে দেন নুরুল। তবে শেষ ৪ বলে ১৩ রান নিতে পারেননি তিনি। এতে করে বৃষ্টি আইনে ভারতের কাছে ৫ রানে হেরেছে বাংলাদেশ।
১৮৫ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে দুর্দান্ত এক শুরুর প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের। নিজের পছন্দের জায়গা ফিরে পেয়ে সেই শুরুটা এনে দিয়েছেন লিটন দাস। শান্তকে নিয়ে ইনিংস শুরু করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়েছেন তিনি। তাঁর তাণ্ডবের সময় মাঝে বৃষ্টিতে খেলাও বন্ধ হয়। এ সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ ওভারে ৬৬ রান।
বৃষ্টি সেরে যাওয়ার পর বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬ ওভারে ১৫১। নতুন লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশের খেলায় ছন্দপতনও ঘটে। খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ২৬ বলে ৫৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছিলেন লিটন। আর শুরুর পর আগের রানের সঙ্গে মাত্র আর ১ রান যোগ করতে পেরেছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ২৭ বলে ৬০ রান করে লোকেশ রাহুলের অবিশ্বাস্য থ্রোতে রান আউট হয়েছেন তিনি। ৭ চারের সঙ্গে ৩ ছক্কায় ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি। এর আগে অবশ্য ৯ ও ২৭ রানের সময় দুবার জীবনও পেয়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
অপর দিকে আরেক ওপেনার শান্ত খেলেছেন ধীরলয়ে। চার-ছক্কার ধুমধাড়াক্কা এই সংস্করণে ২৫ বলে ২১ রানে আউট হয়ে যেন নিজের নামের যথার্থতা প্রমাণ করেছেন তিনি। দলীয় ৮৪ রানে শান্তর আউট হওয়ার পর দ্রুত ফিরে যান আফিফ হোসেন ও সাকিব আল হাসানও। আর্শ্বদীপ সিংয়ের করা ১১ তম ওভারে ফিরে যান দুজনেই।
পরের ওভারেও দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এবার ইয়াসির আলী রাব্বি ও মোসাদ্দেক হোসেনকে আউট করেন হার্দিক পান্ডিয়া। এ দুজনের আউটের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের পরাজয়ও অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়। শেষ দিকে সপ্তম উইকেটে ১৯ বলে ৩৭ রানের জুটি গড়ে নুরুল-তাসকিন জয়ের আশা দেখালেও জয় এনে দিতে পারেননি দুজনে। নির্ধারিত ১৬ ওভার শেষে বাংলাদেশ থামে ৬ উইকেটে ১৪৫ রানে। ২৫ রান করা নুরুলের সঙ্গে ১২ রান করে ম্যাচে অপরাজিত থাকেন তাসকিন। ২ টি করে উইকেট নিয়েছেন আর্শ্বদীপ ও হার্দিক। আর ৬৪ রানের ইনিংসের জন্য ম্যাচ সেরা হয়েছেন বিরাট কোহলি।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারতের শুরুটা ভালো হয়নি। মাত্র ১১ রানেই দলটি হারিয়েছে অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে। তবে তিনে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন টুর্নামেন্টে দারুণ ছন্দে থাকা বিরাট কোহলি। সঙ্গে শুরুর দিকে দেখেশুনে খেলা লোকেশ রাহুলও হাত খুলতে শুরু করেন। অধিনায়ক দ্রুত আউট হলেও রানের গতিতে ভাটা পড়েনি ভারতের। দ্বিতীয় উইকেটে ৬৭ রানের জুটি গড়েন দুজনে। টানা অফ ফর্মে থাকা রাহুল ফিফটিও তুলেন নেন ৩১ বলে। তাঁকে আউট করে জুটি ভাঙেন সাকিব আল হাসান।
তবে দুরন্ত শুরু করা কোহলির সঙ্গে এবার রান উৎসবে যোগ দেন সূর্যকুমার যাদব। ভারতীয় এই ব্যাটার ১৮০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে ১৬ বলে ৩০ রানে আউট হলে ভারতের রানে কিছুটা ভাটা পড়ে। সঙ্গে মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা উইকেটও দিয়েছেন নিয়মিতভাবে। কিন্তু এক প্রান্ত আগলে রেখে ১৮৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর এনে দেন কোহলি। শেষ দিকে রবিচন্দন অশ্বিনের ৬ বলে ১৩ রানের ছোট ক্যামিও ইনিংসের অবদানও ছিল।
এশিয়া কাপের দুর্দান্ত ফর্মটাই যেন বিশ্বকাপে নিয়ে এসেছেন কোহলি। টুর্নামেন্টে তৃতীয় ফিফটি তুলে নিয়েছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক। ম্যাচে ৪৪ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ৮ চারের সঙ্গে এক ছক্কায়। ৪৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলার হাসান মাহমুদ।

২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের সুখস্মৃতিটা অ্যাডিলেডে ফিরিয়ে আনতে পারল না বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডকে এ মাঠেই হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল সাকিব আল হাসানরা। এবার ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে জিততে পারলে সেমিফাইনালে যাওয়ার পথটা মসৃণ হতো বাংলাদেশের। কিন্তু ভারতের কাছে বৃষ্টি আইনে ৫ রানে হেরে এখন বাড়ির পথে সাকিবরা।
শুরুতে জয়ের আশা জাগিয়ে শেষে এসে হতাশ হতে হলো বাংলাদেশকে। শেষ ৬ বলে বাংলাদেশের দরকার ছিল ২০ রান। প্রথম বলে ১ রান নিয়ে তাসকিন আহমেদ প্রান্ত বদল করেন নুরুল হাসানের সঙ্গে। স্ট্রাইক পেয়ে দ্বিতীয় বলেই ছক্কা মেরে ম্যাচ জমিয়ে দেন নুরুল। তবে শেষ ৪ বলে ১৩ রান নিতে পারেননি তিনি। এতে করে বৃষ্টি আইনে ভারতের কাছে ৫ রানে হেরেছে বাংলাদেশ।
১৮৫ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে দুর্দান্ত এক শুরুর প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের। নিজের পছন্দের জায়গা ফিরে পেয়ে সেই শুরুটা এনে দিয়েছেন লিটন দাস। শান্তকে নিয়ে ইনিংস শুরু করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়েছেন তিনি। তাঁর তাণ্ডবের সময় মাঝে বৃষ্টিতে খেলাও বন্ধ হয়। এ সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ ওভারে ৬৬ রান।
বৃষ্টি সেরে যাওয়ার পর বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬ ওভারে ১৫১। নতুন লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশের খেলায় ছন্দপতনও ঘটে। খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ২৬ বলে ৫৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছিলেন লিটন। আর শুরুর পর আগের রানের সঙ্গে মাত্র আর ১ রান যোগ করতে পেরেছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ২৭ বলে ৬০ রান করে লোকেশ রাহুলের অবিশ্বাস্য থ্রোতে রান আউট হয়েছেন তিনি। ৭ চারের সঙ্গে ৩ ছক্কায় ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি। এর আগে অবশ্য ৯ ও ২৭ রানের সময় দুবার জীবনও পেয়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
অপর দিকে আরেক ওপেনার শান্ত খেলেছেন ধীরলয়ে। চার-ছক্কার ধুমধাড়াক্কা এই সংস্করণে ২৫ বলে ২১ রানে আউট হয়ে যেন নিজের নামের যথার্থতা প্রমাণ করেছেন তিনি। দলীয় ৮৪ রানে শান্তর আউট হওয়ার পর দ্রুত ফিরে যান আফিফ হোসেন ও সাকিব আল হাসানও। আর্শ্বদীপ সিংয়ের করা ১১ তম ওভারে ফিরে যান দুজনেই।
পরের ওভারেও দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এবার ইয়াসির আলী রাব্বি ও মোসাদ্দেক হোসেনকে আউট করেন হার্দিক পান্ডিয়া। এ দুজনের আউটের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের পরাজয়ও অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়। শেষ দিকে সপ্তম উইকেটে ১৯ বলে ৩৭ রানের জুটি গড়ে নুরুল-তাসকিন জয়ের আশা দেখালেও জয় এনে দিতে পারেননি দুজনে। নির্ধারিত ১৬ ওভার শেষে বাংলাদেশ থামে ৬ উইকেটে ১৪৫ রানে। ২৫ রান করা নুরুলের সঙ্গে ১২ রান করে ম্যাচে অপরাজিত থাকেন তাসকিন। ২ টি করে উইকেট নিয়েছেন আর্শ্বদীপ ও হার্দিক। আর ৬৪ রানের ইনিংসের জন্য ম্যাচ সেরা হয়েছেন বিরাট কোহলি।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারতের শুরুটা ভালো হয়নি। মাত্র ১১ রানেই দলটি হারিয়েছে অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে। তবে তিনে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন টুর্নামেন্টে দারুণ ছন্দে থাকা বিরাট কোহলি। সঙ্গে শুরুর দিকে দেখেশুনে খেলা লোকেশ রাহুলও হাত খুলতে শুরু করেন। অধিনায়ক দ্রুত আউট হলেও রানের গতিতে ভাটা পড়েনি ভারতের। দ্বিতীয় উইকেটে ৬৭ রানের জুটি গড়েন দুজনে। টানা অফ ফর্মে থাকা রাহুল ফিফটিও তুলেন নেন ৩১ বলে। তাঁকে আউট করে জুটি ভাঙেন সাকিব আল হাসান।
তবে দুরন্ত শুরু করা কোহলির সঙ্গে এবার রান উৎসবে যোগ দেন সূর্যকুমার যাদব। ভারতীয় এই ব্যাটার ১৮০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে ১৬ বলে ৩০ রানে আউট হলে ভারতের রানে কিছুটা ভাটা পড়ে। সঙ্গে মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা উইকেটও দিয়েছেন নিয়মিতভাবে। কিন্তু এক প্রান্ত আগলে রেখে ১৮৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর এনে দেন কোহলি। শেষ দিকে রবিচন্দন অশ্বিনের ৬ বলে ১৩ রানের ছোট ক্যামিও ইনিংসের অবদানও ছিল।
এশিয়া কাপের দুর্দান্ত ফর্মটাই যেন বিশ্বকাপে নিয়ে এসেছেন কোহলি। টুর্নামেন্টে তৃতীয় ফিফটি তুলে নিয়েছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক। ম্যাচে ৪৪ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ৮ চারের সঙ্গে এক ছক্কায়। ৪৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলার হাসান মাহমুদ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বেছে নেবে আইসিসি, এমন খবর বের হয়েছিল আজ। তবে এর কোনো সত্যতা খুঁজে পায়নি বিসিবি। ইংল্যান্ডের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসির সঙ্গে এখন পর্যন্ত কোনো কথাই হয়নি স্কটল্যান্ডের।
৫ ঘণ্টা আগে
সিলেট টাইটানস এবং রংপুর রাইডার্সের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বিপিএলের প্লে অফ। এলিমিনেটরে আগামীকাল দুপুর দেড়টায় মাঠে নামবে দুদল। শেষ চারের ম্যাচে লিটন দাসের দলের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার বার্তা দিলেন সিলেটের ইংলিশ ব্যাটার ইথান ব্রুকস।
৫ ঘণ্টা আগে
মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়া নিয়ে জল কম ঘোলা হচ্ছে না। এই ইস্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বলে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি। এরপর থেকেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মাঝে নতুন করে আলোচনায় এলেন মোস্তাফিজ। সেটা মাঠের পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি দিয়ে
৭ ঘণ্টা আগে
ইএসপিএনক্রিকইনফোসহ ভারতের আরও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ডেডলাইন ঠিক করে দিয়েছে আইসিসি। তবে বিষয়টির সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন বিসিবির বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন।
১০ ঘণ্টা আগে