
ডিপ স্কয়ার লেগে ব্রাড ইভান্স ক্যাচ ধরার পর শূন্যে ছুড়ে মেরেছেন। মেহেদী হাসান মিরাজকে ফেরানোর পর পুরো জিম্বাবুয়ে দলই তখন উদযাপনে ব্যস্ত। বোলার রিচার্ড এনগারাভার কাঁধে উঠে গেলেন সিকান্দার রাজা। যাঁরা হারারেতে আজ বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডে দেখেছেন, তাঁরা অবশ্যই বুঝতে পেরেছেন রাজা-ইভান্সদের উদযাপনের উপলক্ষ। ১৩ রানে জিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতেছে জিম্বাবুয়ে।
যে বাংলাদেশ কয়েক মাস আগেও নিয়মিত জিতত, এবার তারা নিজেদের হারিয়ে খুঁজছে। অস্ট্রেলিয়ার কাছে তৃতীয় ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই, জিম্বাবুয়ের কাছে এক টেস্ট ও দুই ওয়ানডে হার—তিন সংস্করণ মিলিয়ে টানা সাত ম্যাচ হেরে গেল মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। তাতে করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের অপেক্ষা বেড়েই চলেছে বাংলাদেশের। ২০২২ সালে সবশেষ অনুষ্ঠিত দুই দলের ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়ে জিতেছিল ২-১ ব্যবধানে।
হাতে ৪ উইকেট নিয়ে শেষ পাঁচ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ৩০ রান। ভরসার প্রতীক হিসেবে এক প্রান্তে মিরাজ থাকলেও রিশাদ হোসেন (৮), তাসকিন আহমেদ (০) ও শরীফুল ইসলাম (৬) দ্রুত বিদায় নিলে সব দায়িত্ব পড়ে মিরাজের কাঁধে। যেখানে ৪৮তম ওভারের শেষ বলে শরীফুলকে বোল্ড করে ইভান্সের উল্লাসই বলে দিচ্ছিল জিম্বাবুয়ে ম্যাচটা একরকম জিতেই গেছে। শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ে ম্যাচটা ১৩ রানে জিতেছে। মিরাজকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক এনগারাভা বাংলাদেশের ইনিংসের ইতি টেনেছেন।
২৪৮ রানের লক্ষ্যে নেমে ৮.৪ ওভারে ২ উইকেটে ৩৮ রানে পরিণত হয় বাংলাদেশ। ওপেনার সৌম্য সরকারের (৫) পর তিন নম্বরে নামা নাজমুল হোসেন শান্তও (৯) এক অঙ্কের ঘরে আউট হয়েছেন। সৌম্যকে ফিরিয়েছেন ব্লেসিং মুজারাবানি। আর শান্তকে ফিরিয়েছেন ব্রাড ইভান্স। যে ইভান্স আট নম্বরে নেমে ৩৪ বলে ৫৮ রান করেছেন বলেই জিম্বাবুয়ের স্কোর ২৪৭ পর্যন্ত গিয়েছে।
পাওয়ার প্লের (প্রথম ১০ ওভার) ২ উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন তানজিদ হাসান তামিম ও তাওহীদ হৃদয়। হৃদয়ের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ১০৮ বলে ৮৪ রানের জুটি গড়ার পথে অষ্টম ওয়ানডে ফিফটি তুলে নেন তামিম। ২৭তম ওভারের তৃতীয় বলে তানজিদ তামিমকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন ব্রায়ান বেনেট। ৭০ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৫৭ রান করেন তানজিদ তামিম।
তামিমের পর এরপর নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ৫৮ বলে ৪৭ রানের জুটি গড়েন হৃদয়। ৩৭তম ওভারের প্রথম বলে হৃদয়কে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ওয়েসলি মাধেভেরে। হৃদয় ৯০ বলে ৫ চারে করেন ৬০ রান। ওয়ানডেতে এটা তাঁর ১৪তম ফিফটি। এরপর ছয় নম্বরে নেমে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত একটা চার মারলেও ৯ বলে করেছেন ৭ রান।
হৃদয়-মোসাদ্দেকের দ্রুত বিদায়ে বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ৩৭.৪ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৬ রান। একপ্রান্ত আগলে সাবলীলভাবে খেলতে থাকা সোহান ষষ্ঠ উইকেটে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে বড় জুটি গড়ার আভাস দিলেও জুটিতে হয়েছে কেবল ৩১ রান। ৪২তম ওভারের শেষ বলে সোহানকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন এনগারাভা।
৪১ বলে ৫ চারে ৩৮ রান করা সোহানের বিদায়ে বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ৪২ ওভারে ৬ উইকেটে ২০৭ রান। এরপর হাতে ৪ উইকেট নিয়ে ৮ ওভারে ৪১ রানের সমীকরণও মেলাতে পারেনি সফরকারীরা। ১১ বল আগেই ২৩৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। মিরাজ (২৭) শেষ অব্দি থেকেও বাঁচাতে পারলেন না দলকে। বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৬০ রান আসে হৃদয়ের ব্যাটে। জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক এনগারাভা ৯.১ ওভারে ৫৫ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন মুজারাবানি ও ইভান্স। রাজা, বেনেট ও মাধেভেড়ে নিয়েছেন একটি করে উইকেট।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাটিং পাওয়া জিম্বাবুয়ে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে করেছে ২৪৭ রান। ওপেনার বেন কারেন ১৩৫ বলে ৯ চারে ১১১ রান করে অপরাজিত থাকেন। যিনি আউট হতে পারতেন ৪ রানেই। শরীফুলের বলে তাওহীদ হৃদয় কাভারে ক্যাচ হাতছাড়া করেন। বাংলাদেশের তাসকিন আহমেদ ও মিরাজ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন।

এক গোলে পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনার সামনে তখন সময়ই যেন সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ। ইংল্যান্ডের রক্ষণ ভাঙার পথও মিলছিল না। একজনের ওপরেই তাকিয়ে থাকতে হয়েছে তখন। তিনিও চেষ্টার কমতি রাখেননি।
২৮ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালে আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে নামবে স্পেন। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা আলবিসেলেস্তেদের সামনে এবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের চ্যালেঞ্জ। শিরোপা নির্ধারণী এই লড়াইয়ের আগে দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যান বলছে, কেউই কারও চেয়ে এগিয়ে নেই।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে যখন ভাসছে পুরো দল, তখন লিওনেল মেসিকে ঘিরে আবেগঘন এক মুহূর্ত ধরা পড়েছে উদযাপনের মাঝেই।
৪ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৪০ বছর আগের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল আর্জেন্টাইন ফুটবলে। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদো। আটলান্টার স্টেডিয়ামে বসে দলের জয় দেখার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের বিশ
৫ ঘণ্টা আগে