
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টিতে শারজা ওয়ারিয়র্সের একাদশে তাসকিন আহমেদ নিয়মিতই খেলছেন। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রেকথ্রু এনে দিচ্ছেন। তবে নিয়মিত উইকেট পেলেও মুক্তহস্তে রান বিলিয়ে দিচ্ছেন বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞ পেসার। আজ আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে ডেথ ওভারে বেধড়ক পিটুনি খেয়েছেন তাসকিন।
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পরশু ডেজার্ট ভাইপার্সের বিপক্ষে ৪ ওভারে ২০ রানে ২ উইকেট নিয়েছিলেন তাসকিন। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ২০০তম ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সেই ম্যাচটায় তিনি ছিলেন পরাজিত দলের সদস্য। এক দিন পর আজ আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আবুধাবি নাইট রাইডার্সের মুখোমুখি হয়েছে তাসকিনের শারজা ওয়ারিয়র্স। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই পেসার ৪ ওভারে ৪১ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। যার মধ্যে ১৯তম ওভারে তিনি দিয়েছেন ২৫ রান।
টস জিতে আগে ব্যাটিং নেওয়া আবুধাবি নাইট রাইডার্স ৩.৫ ওভারে ৪ উইকেটে ১০ রানে পরিণত হয়। এই চার উইকেটের দুটিই নিয়েছেন তাসকিন। প্রথম ওভারের শেষ বলে তাসকিনের শর্ট বলে পুল করতে যান আবুধাবি ওপেনার জেসন রয়। আকাশে ভেসে থাকা বল ধরতে আদিল রশিদ শর্ট কাভার বরাবর দৌড়াতে থাকেন। একই সময় তাঁরই আরেক সতীর্থ এক্সটা কাভার বরাবর আসতে থাকেন। তবে আদিল রশিদ বলের দিকে মনোযোগ রেখে ক্যাচটা ধরেন দারুণভাবে। ৬ বলে ১ চারে ৪ রান করেন সল্ট।
এক ওভার বিরতিতে ফের তাসকিনকে বোলিংয়ে আনেন শারজা ওয়ারিয়র্সের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে নাইট রাইডার্সের আরেক ওপেনার অ্যালেক্স হেলসকে (৫) ফেরান তাসকিন। পাওয়ার প্লের (প্রথম ৬ ওভার) মধ্যে তিন ওভারই করেন তাসকিন। এই সময়ে ১৬ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। তবে ১৯তম ওভারে বোলিংয়ে এসে গুবলেট পাকিয়ে ফেলেন বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞ পেসার। আন্দ্রে রাসেল ও জেসন হোল্ডারের কাছে দুটি করে ছক্কা হজম করেছেন তাসকিন। ১০.২৫ ইকোনমিতে ৪ ওভারে ৪১ রানের বোলিংয়ে শেষ করেছেন তাসকিন।
শুরুর ধাক্কা সামলে আবুধাবি নাইট রাইডার্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৪ রানে শেষ করেছে। ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন শারফেন রাদারফোর্ড। শারজার আদিল রশিদ ৪ ওভারে ১৮ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন ও ওয়াসিম আকরাম। ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস, সিকান্দার রাজা পেয়েছেন একটি করে উইকেট। রাজা ৪ ওভারে খরচ করেন ১৭ রান।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে যোগ করা হলো আরও ৫ মিনিট।দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস তখন হয়তো মনে মনে অতিরিক্ত সময়ের কৌশল সাজাচ্ছিলেন। গ্যালারিতে থাকা হাজারো দর্শকও মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন আরও ৩০ মিনিটের স্নায়ুচাপের জন্য। কিন্তু ফুটবল বিধাতার মনে তখন অন্য এক নাটকীয় চিত্রনাট্য লেখা।
৩ ঘণ্টা আগে
মুহূর্তটা কিছুতেই ভোলার নয়। ভোলা যাবে না। জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ডালাস মিক্সড জোন পেরিয়ে চলেই যাচ্ছিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ‘দিবু (মার্তিনেসের ডাকনাম), বাংলাদেশ থেকে এসেছি’—পেছন থেকে ডাক দিতেই থামলেন। ‘ওহ্, বাংলাদেশ, আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি’, বলতে বলতে ফিরে এলেন প্রতিবেদকের কাছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ মানেই যেন ইউরোপ আর লাতিন আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চ, যেখানে এশিয়া আর আফ্রিকার দেশগুলো যেত শুধুই দু-একটা ‘অঘটন’ ঘটানোর স্বপ্ন নিয়ে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ যেন পুরোনো সব চেনা হিসাব-নিকাশ ওলটপালট করে দিচ্ছে। কিন্তু এই পরিবর্তনের হাওয়া দুই মহাদেশে লেগেছে ভিন্ন সমান্তরালে।
৪ ঘণ্টা আগে
কিন্তু শেষ দিকে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন হর্ষিত রানা। শেষ ওভারে ভারতের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২১ রান। হ্যারি টেক্টরের করা সেই নাটকীয় ওভারে ছিল ওয়াইড, নো-বল আর বাউন্ডারির ছড়াছড়ি। সমীকরণ যখন ২ বলে ৮ রান, তখন ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আউট হন হর্ষিত রানা। শেষ বলে জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল ৭ রান, স্ট্রাইকে থাকা প্রিন্
৬ ঘণ্টা আগে