নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

এক দিন আগেই টেস্ট শেষ হওয়ায় বিশ্রামের বাড়তি এক দিন সময় হাতে পেয়েছে বাংলাদেশ দল। টেস্ট সিরিজে দল ভালো করলে বাড়তি সে সময়টা হয়তো ঘুরেফিরে ফুরফুরে মেজাজেই কাটাতেন তাঁরা। কিন্তু সোয়া তিন দিনেই ইনিংস এবং ৭৮ রানের হারের পর সেই ‘বিলাসিতা’ দেখানোর ঝুঁকি নেয়নি দল। টেস্ট হারের দিনই কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে অনুশীলন করেছেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। পরের দিনও।
গতকালও অনুশীলন করেছেন শান্ত-মিরাজরা। তবে আগের দুই দিনের চেয়ে এদিনের অনুশীলনের পার্থক্যটা এই—গতকাল সফরকারী দল অনুশীলন করেছে, প্রথম দুই ওয়ানডের ভেন্যু কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। আগামীকালই এই মাঠে হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি।
ভিন্ন সংস্করণে নতুন একটা সিরিজে ভালো করতেই হবে—এমন এক প্রতিজ্ঞা নিয়েই যেন অনুশীলনে বাংলাদেশ দল। আর অনুশীলনের কেন্দ্রে থাকার চেষ্টা মিরাজের। সতীর্থদের নানা মন্ত্রে উজ্জীবিত করার সব চেষ্টাই করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক। আগামীকাল সিরিজ দিয়েই ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে নতুন যাত্রা শুরু হচ্ছে মিরাজের। অধিনায়ক হিসেবে তিনি চেষ্টা করছেন ওয়ানডেতে ‘নতুন’ এক বাংলাদেশকে উপস্থাপন করতে।
বয়সভিত্তিক দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে মিরাজের। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই কিনা নেতৃত্বের দায়িত্বটা ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখছেন তিনি। শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার আগে আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিরাজ বলেছিলেন, ‘হঠাৎ আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। চেষ্টা করব বাংলাদেশের জন্য ভালো কিছু অর্জন করতে। আশা করি, আমরা ভালো একটা অবস্থান তৈরি করতে পারব (ওয়ানডেতে)।’
এই আশাবাদ ব্যক্ত করার পর শুনিয়েছেন বিভিন্ন অধিনায়কের নেতৃত্বে খেলে শেখার কথা। মাশরাফি বিন মর্তুজার কাছ থেকে ‘ম্যান ম্যানেজমেন্ট’, সাকিব আল হাসানের কাছ থেকে ‘ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেওয়া’র ব্যাপার আর তামিম ইকবালের নেতৃত্বে শিখেছেন দলীয় ক্রিকেটারদের ওপর কীভাবে বিশ্বাস রাখতে হয়। দলের সবাই যখন নিজ নিজ জায়গা থেকে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে, তখনই ভালো করে দল। দল যখন একটা ইউনিট হয়ে খেলে, তখন দলের নেতৃত্বে কে, সেটা বড় কোনো বিষয় নয়—নেতৃত্ব নিয়ে এমনই দর্শন মিরাজের।
তবে এমন সময়ে নেতৃত্বের বোঝা কাঁধে তুলে নিয়েছেন মিরাজ, যখন বাংলাদেশ ক্রিকেটের পাঁচ সিনিয়রের একজনও নেই। তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ঘোষণা দিয়েই বিদায় নিয়েছেন। মাশরাফি বিন মর্তুজা তাঁদেরও আগে থেকে ক্রিকেটের বাইরে, যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি ক্রিকেট ছাড়ার। সাকিব আল হাসানও দীর্ঘদিন দলের বাইরে। আবার যে কখনো ফিরবেন, সেই সম্ভাবনাও ক্ষীণ। এই চারজনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অধ্যায় শেষ বললেও ভুল হবে না। বাকি ছিলেন শুধু মুশফিক। তিনিও টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিয়েছেন। খেলছেন শুধু টেস্ট সংস্করণে। পঞ্চপাণ্ডবের দুজন—মাহমুদউল্লাহ-মুশফিক সর্বশেষ খেলেছিলেন আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে।
১৮ বছর পর এই তারকাদের ছাড়াই প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল। তাঁদের ছাড়াই মাঝেমধ্যে ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। তবে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর বিদায়ের পর এটাই প্রথম সিরিজ। পাঁচ সিনিয়র দৃশ্যপট থেকে চলে যাওয়ার পর নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের। সেটিও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, যাদের বিপক্ষে কত স্মৃতি। বিশ্বকাপে ম্যাথুসের সেই ‘টাইমড আউট’, নিদাহাস ট্রফিতে তিসারা পেরেরাদের সঙ্গে তর্ক লেগে যাওয়া মাহমুদউল্লাহ কিংবা মুশফিকুর রহিমের ‘নাগিন নাচ’—দুই দেশের লড়াইয়ে তাঁদের কতশত স্মৃতি!
এসব ঘটনাই বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট লড়াইয়ে নতুন এক মাত্রা এনে দিয়েছে। লঙ্কানদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাঁচ রান সংগ্রাহকের তালিকায় আছেন মাশরাফি ছাড়া বাকি চার সিনিয়রই। বর্তমানে কেউই নেই সেরা পাঁচে। সর্বোচ্চ ১,২০৭ রান মুশফিকের। টেস্টের মতো ওয়ানডেতেও লঙ্কানদের পেলে জ্বলে ওঠে মুশফিকের ব্যাট। তাঁর অনুপস্থিতি তাই অনুভূত হওয়ারই কথা!
তবে মুশফিকদের অনুপস্থিতি যদি নতুনেরা ভালো খেলা অনুভূত না হতে দেন, তখনই সত্যিকারের নতুন একটা দল হয়ে উঠবে বাংলাদেশ। কলম্বোর প্রেমাদাসায় সেই বাংলাদেশকে দেখা যাবে কি?

এক দিন আগেই টেস্ট শেষ হওয়ায় বিশ্রামের বাড়তি এক দিন সময় হাতে পেয়েছে বাংলাদেশ দল। টেস্ট সিরিজে দল ভালো করলে বাড়তি সে সময়টা হয়তো ঘুরেফিরে ফুরফুরে মেজাজেই কাটাতেন তাঁরা। কিন্তু সোয়া তিন দিনেই ইনিংস এবং ৭৮ রানের হারের পর সেই ‘বিলাসিতা’ দেখানোর ঝুঁকি নেয়নি দল। টেস্ট হারের দিনই কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে অনুশীলন করেছেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। পরের দিনও।
গতকালও অনুশীলন করেছেন শান্ত-মিরাজরা। তবে আগের দুই দিনের চেয়ে এদিনের অনুশীলনের পার্থক্যটা এই—গতকাল সফরকারী দল অনুশীলন করেছে, প্রথম দুই ওয়ানডের ভেন্যু কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। আগামীকালই এই মাঠে হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি।
ভিন্ন সংস্করণে নতুন একটা সিরিজে ভালো করতেই হবে—এমন এক প্রতিজ্ঞা নিয়েই যেন অনুশীলনে বাংলাদেশ দল। আর অনুশীলনের কেন্দ্রে থাকার চেষ্টা মিরাজের। সতীর্থদের নানা মন্ত্রে উজ্জীবিত করার সব চেষ্টাই করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক। আগামীকাল সিরিজ দিয়েই ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে নতুন যাত্রা শুরু হচ্ছে মিরাজের। অধিনায়ক হিসেবে তিনি চেষ্টা করছেন ওয়ানডেতে ‘নতুন’ এক বাংলাদেশকে উপস্থাপন করতে।
বয়সভিত্তিক দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে মিরাজের। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই কিনা নেতৃত্বের দায়িত্বটা ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখছেন তিনি। শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার আগে আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিরাজ বলেছিলেন, ‘হঠাৎ আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। চেষ্টা করব বাংলাদেশের জন্য ভালো কিছু অর্জন করতে। আশা করি, আমরা ভালো একটা অবস্থান তৈরি করতে পারব (ওয়ানডেতে)।’
এই আশাবাদ ব্যক্ত করার পর শুনিয়েছেন বিভিন্ন অধিনায়কের নেতৃত্বে খেলে শেখার কথা। মাশরাফি বিন মর্তুজার কাছ থেকে ‘ম্যান ম্যানেজমেন্ট’, সাকিব আল হাসানের কাছ থেকে ‘ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেওয়া’র ব্যাপার আর তামিম ইকবালের নেতৃত্বে শিখেছেন দলীয় ক্রিকেটারদের ওপর কীভাবে বিশ্বাস রাখতে হয়। দলের সবাই যখন নিজ নিজ জায়গা থেকে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে, তখনই ভালো করে দল। দল যখন একটা ইউনিট হয়ে খেলে, তখন দলের নেতৃত্বে কে, সেটা বড় কোনো বিষয় নয়—নেতৃত্ব নিয়ে এমনই দর্শন মিরাজের।
তবে এমন সময়ে নেতৃত্বের বোঝা কাঁধে তুলে নিয়েছেন মিরাজ, যখন বাংলাদেশ ক্রিকেটের পাঁচ সিনিয়রের একজনও নেই। তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ঘোষণা দিয়েই বিদায় নিয়েছেন। মাশরাফি বিন মর্তুজা তাঁদেরও আগে থেকে ক্রিকেটের বাইরে, যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি ক্রিকেট ছাড়ার। সাকিব আল হাসানও দীর্ঘদিন দলের বাইরে। আবার যে কখনো ফিরবেন, সেই সম্ভাবনাও ক্ষীণ। এই চারজনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অধ্যায় শেষ বললেও ভুল হবে না। বাকি ছিলেন শুধু মুশফিক। তিনিও টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিয়েছেন। খেলছেন শুধু টেস্ট সংস্করণে। পঞ্চপাণ্ডবের দুজন—মাহমুদউল্লাহ-মুশফিক সর্বশেষ খেলেছিলেন আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে।
১৮ বছর পর এই তারকাদের ছাড়াই প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল। তাঁদের ছাড়াই মাঝেমধ্যে ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। তবে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর বিদায়ের পর এটাই প্রথম সিরিজ। পাঁচ সিনিয়র দৃশ্যপট থেকে চলে যাওয়ার পর নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের। সেটিও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, যাদের বিপক্ষে কত স্মৃতি। বিশ্বকাপে ম্যাথুসের সেই ‘টাইমড আউট’, নিদাহাস ট্রফিতে তিসারা পেরেরাদের সঙ্গে তর্ক লেগে যাওয়া মাহমুদউল্লাহ কিংবা মুশফিকুর রহিমের ‘নাগিন নাচ’—দুই দেশের লড়াইয়ে তাঁদের কতশত স্মৃতি!
এসব ঘটনাই বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট লড়াইয়ে নতুন এক মাত্রা এনে দিয়েছে। লঙ্কানদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাঁচ রান সংগ্রাহকের তালিকায় আছেন মাশরাফি ছাড়া বাকি চার সিনিয়রই। বর্তমানে কেউই নেই সেরা পাঁচে। সর্বোচ্চ ১,২০৭ রান মুশফিকের। টেস্টের মতো ওয়ানডেতেও লঙ্কানদের পেলে জ্বলে ওঠে মুশফিকের ব্যাট। তাঁর অনুপস্থিতি তাই অনুভূত হওয়ারই কথা!
তবে মুশফিকদের অনুপস্থিতি যদি নতুনেরা ভালো খেলা অনুভূত না হতে দেন, তখনই সত্যিকারের নতুন একটা দল হয়ে উঠবে বাংলাদেশ। কলম্বোর প্রেমাদাসায় সেই বাংলাদেশকে দেখা যাবে কি?

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১৫ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
৩ ঘণ্টা আগে