
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) থেকে অনেক বড় শাস্তিই পেলেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক ক্লাব ক্রিকেটার রিজওয়ান জাভেদ। দুর্নীতির দায়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সাড়ে ১৭ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়ে গেলেন এই ক্রিকেটার। জাভেদের বিরুদ্ধে সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) দুর্নীতিবিরোধী ৫টি আইন ভাঙার অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনা ২০২১ আবুধাবি টি-টেন লিগের। সেই টুর্নামেন্টে দুর্নীতির সঙ্গে জড়ানোর দায়ে রিজওয়ানসহ আট ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে গত বছরের সেপ্টেম্বরে অভিযোগ এনেছিল আইসিসি। তার মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের নাসির হোসেনও। সেই নাসিরকে এ বছরের জানুয়ারিতে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ২ বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আইসিসি।
আইসিসির নৈতিক বিভাগের মহাব্যবস্থাপক অ্যালেক্স মার্শাল বলেন, ‘পেশাদার ক্রিকেটারদের বারবার দুর্নীতিতে প্ররোচনা দেওয়ার জন্য রিজওয়ান জাভেদ লম্বা সময়ের জন্য নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন। দুর্নীতিবাজদের জন্য এটা কঠিন এক বার্তা দিল যারা যেকোনো পর্যায়ের ক্রিকেটারদের শিকারে পরিণত করার চেষ্টা করছে। দুর্নীতিতে জড়ানোর জন্য এসব প্ররোচনা কঠোরভাবে দমন করা হবে।’
যেসব ধারা ভাঙার অপরাধে জাভেদকে অভিযুক্ত করা হয়েছে—
২.১.১
২০২১ আবুধাবি টি-টেন লিগে ম্যাচ পাতানোর সঙ্গে জড়িত থাকা (তিনটি আলাদা ঘটনা)।
২.১.৩
দুর্নীতিতে জড়িত হতে অন্য খেলোয়াড়কে উপহারের প্রস্তাব দেওয়া
২.১.৪
প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ২.১ নম্বর ধারা ভাঙতে কাউকে উৎসাহিত করা, প্ররোচনা দেওয়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে কাজে লাগানো
২.৪.৪
দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কোনো প্রস্তাব বা আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা ডিএসিওকে বিস্তারিত জানাতে না পারার ব্যর্থতা
২.৪.৬
ডিএসিওর তদন্ত কাজে যথাযথভাবে সহযোগিতা করতে না পারার ব্যর্থতা বা অস্বীকার করা
২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন রিজওয়ান। তখন ১৪ দিনের মধ্যে তাঁকে এর জবাব দিতে বলা হয়েছিল। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ক্লাব ক্রিকেটার জবাব দিতে পারেননি দেখে নিষিদ্ধ হয়েছেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) থেকে অনেক বড় শাস্তিই পেলেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক ক্লাব ক্রিকেটার রিজওয়ান জাভেদ। দুর্নীতির দায়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সাড়ে ১৭ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়ে গেলেন এই ক্রিকেটার। জাভেদের বিরুদ্ধে সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) দুর্নীতিবিরোধী ৫টি আইন ভাঙার অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনা ২০২১ আবুধাবি টি-টেন লিগের। সেই টুর্নামেন্টে দুর্নীতির সঙ্গে জড়ানোর দায়ে রিজওয়ানসহ আট ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে গত বছরের সেপ্টেম্বরে অভিযোগ এনেছিল আইসিসি। তার মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের নাসির হোসেনও। সেই নাসিরকে এ বছরের জানুয়ারিতে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ২ বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আইসিসি।
আইসিসির নৈতিক বিভাগের মহাব্যবস্থাপক অ্যালেক্স মার্শাল বলেন, ‘পেশাদার ক্রিকেটারদের বারবার দুর্নীতিতে প্ররোচনা দেওয়ার জন্য রিজওয়ান জাভেদ লম্বা সময়ের জন্য নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন। দুর্নীতিবাজদের জন্য এটা কঠিন এক বার্তা দিল যারা যেকোনো পর্যায়ের ক্রিকেটারদের শিকারে পরিণত করার চেষ্টা করছে। দুর্নীতিতে জড়ানোর জন্য এসব প্ররোচনা কঠোরভাবে দমন করা হবে।’
যেসব ধারা ভাঙার অপরাধে জাভেদকে অভিযুক্ত করা হয়েছে—
২.১.১
২০২১ আবুধাবি টি-টেন লিগে ম্যাচ পাতানোর সঙ্গে জড়িত থাকা (তিনটি আলাদা ঘটনা)।
২.১.৩
দুর্নীতিতে জড়িত হতে অন্য খেলোয়াড়কে উপহারের প্রস্তাব দেওয়া
২.১.৪
প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ২.১ নম্বর ধারা ভাঙতে কাউকে উৎসাহিত করা, প্ররোচনা দেওয়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে কাজে লাগানো
২.৪.৪
দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কোনো প্রস্তাব বা আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা ডিএসিওকে বিস্তারিত জানাতে না পারার ব্যর্থতা
২.৪.৬
ডিএসিওর তদন্ত কাজে যথাযথভাবে সহযোগিতা করতে না পারার ব্যর্থতা বা অস্বীকার করা
২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন রিজওয়ান। তখন ১৪ দিনের মধ্যে তাঁকে এর জবাব দিতে বলা হয়েছিল। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ক্লাব ক্রিকেটার জবাব দিতে পারেননি দেখে নিষিদ্ধ হয়েছেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের চলমান জটিলতা আপাতত দূর হয়েছে। রাতে বিসিবি-ক্রিকেটারদের সভায় বিপিএল শুক্রবার থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভা শেষে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু সংবাদমাধ্যমকে বলেন...
২ ঘণ্টা আগে
খেলা বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ক্রিকেটাররা। ফিরতে চান খেলায়। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (বিসিবি)।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশের ক্রিকেটে গুমোট একটা পরিবেশ চলছে বেশ কয়েকদিন ধরে। প্রথমে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার ইস্যুর পর এবার মুখোমুখি অবস্থানে বিসিবি ও ক্রিকেটাররা। বিবাদের আঁচ পড়ছে একের পর এক। এমন অবস্থায় ঐক্যের ডাক দিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
৬ ঘণ্টা আগে
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি এখনো। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) স্থগিত করার দিক যাচ্ছে বিসিবি। বিসিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরও খেলোয়াড়েরা যেহেতু খেলা বয়কটের ঘোষণা থেকে সরে আসেননি, বিপিএল বন্ধ করে দেওয়ার দিকেই যাচ্ছে বিসিবি।
৬ ঘণ্টা আগে