
যে শ্রীলঙ্কা থেকে একটা যতিচিহ্ন পড়েছিল, সেই লঙ্কায় নতুন শুরুর অপেক্ষায় নাঈম শেখ। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপে বাজে পারফরম্যান্সে বিষাক্ত ট্রলের শিকার নাঈম এতটাই মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন, তরুণ ওপেনার প্রায় দুই বছর পর আবার জাতীয় দলে ফিরে নিজের মানসিক শক্তিই শুধু প্রমাণ করেননি, স্কিলেও বিশেষ পরিবর্তন এনেছেন বলেই জানালেন।
কলম্বোয় রওনা দেওয়ার দুই দিন আগে আজকের পত্রিকাকে নাঈম বলেন, ‘কখনোই অতীত নিয়ে ভাবি না। যা চলে গেছে, সেটা ফিরে আসে না। আমি বর্তমানেই বাঁচি।’
কয়েক মৌসুম ধরে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে গড়ে তুলেছেন। ধারাবাহিক রান করেছেন, শিখেছেন, নিজেকে ঢেলে সাজিয়েছেন। শ্রীলঙ্কায় ওয়ানডে সিরিজ খেলতে যাওয়ার আগে নাঈম আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বলেন, ‘যখন অফ-ফর্মে ছিলাম, তখন নিজের দুর্বলতা নিয়ে কাজ করেছি। ফুটওয়ার্ক, শট সিলেকশন—সবকিছুতে উন্নতির চেষ্টা করেছি।’ দুই বছরে একটা উপলব্ধি হয়েছে তাঁর। নাঈম বললেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টিকে থাকতে গেলে এখন শুধু স্কিল নয়, মানসিক দিক থেকেও শক্ত হতে হয়। আমি এখন নিজেকে আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত ও আত্মবিশ্বাসী মনে করি।’
একসময়ে নাঈমকে তাঁর ফুটওয়ার্কের ঘাটতি নিয়ে কম সমালোচনা হয়নি। ফুটওয়ার্ক নিয়ে সেই সমালোচকদের যেন একহাতই নিলেন নাঈম, ‘যারা সমালোচনা করে, তারা করবেই। আমি এসব নিয়ে ভাবি না। আমি শেষ কয়েকটা লিগে অনেক রান করেছি। যদি পায়ের সমস্যা থাকত, তাহলে এত রান করা সম্ভব হতো না। কেউ যদি বলেন আমার পা নেই, তাহলে বলতেই হয়, পা না থাকাই ভালো! পায়ের ওপর ভর করেই এত রান করা যায়। সে পা থাকলেই কি, না থাকলেই কি!’
প্রায় দুই বছর জাতীয় দলের বাইরে থাকার সময় নাঈম শুধু খেলেই যাননি, নিজেকে ভেঙে গড়েছেন বারবার। নিজের পরিবর্তন নিয়ে নাঈম আরও খুলেই বললেন, ‘সমালোচনা আমি ইতিবাচকভাবে নিয়েছি। বিশ্ব ক্রিকেটের বড় তারকারাও তো এমন সময়ের ভেতর দিয়ে গিয়েছেন। আমি সেখান থেকে শিক্ষা নিয়েছি। আমি এখন এমন একটা জায়গায় পৌঁছেছি, যেখানে নেতিবাচক কিছু আমাকে আর প্রভাবিত করে না।’
নতুন এই শুরুতে নাঈম খেলতে যাচ্ছেন মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে। এর আগেও ঘরোয়া ক্রিকেটে মিরাজের অধীনে খেলেছেন নাঈম। অধিনায়ক মিরাজকে নিয়ে বাঁহাতি ওপেনার বললেন, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটে মিরাজ ভাইয়ের নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি খেলেছি। এখন যদি আন্তর্জাতিক ম্যাচেও তাঁর অধীনে খেলার সুযোগ পাই, সেটা হবে অসাধারণ ব্যাপার। তিনি আমার খুব চেনা মানুষ। একজন ইতিবাচক মানসিকতার অধিনায়ক। আমি নিজেও পজিটিভ ভাবনা নিয়ে চলি, তাই তাঁর নেতৃত্বে খেলতে পারলে নিঃসন্দেহে উপভোগ করব।’
ঘরোয়া ক্রিকেটের রানের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যর্থ, এই উদাহরণ দিতে এনামুল হক বিজয়ের নাম এখন সবার আগে আসবে। নাঈমও জাতীয় দলে ফিরেছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক ভালো খেলে। বিজয় ব্যর্থ হওয়ার পর নাঈমের এখন দেশে ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফরম্যান্সের প্রতি আস্থা ফেরানোর তাড়া।

৯ অক্টোবর আবুধাবিতে শুরু হবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজের একমাত্র টেস্ট। তার আগে মরুর বুকে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন সৌম্য সরকার-মেহেদী হাসান মিরাজরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম দিনটা বাংলাদেশের জন্য অম্লমধুরই বলা চলে।
৮ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান গেমসে ব্যর্ধতার ষোলোকলা পূর্ণ করল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিশিনে গতকাল শ্রীলঙ্কার ৬২ রানে হেরে ব্রোঞ্জও পেল না বাংলাদেশ। হারের পর লিটন দাস জাপানে খাবারদাবার নিয়ে অজুহাত সামনে এনেছেন। অধিনায়কের মুখে এমন কথা শুনে অসন্তুষ্ট খালেদ মাহমুদ সুজন।
৯ ঘণ্টা আগে
ওয়ানডের অন্যতম সেরা ফিনিশারের নাম বললে মাইকেল বেভান, মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলিরা থাকবেন ওপরের তালিকায়। ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিপক্ষের কাছ থেকে অনেকবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে এড়ালেন ধবলধোলাই। পাহাড়সমান লক্ষ্য থাকলেও ঘাবড়ে যাননি তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সপ্তম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাঁর সেঞ্চুরিতে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে আছে স্বাগতিক চট্টগ্রাম। রাজশাহীর অর্ধেকেরও বেশি রান চট্টগ্রাম করে ফেলেছে কোনো উইকেট না হারিয়ে। চট্টগ্রাম দ্বিতীয় দিনটা স্বস্তিতে
১১ ঘণ্টা আগে