
২১ জানুয়ারি বা আগামীকালই কি আইসিসি জানিয়ে দিচ্ছে, বাংলাদেশের ভাগ্যে কী আছে। বিশ্বকাপ আদৌ খেলা হবে, নাকি নিজেদের চাওয়ামতো শ্রীলঙ্কায় খেলার সুযোগ হবে। বিসিবির একাধিক পরিচালক গতকাল জানিয়েছেন, তাঁদের ২১ জানুয়ারির কোনো ডেডলাইন জানা নেই। তবে এটা ঠিক, এ সপ্তাহেই চলে আসতে পারে সিদ্ধান্ত। বিশ্বকাপে খেলা না খেলা নিয়ে এখন উদ্বেগ নিয়ে অপেক্ষা বাংলাদেশ ক্রিকেটের।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচগুলো নিরাপত্তার কারণে ভারতে নয়, শ্রীলঙ্কায় খেলতে চায় বাংলাদেশ। এই বিষয়ে কয়েক দফা চিঠি চালাচালি ও আলোচনা হয়েছে আইসিসি-বিসিবির মধ্যে। ১৭ জানুয়ারি ঢাকায় এসেছিলেন আইসিসির প্রতিনিধি। নিরাপত্তার শঙ্কা থাকায় সরকারের নির্দেশ মেনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল বিসিবি।
পরশু রাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ক্রিকইনফো জানায়, বিসিবিকে ২১ জানুয়ারি, অর্থাৎ আগামীকাল পর্যন্ত সময় দিয়েছে আইসিসি। এই সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত থেকে সরে না এলে বাংলাদেশকে ছাড়াই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। বিসিবিকে কোনো ডেডলাইন দেওয়া হয়নি বলেই জানিয়েছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন।
গতকাল সংবাদমাধ্যমকে আমজাদ হোসেন বলেন, ‘১৭ জানুয়ারি আইসিসির একজন প্রতিনিধি আসেন। তাঁর সঙ্গে আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়। আইসিসির প্রতিনিধির সঙ্গে আমাদের বিস্তারিত আলোচনা হয়। তিনি আমাদের বলেন, ঠিক আছে। এই বিষয়গুলো আইসিসিতে অবহিত করবেন। এরপর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে আইসিসি। এই বিষয়ে প্রতিনিধি কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা কবে নাগাদ জানাবেন, কিছুই বলেননি। শুধু বলেছেন, পরবর্তী তারিখটা কবে হবে, সেটা আমাদের জানিয়ে দেবেন।’
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বাংলাদেশকে নিয়ে চলমান অচলাবস্থায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বিকল্প দল হিসেবে স্কটল্যান্ডকে ভেবে রেখেছে আইসিসি। বিশ্বকাপে যেসব দল জায়গা করে নিতে পারেনি, তাদের মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে সবার ওপরে স্কটিশরা। বাংলাদেশের বিকল্প হিসেবে সে কারণেই তাদের এগিয়ে রাখা হয়েছে। তবে স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড বিবিসিকে জানিয়েছে, বাংলাদেশের বিকল্প হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আইসিসির সঙ্গে এখনো কোনো কথা হয়নি।
তবে দিন যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের চাওয়া পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা ততই যেন ক্ষীণ হয়ে আসছে। সে ক্ষেত্রে ভারতে খেলতে না যাওয়ার ব্যাপারে বিসিবি অনড় অবস্থান ধরে রাখলে বিশ্বকাপের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।
বাংলাদেশকে ছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হলে বিসিবির অবশ্যই অনেক বড় ক্ষতি। তবে ভারতকেও এর পারিপার্শ্বিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। ২০২৮ এলএ অলিম্পিকে ফিরছে ক্রিকেট। বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কাছে ভিন্ন বার্তা দেবে। ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করছে ভারত। সেটিতেও এই ধরনের ঘটনার প্রভাব থাকতে পারে। ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনে আগ্রহী ভারত। অলিম্পিক বিডিংয়ে নেতিবাচক প্রভাব হয়তো পড়বে।
আর বাংলাদেশের সাধারণ দর্শকদের ক্ষোভের ঢেউ সামলানোও হয়তো কঠিন হয়ে পড়বে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে, বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় পাকিস্তান। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে বলা তাদের পক্ষে কঠিন। কারণ, পাকিস্তানের জন্য হাইব্রিড মডেল আছে। এই ইস্যুতে কোনোভাবে পাকিস্তানের সরাসরি সম্পৃক্ততাও নেই। আয়োজকেরা এখন হিসাবনিকাশ করছে, বাংলাদেশকে বাদ দিলে আইসিসিকে কী কী আইনগত চ্যালেঞ্জ বা জটিলতায় পড়তে হতে পারে। সেসব চিন্তাভাবনা করতেই এতটা সময় লাগছে। বিসিবির এক পরিচালক গতকাল বলছিলেন, ‘বিষয়টা যদি এতই সহজ হতো, তাহলে ভারত সিদ্ধান্ত শুরুর দু-তিনের মধ্যে জানিয়ে দিত। পরিস্থিতি খুব জটিল বলেই এতটা সময় লাগছে। তবে সিদ্ধান্ত দ্রুতই আসতে হবে। বিশ্বকাপের খুব বেশি সময় নেই হাতে।’
আগের সূচি অনুযায়ী, ২৮ জানুয়ারি বেঙ্গালুরুতে যাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ দলের। সেখানে নামিবিয়া ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে কলকাতায় শুরু বিশ্বকাপ অভিযান। সবই এখন ঝুলছে অনিশ্চয়তার সুতায়, দুরুদুরু অপেক্ষা বাংলাদেশ ক্রিকেটের।

সবশেষ ২০২৪ অনূর্ধ্ব-২০ সাফে নেপালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। ঠিক তার পরের বছর (২০২৫ অনূর্ধ্ব-২০ সাফ) ভারতের কাছে হেরে শিরোপা হারানোর বেদনায় পুড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। আজ বাংলাদেশ নামবে প্রতিশোধের লড়াইয়ে। মালদ্বীপের মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় শুরু হবে অনূর্ধ্ব-২০ সাফের বাংলাদেশ-ভা
১৭ মিনিট আগে
অর্ধেক কাজ বার্সেলোনা সেরে রেখেছিল ২৫ মার্চ। নারী চ্যাম্পিয়নস লিগে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে আলফ্রেডো ডি স্টেফানো স্টেডিয়ামে স্বাগতিক রিয়াল মাদ্রিদকে ৬-২ গোলে হারিয়েছিল বার্সা। গত রাতে দ্বিতীয় লেগেও গুনে গুনে ৬ গোল দিয়েছে বার্সেলোনা।
৪১ মিনিট আগে
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে হার দিয়ে শেষ হয়েছে বাংলাদেশের এশিয়ান কাপ বাছাই। সহজেই বলা গেলেও এর ভেতর লুকিয়ে আছে হতাশা, আক্ষেপ, ভুলভ্রান্তি আর খানিকটা প্রাপ্তি। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, বাংলাদেশ পারেনি মূল পর্বে টিকিট কাটতে। ৬ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে থেকে মিশন শেষ করেছেন হামজা-শমিতরা।
১ ঘণ্টা আগে
সিঙ্গাপুর নয়, গত ৩১ মার্চ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচটিতে জয়ী দল হতে পারত বাংলাদেশ। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ মুহুর্মুহু আক্রমণ করে সিঙ্গাপুরের রক্ষণভাগে। শেষ পর্যন্ত হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় হামজা চৌধুরী-শমিত সোমদের।
২ ঘণ্টা আগে