নিজস্ব প্রতিবেদক

২০০৬ সালে প্রথম টেস্ট অভিষেকের পর মুশফিকুর রহিম টেস্ট খেলেছেন ৮০টি, যা বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ। এদিকে মুশফিকের প্রায় পাঁচ বছর পর টেস্ট অভিষেক হওয়া বিরাট কোহলির টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা শতক ছাড়িয়েছে। মুশফিক ও কোহলির টেস্ট সংখ্যাই বলে দিচ্ছে বাংলাদেশ তুলনামূলক কম টেস্ট খেলার সুযোগ পায়।
এবার সেই আক্ষেপ কিছুটা ঘুচতে যাচ্ছে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কল্যাণে। ২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত চার বছর মেয়াদে ৪০টির বেশি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ, যার বেশিরভাগই আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। সঙ্গে ৭০টির বেশি ওয়ানডে এবং ৭৬টির বেশি টি-টোয়েন্টি খেলবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ২০২৩ থেকে ২০২৭ সালের সম্ভাব্য এফটিপিতে এমনটা জানা গেছে।
এবারের এফটিপিতে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোয় সিরিজ খেলতে যাওয়ার সুযোগ পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, সেটির ইঙ্গিত মিলেছিল গত সপ্তাহে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর কথায়। দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সর্বশেষ ইংল্যান্ডে গিয়েছিল ২০১০ সালে। আর অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিল ২০০৮ সালে।
নতুন এফটিপিতে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী, ‘বিষয়গুলো আমাদের বিবেচনায় আছে। এটি সমাধান করার জন্য আমরা বোর্ডগুলোর সঙ্গে কথা বলেছি। বেশ কিছু ইতিবাচক দিক আমরা পেয়েছি। আশা করছি পরবর্তী এফটিপি যেটা আসবে, তাতে কিছু প্রতিফলন দেখা যাবে।’

২০০৬ সালে প্রথম টেস্ট অভিষেকের পর মুশফিকুর রহিম টেস্ট খেলেছেন ৮০টি, যা বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ। এদিকে মুশফিকের প্রায় পাঁচ বছর পর টেস্ট অভিষেক হওয়া বিরাট কোহলির টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা শতক ছাড়িয়েছে। মুশফিক ও কোহলির টেস্ট সংখ্যাই বলে দিচ্ছে বাংলাদেশ তুলনামূলক কম টেস্ট খেলার সুযোগ পায়।
এবার সেই আক্ষেপ কিছুটা ঘুচতে যাচ্ছে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কল্যাণে। ২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত চার বছর মেয়াদে ৪০টির বেশি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ, যার বেশিরভাগই আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। সঙ্গে ৭০টির বেশি ওয়ানডে এবং ৭৬টির বেশি টি-টোয়েন্টি খেলবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ২০২৩ থেকে ২০২৭ সালের সম্ভাব্য এফটিপিতে এমনটা জানা গেছে।
এবারের এফটিপিতে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোয় সিরিজ খেলতে যাওয়ার সুযোগ পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, সেটির ইঙ্গিত মিলেছিল গত সপ্তাহে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর কথায়। দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সর্বশেষ ইংল্যান্ডে গিয়েছিল ২০১০ সালে। আর অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিল ২০০৮ সালে।
নতুন এফটিপিতে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী, ‘বিষয়গুলো আমাদের বিবেচনায় আছে। এটি সমাধান করার জন্য আমরা বোর্ডগুলোর সঙ্গে কথা বলেছি। বেশ কিছু ইতিবাচক দিক আমরা পেয়েছি। আশা করছি পরবর্তী এফটিপি যেটা আসবে, তাতে কিছু প্রতিফলন দেখা যাবে।’

ইএসপিএনক্রিকইনফোসহ ভারতের আরও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ডেডলাইন ঠিক করে দিয়েছে আইসিসি। তবে বিষয়টির সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন বিসিবির বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন।
২ ঘণ্টা আগে
ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজ আর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) চলছে একই সমান্তরালে। ওয়ানডে সিরিজ শেষে দুই দল এবার মুখোমুখি হবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। তবে জিমি নিশামের কাছে ভারত সিরিজের চেয়ে বিপিএলের গুরুত্ব বেশি।
৩ ঘণ্টা আগে
নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে কোনোভাবেই ভারতে দল পাঠাবে না সংস্থাটি। শেষ পর্যন্ত বিসিবি নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসলে আইসিসিও বিকল্প ভেবে রেখেছে। আইসিসির সূত্রের বরাত দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে এএফপি।
৩ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। যদি বাংলাদেশ না খেলে, সেক্ষেত্রে পাকিস্তানও বিশ্বকাপে খেলবে না বলে গতকাল পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তাতে সালমান আলী আগা-ফাহিম আশরাফদের বিশ্বকাপ বয়কট
৪ ঘণ্টা আগে