
৩ ওয়ানডে ও ৩ টি-টোয়েন্টি খেলতে ভারতের বাংলাদেশ সফরের কথা ছিল গত বছরের আগস্টে। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনে সিরিজটি পিছিয়ে এ বছরের সেপ্টেম্বরে আনা হয়। এবারও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনায় আবারও প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে গেছে ভারতের বাংলাদেশ সফরের পাশে। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডই তাকিয়ে নিজেদের সরকারের দিকে।
প্রস্তাবিত ভারত সফরের ২৯ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর সময় রেখেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সংশোধিত সূচি অনুযায়ী, ওয়ানডে তিনটি হওয়ার কথা ছিল ১, ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর। ৯, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর তিনটি টি-টোয়েন্টি। ভারতীয় দলের বাংলাদেশে পা রাখার কথা ছিল ২৮ আগস্ট। সময় ঘনিয়ে এলেও ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে নিশ্চয়তা মেলেনি দুই বোর্ডের কারও পক্ষ থেকেই। কদিন আগে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল গিয়েছিলেন ভারত সফরে। সেখান থেকে দুবাইয়ে যোগ দিয়েছিলেন আইসিসির একটি সভায়। দুই সফরে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে তামিম কথা বলেছেন সিরিজ নিয়ে। কিন্তু বিসিসিআই থেকে কোনো নিশ্চয়তা তিনি পাননি। বিসিসিআই তাকিয়ে তাদের সরকারের দিকে। সফরটি ভারত সরকারের নির্দেশনা ও অনুমোদনের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল।
৫ আগস্ট ভারতের নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে একটি কড়া বিবৃতি দেয়। এসব ঘটনায় বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডও সিরিজটি নিয়ে খুব একটা আশার আলো দেখছে না। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বার্তা আসেনি কোনো বোর্ডের পক্ষ থেকেই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে বিসিসিআইয়ের শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে বোর্ড এককভাবে সফর নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। এ বিষয়ে সরকারের দিকনির্দেশনা চাইছে। বিসিবি এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিসিআইকে চিঠি দিয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন ওই কর্মকর্তা। প্রস্তাবিত সিরিজ নিয়ে দুই বোর্ডের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ চলছে বলে আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন বিসিবির এক শীর্ষ কর্মকর্তা। তিনি বলেছেন, ‘চাইলেও আমরা হোস্ট করতে পারব না বা তারাও আসতে পারবে না। এটা বোর্ড-টু-বোর্ডের ওপর নির্ভর করছে না। বিষয়টি জি-টু-জি (দুই সরকারের)। তবে ক্রিকেট কূটনীতিতে ভারতীয় বোর্ডের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক যথেষ্ট ভালো।’
ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই আশার কথা শুনিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। গতকাল কমলাপুর স্টেডিয়াম পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। ভারতের হাইকমিশন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী কাজ করছেন। আমাদের একটু সময় দেন। কাজটি চলমান রয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের ভেতরে আমরা সমাধান করতে পারব।’
দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কে বড় টানাপোড়েন দেখা গিয়েছিল গত জানুয়ারিতে, যখন বিসিসিআইয়ের নির্দেশে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) দল থেকে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় বাংলাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এর কয়েক দিনের মধ্যে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ এবং বাংলাদেশ সরকারের পরামর্শের কথা উল্লেখ করে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারত সফর না করার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আইসিসির কাছে আবেদন করে তারা। এর প্রভাব আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। মোস্তাফিজুরকে ঘিরে ওই বিতর্কের পর বাংলাদেশ সরকার দেশে আইপিএলের সম্প্রচার ও প্রচারণা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।
মার্চে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন সেই বোর্ড ভেঙে দেওয়ার পর তামিম ইকবালের নেতৃত্ব নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন হওয়ার পর দুই বোর্ডের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক আগের জায়গায় ফিরলেও নতুন করে রাজনৈতিক টানাপোড়েনে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ভারতের বাংলাদেশ সফর।

আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) চেয়ারম্যান ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভির। তাতেই মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে নতুন করে ট্রফি নাটকের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হলেও মারনাস লাবুশেনের ওপর আস্থা হারায়নি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য ঘোষিত টেস্ট দলে জায়গা ধরে রেখেছেন এই ব্যাটার। যদিও ওয়ানডে দল থেকে বাদ পড়েছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
ভ্যালেন্সিয়াকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে লা লিগায় টানা চতুর্থ জয় তুলে নিয়েছে বার্সেলোনা। মেস্তায়ায় ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলা কাতালানরা গোল উৎসব করলেও কোচ হান্সি ফ্লিক মনে করেন, দলের পারফরম্যান্সে এখনো উন্নতির জায়গা আছে।
২ ঘণ্টা আগে
নারী এশিয়া কাপের শুরুটা দারুণ হয়েছিল পাকিস্তানের। প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৫ রানে হারিয়েছিল ফাতিমা সানারা। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাত্র ৫৫ রানে অলআউট হয়ে ৭ উইকেটে হেরেছে দলটি। দুই ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ দুই পয়েন্ট। সেমিফাইনালে যেতে হলে আজ হংকংয়ের বিপক্ষে ন্যূনতম হার এড়ালেই চলবে পাকি
৩ ঘণ্টা আগে