নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

এমনিতে ওয়ানডে ও টি টোয়েন্টিতে তিনে ব্যাটিং করেন সাকিব আল হাসান। সর্বশেষ টি টোয়েন্টি সিরিজে অবশ্য এই পজিশনে লিটন দাসকে দিয়ে চেষ্টা করছে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। সংযুক্ত আরব আমিরাতে সেই সিরিজে দলেও ছিলেন না সাকিব। আজ একাদশে ফিরে বাংলাদেশ অধিনায়ক ব্যাটিং করেছেন সাত নম্বর পজিশনে।
লিটনের কারণে তিনে ব্যাটিং না করলেও সাকিবের সাত নম্বরে নামা বেশ বিস্ময়ই ছড়িয়েছে। তবে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর নিচের দিকে ব্যাটিংয়ে নামার ব্যাখা দিয়েছেন তিনি। সাকিব জানিয়েছেন, ডানহাতি বাঁহাতি কম্বিনেশনের কারণেই সাত নম্বরে নামেন তিনি। ম্যাচ শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সাকিব বলেন, 'আমার আরও ওপরের দিকে ব্যাট করার কথা ছিল। কিন্তু দুই স্পিনার বোলিং করছিল এবং আমরা ডানহাতি-বাঁহাতি সমন্বয় চেয়েছিলাম।'
তবে চাইলেই চার নম্বরে নামতে পারতেন সাকিব। মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নামেন নাজমুল হোসেন শান্ত। মিরাজের বিদায়ে উইকেটে আসেন লিটন। লিটন যখন আউট হন তখন নামেন আফিফ হোসেন। মাঠে তখন দুই বাঁহাতি শান্ত ও আফিফ। অবশ্য কোনো কৌশলই কাজে লাগেনি বাংলাদেশের। নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারিয়ে কোনোমতে ১৩৭ রান তুলে বাংলাদেশ। লক্ষ্যটা ১৭.৫ ওভারে পেরিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। হারায় মাত্র ২টি উইকেট।
আরেকটি হারের ব্যাখ্যায় সাকিব বলেন, 'আমার মনে হয়, ব্যবহৃত উইকেটে তাদের (নিউজিল্যান্ড) স্পিনাররা ভালো বোলিং করেছে। আমরা ভালো সূচনা করেছি, কিছু বড় শট খেলার চেষ্টা করেছি। তবে মাঝখানে কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ফেলি। এরপর আর কখনো মোমেন্টাম ফিরে পাইনি। সেরা চার ব্যাটারের মধ্যে অন্তত দুই জনকে ১৫-১৬ ওভার পর্যন্ত খেলতে হতো।'
অমন অসহায় আত্মসমর্পণোর পরও ইতিবাচক দিক দেখছেন সাকিব। তিনি বলেন, 'বোলাররা উভয় ম্যাচেই ভালো করেছে এবং ফিল্ডিংও ভালো হয়েছে। এগুলো ইতিবাচক দিক। যদিও আমাদের ব্যাটিংয়ে কাজ করতে হবে। আপনি যখন ম্যাচ হারছেন তখন শক্তির মাত্রা বেশি রাখা কঠিন, কিন্তু আমরা বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে মোমেন্টাম পেতে চাই।'
ত্রিদেশীয় এ সিরিজে আরও দুটি ম্যাচ বাকি আছে বাংলাদেশের। সেই ম্যাচে ভালো করতে চান জানিয়ে সাকিব বলেন, 'আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব। আমাদের সামনে আরও কয়েকটি ম্যাচ রয়েছে। সেগুলো দিনের খেলা এবং আমাদের জন্য আরও ভালো হতে পারে।'

এমনিতে ওয়ানডে ও টি টোয়েন্টিতে তিনে ব্যাটিং করেন সাকিব আল হাসান। সর্বশেষ টি টোয়েন্টি সিরিজে অবশ্য এই পজিশনে লিটন দাসকে দিয়ে চেষ্টা করছে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। সংযুক্ত আরব আমিরাতে সেই সিরিজে দলেও ছিলেন না সাকিব। আজ একাদশে ফিরে বাংলাদেশ অধিনায়ক ব্যাটিং করেছেন সাত নম্বর পজিশনে।
লিটনের কারণে তিনে ব্যাটিং না করলেও সাকিবের সাত নম্বরে নামা বেশ বিস্ময়ই ছড়িয়েছে। তবে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর নিচের দিকে ব্যাটিংয়ে নামার ব্যাখা দিয়েছেন তিনি। সাকিব জানিয়েছেন, ডানহাতি বাঁহাতি কম্বিনেশনের কারণেই সাত নম্বরে নামেন তিনি। ম্যাচ শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সাকিব বলেন, 'আমার আরও ওপরের দিকে ব্যাট করার কথা ছিল। কিন্তু দুই স্পিনার বোলিং করছিল এবং আমরা ডানহাতি-বাঁহাতি সমন্বয় চেয়েছিলাম।'
তবে চাইলেই চার নম্বরে নামতে পারতেন সাকিব। মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নামেন নাজমুল হোসেন শান্ত। মিরাজের বিদায়ে উইকেটে আসেন লিটন। লিটন যখন আউট হন তখন নামেন আফিফ হোসেন। মাঠে তখন দুই বাঁহাতি শান্ত ও আফিফ। অবশ্য কোনো কৌশলই কাজে লাগেনি বাংলাদেশের। নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারিয়ে কোনোমতে ১৩৭ রান তুলে বাংলাদেশ। লক্ষ্যটা ১৭.৫ ওভারে পেরিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। হারায় মাত্র ২টি উইকেট।
আরেকটি হারের ব্যাখ্যায় সাকিব বলেন, 'আমার মনে হয়, ব্যবহৃত উইকেটে তাদের (নিউজিল্যান্ড) স্পিনাররা ভালো বোলিং করেছে। আমরা ভালো সূচনা করেছি, কিছু বড় শট খেলার চেষ্টা করেছি। তবে মাঝখানে কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ফেলি। এরপর আর কখনো মোমেন্টাম ফিরে পাইনি। সেরা চার ব্যাটারের মধ্যে অন্তত দুই জনকে ১৫-১৬ ওভার পর্যন্ত খেলতে হতো।'
অমন অসহায় আত্মসমর্পণোর পরও ইতিবাচক দিক দেখছেন সাকিব। তিনি বলেন, 'বোলাররা উভয় ম্যাচেই ভালো করেছে এবং ফিল্ডিংও ভালো হয়েছে। এগুলো ইতিবাচক দিক। যদিও আমাদের ব্যাটিংয়ে কাজ করতে হবে। আপনি যখন ম্যাচ হারছেন তখন শক্তির মাত্রা বেশি রাখা কঠিন, কিন্তু আমরা বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে মোমেন্টাম পেতে চাই।'
ত্রিদেশীয় এ সিরিজে আরও দুটি ম্যাচ বাকি আছে বাংলাদেশের। সেই ম্যাচে ভালো করতে চান জানিয়ে সাকিব বলেন, 'আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব। আমাদের সামনে আরও কয়েকটি ম্যাচ রয়েছে। সেগুলো দিনের খেলা এবং আমাদের জন্য আরও ভালো হতে পারে।'

নায়ক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল রিশাদ হোসেনের সামনে। শেষ বলে ছক্কা মারলেই হোবার্ট হারিকেনস পেত রোমাঞ্চকর এক জয়। কিন্তু বোলিংয়ে মুগ্ধতা ছড়ানো রিশাদ ব্যাটিংয়ে সেটা করে দেখাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ব্রিসবেন হিটের কাছে ৩ রানে হেরে গেছে হোবার্ট হারিকেনস।
৪ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
৩ ঘণ্টা আগে