নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

১২৭ রান নিয়েও আফগানিস্তানের বিপক্ষে দারুণ লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সাকিব আল হাসানরা। ১৪ ওভার পর্যন্ত ম্যাচের পরিস্থিতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন তাঁরা। তবে ভিন্ন গল্পটা লিখছেন আফগানিস্তানের দুই ব্যাটার ইব্রাহিম জাদরান ও নাজিবুল্লাহ জাদরান। তাঁদের ৩১ বলে ৬৯ রানের জুটিতে জয়ের দেখা পায় আফগানরা। জিতেই সুপার ফোরে সবার আগে উঠল তাঁরা।
আজ শারজাতে আগে ব্যাটিং করে স্কোর বোর্ডে ১২৭ রান তোলে বাংলাদেশ। রান তাড়ায় ৯ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্য পেরিয়ে যায় আফগানরা।
স্বল্প লক্ষ্য দিয়ে শুরুতেই অ্যাটাকে আসেন সাকিব। বাংলাদেশ অধিনায়কের স্পিনে চাপে পড়েন আফগান ব্যাটাররা। চাপে ঠিকমতো দাঁড়াতেও পারেননি তাঁরা। ১৫ রানে সাকিবের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে স্ট্যাম্পড হন রহমতউল্লাহ গুরবাজ (১১)।
শুরুর চাপে আরেক ওপেনার রহমতউল্লাহ জাজাঈর সঙ্গে জুটি বাঁধেন ইব্রাহিম জাদরান। তাঁদের ৩০ রানে জুটি ভাঙে জাজাঈ (২৩) ফিরলে। মোসাদ্দেকের দারুণ এক ডেলিভারিতে প্যাডঅন হন তিনি। ততক্ষণে নিজের সবকয়টি ওভার শেষ করে চাপ বাড়িয়ে দেন সাকিব।
তৃতীয় উইকেটের জুটিটা খুবটা বড় হতে দেননি লম্বা সময় পর দলে ফেরা সাইফউদ্দিন। মোহাম্মদ নবীকে বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে এলবিডব্লুতে ফেরান তিনি। ৮ রানে ফেরেন আফগান অধিনায়ক।
একপাশে উইকেট হারালেও চাপে নার্ভ ঠিকই ধরে রেখেছিলেন তিনে আসা ইব্রাহিম জাদরান। চতুর্থ উইকেটের জুটিতে নাজিবুউল্লাহ জাদরানকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচের পরিস্থিতি বদলে দেন ইব্রাহিম। তাসিকন, মোস্তাফিজ, সাইফউদ্দিনদের ওপর তোপ ঝেড়ে ম্যাচের পরিস্থিতি নিজেদের দিকে নিয়ে আসেন তাঁরা। এতেই দারুণ জয়ে সুপার ফোরে জায়গা করে নেয় আফগানরা। ৪২ রানে অপরাজিত ইব্রাহিমের সঙ্গী নাজিবুল্লাহ করেন ৪৩ রান।
এর আগে বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুতে থেকে বেশ নড়বড়ে দেখা যায় ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও এনামুল হক বিজয়কে। দু’জনের জুটিটা স্থায়ী হলো না। যে নাঈমকে ঘিরে আশার কথা বলেছিলেন টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট শ্রীধরন শ্রীরাম। সেই নাঈম ফেরেন ব্যক্তিগত ৬ রানে। স্পিনার মুজিব উর রহমানের সোজা বলে বোল্ড হন তিনি।
দলীয় ১৩ রানের মাথায় ফেরেন আরেক ওপেনার বিজয়। মুজিবের নীচু হয়ে আসা ডেলিভারি আড়াআড়ি খেলতে গিয়ে ব্যাট মিস করে তিনি। আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব অবশ্য আউট দেননি। মুজিব উৎসাহী ছিলেন শুরু থেকেই, তবে নবী রিভিউ নেন একেবারে শেষ মুহূর্তে গিয়ে। সফলও হলো আফগানিস্তান। মুজিবের দ্বিতীয় শিকার হলেন তিনি।
৫ ওভারে আসা নতুন বোলার নাবিন উল হককে পরপর দুটি চার মেরে দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। নিজের শততম টি-টোয়েন্টিটা রাঙাতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। মুজিবের সোজা ডেলিভারি বুঝতে পারেননি তিনিও। ১১ রান করে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। কিছুক্ষণ পরই ফেরেন মুশফিকুর রহিমও। রশিদ খানের বলে প্যাডঅন হন তিনি।
২৮ রানে চার ব্যাটারকে হারানোর পর দলের হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। তাঁদের জুটিতে ফিফটি পার করে বাংলাদেশ। তবে ২৫ রানের এই জুটি ভাঙে আফিফ (১২) ফিরলে। ষষ্ঠ উইকেটে একপাশ আগলে রাখা রিয়াদের সঙ্গে দারুণভাবে রানের চাকা এগিয়ে নেন মোসাদ্দেক হোসেন। তাঁদের ৩৬ রানের জুটি ভাঙে রিয়াদের ফেরাতে। রশিদ খানের তৃতীয় শিকার হন রিয়াদ (২৫)।
উইকেট আসা যাওয়ার মাঝেও বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন মোসাদ্দেক। ইনিংসের একমাত্র ছক্কাটিও আসে তাঁর ব্যাটে। ১৭ তম ওভারে দ্বিতীয় বলটি ডিপ থার্ডম্যান দিয়ে চার হাঁকিয়ে দলীয় শতক পূর্ণ করেন মোসাদ্দেক। সপ্তম উইকেটে শেখ মেহেদীকে নিয়ে ১২৭ রানের পুঁজি এনে দেন এই ব্যাটার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ
২০ ওভারে ১২৭ /৭
মোসাদ্দেক ৪৮ *, মাহমুদউল্লাহ ২৫
মুজিব ৩ / ১৬, রশিদ ৩ / ২২
আফগানিস্তান
১৮.৩ ওভারে ১৩১ /৩
নাজিবুল্লাহ ৪৩ *, ইব্রাহিম ৪২ *
মোসাদ্দেক ১ / ১২, সাকিব ১ / ১৩
ফল: আফগানিস্তান ৭ উইকেটে জয়ী

১২৭ রান নিয়েও আফগানিস্তানের বিপক্ষে দারুণ লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সাকিব আল হাসানরা। ১৪ ওভার পর্যন্ত ম্যাচের পরিস্থিতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন তাঁরা। তবে ভিন্ন গল্পটা লিখছেন আফগানিস্তানের দুই ব্যাটার ইব্রাহিম জাদরান ও নাজিবুল্লাহ জাদরান। তাঁদের ৩১ বলে ৬৯ রানের জুটিতে জয়ের দেখা পায় আফগানরা। জিতেই সুপার ফোরে সবার আগে উঠল তাঁরা।
আজ শারজাতে আগে ব্যাটিং করে স্কোর বোর্ডে ১২৭ রান তোলে বাংলাদেশ। রান তাড়ায় ৯ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্য পেরিয়ে যায় আফগানরা।
স্বল্প লক্ষ্য দিয়ে শুরুতেই অ্যাটাকে আসেন সাকিব। বাংলাদেশ অধিনায়কের স্পিনে চাপে পড়েন আফগান ব্যাটাররা। চাপে ঠিকমতো দাঁড়াতেও পারেননি তাঁরা। ১৫ রানে সাকিবের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে স্ট্যাম্পড হন রহমতউল্লাহ গুরবাজ (১১)।
শুরুর চাপে আরেক ওপেনার রহমতউল্লাহ জাজাঈর সঙ্গে জুটি বাঁধেন ইব্রাহিম জাদরান। তাঁদের ৩০ রানে জুটি ভাঙে জাজাঈ (২৩) ফিরলে। মোসাদ্দেকের দারুণ এক ডেলিভারিতে প্যাডঅন হন তিনি। ততক্ষণে নিজের সবকয়টি ওভার শেষ করে চাপ বাড়িয়ে দেন সাকিব।
তৃতীয় উইকেটের জুটিটা খুবটা বড় হতে দেননি লম্বা সময় পর দলে ফেরা সাইফউদ্দিন। মোহাম্মদ নবীকে বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে এলবিডব্লুতে ফেরান তিনি। ৮ রানে ফেরেন আফগান অধিনায়ক।
একপাশে উইকেট হারালেও চাপে নার্ভ ঠিকই ধরে রেখেছিলেন তিনে আসা ইব্রাহিম জাদরান। চতুর্থ উইকেটের জুটিতে নাজিবুউল্লাহ জাদরানকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচের পরিস্থিতি বদলে দেন ইব্রাহিম। তাসিকন, মোস্তাফিজ, সাইফউদ্দিনদের ওপর তোপ ঝেড়ে ম্যাচের পরিস্থিতি নিজেদের দিকে নিয়ে আসেন তাঁরা। এতেই দারুণ জয়ে সুপার ফোরে জায়গা করে নেয় আফগানরা। ৪২ রানে অপরাজিত ইব্রাহিমের সঙ্গী নাজিবুল্লাহ করেন ৪৩ রান।
এর আগে বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুতে থেকে বেশ নড়বড়ে দেখা যায় ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও এনামুল হক বিজয়কে। দু’জনের জুটিটা স্থায়ী হলো না। যে নাঈমকে ঘিরে আশার কথা বলেছিলেন টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট শ্রীধরন শ্রীরাম। সেই নাঈম ফেরেন ব্যক্তিগত ৬ রানে। স্পিনার মুজিব উর রহমানের সোজা বলে বোল্ড হন তিনি।
দলীয় ১৩ রানের মাথায় ফেরেন আরেক ওপেনার বিজয়। মুজিবের নীচু হয়ে আসা ডেলিভারি আড়াআড়ি খেলতে গিয়ে ব্যাট মিস করে তিনি। আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব অবশ্য আউট দেননি। মুজিব উৎসাহী ছিলেন শুরু থেকেই, তবে নবী রিভিউ নেন একেবারে শেষ মুহূর্তে গিয়ে। সফলও হলো আফগানিস্তান। মুজিবের দ্বিতীয় শিকার হলেন তিনি।
৫ ওভারে আসা নতুন বোলার নাবিন উল হককে পরপর দুটি চার মেরে দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। নিজের শততম টি-টোয়েন্টিটা রাঙাতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। মুজিবের সোজা ডেলিভারি বুঝতে পারেননি তিনিও। ১১ রান করে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। কিছুক্ষণ পরই ফেরেন মুশফিকুর রহিমও। রশিদ খানের বলে প্যাডঅন হন তিনি।
২৮ রানে চার ব্যাটারকে হারানোর পর দলের হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। তাঁদের জুটিতে ফিফটি পার করে বাংলাদেশ। তবে ২৫ রানের এই জুটি ভাঙে আফিফ (১২) ফিরলে। ষষ্ঠ উইকেটে একপাশ আগলে রাখা রিয়াদের সঙ্গে দারুণভাবে রানের চাকা এগিয়ে নেন মোসাদ্দেক হোসেন। তাঁদের ৩৬ রানের জুটি ভাঙে রিয়াদের ফেরাতে। রশিদ খানের তৃতীয় শিকার হন রিয়াদ (২৫)।
উইকেট আসা যাওয়ার মাঝেও বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন মোসাদ্দেক। ইনিংসের একমাত্র ছক্কাটিও আসে তাঁর ব্যাটে। ১৭ তম ওভারে দ্বিতীয় বলটি ডিপ থার্ডম্যান দিয়ে চার হাঁকিয়ে দলীয় শতক পূর্ণ করেন মোসাদ্দেক। সপ্তম উইকেটে শেখ মেহেদীকে নিয়ে ১২৭ রানের পুঁজি এনে দেন এই ব্যাটার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ
২০ ওভারে ১২৭ /৭
মোসাদ্দেক ৪৮ *, মাহমুদউল্লাহ ২৫
মুজিব ৩ / ১৬, রশিদ ৩ / ২২
আফগানিস্তান
১৮.৩ ওভারে ১৩১ /৩
নাজিবুল্লাহ ৪৩ *, ইব্রাহিম ৪২ *
মোসাদ্দেক ১ / ১২, সাকিব ১ / ১৩
ফল: আফগানিস্তান ৭ উইকেটে জয়ী

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যতই এগিয়ে আসছে, ততই খারাপ হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি ও বিসিসিআই) সম্পর্ক। গতকাল রাতে ক্রিকবাজ জানিয়েছিল, চলমান দোলাচলে লিটন দাসদের ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তন করার প্রস্তাব দেবে আইসিসি। তবে বিষয়টি নিয়ে কোনো তথ্য নেই বিসিসিআইয়ের কাছে।
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা নিয়ে এবার নিল নতুন মোড়। এখন পর্যন্ত বিসিবি ও আইসিসির পক্ষ থেকে আসেনি কোনো অগ্রগতি। সম্প্রতি ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো চেন্নাই ও কেরালায় সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। তবে বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন নতুন খবর। বাংলাদে
২ ঘণ্টা আগে
টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সেরা ব্যাটারদের একজন মনে করা হয় স্টিভ স্মিথকে। এই সংস্করণে প্রায় ১১০০০ রানের মালিক তিনি। যেভাবে এগোচ্ছেন তাতে ব্যাট-প্যাড তুলে রাখার পর কিংবদন্তির তকমা পাবেন সেটা বলাই যায়। রিশাদ হোসেনের চোখেও তাই স্মিথ একজন কিংবদন্তি।
২ ঘণ্টা আগে
টুর্নামেন্টের প্রথম অংশটা কী দারুণ ছিল রংপুর রাইডার্সের। প্রথম ৫ ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জিতেছে রংপুর। যার মধ্যে ছিল হ্যাটট্রিক জয়ের কীর্তিও। নুরুল হাসান সোহানের নেতৃত্বাধীন রংপুর এবার চোখে সর্ষেফুল দেখছে। সিলেট স্টেডিয়ামে আজ রংপুর রাইডার্সকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্স।
৩ ঘণ্টা আগে