ভারতের অন্যতম সফল কোচদের একজন রবি শাস্ত্রী। সংযুক্ত আরব আমিরতে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে শেষ হয়েছে তাঁর দুই মেয়াদে ভারতের কোচের যাত্রা। ঘরের বাইরে তাঁর সময়েই দুর্দান্ত এক দলে পরিণত হয় ভারত। যদিও সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে রাহুল দ্রাবিড়ের কোচিংয়ে টেস্ট-ওয়ানডে দুই সিরিজই হেরেছে তারা।
ভারতের কোচ হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপে থাকার সুযোগ হয়েছে শাস্ত্রীর। তবে বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার সুযোগ হয়নি তাঁর। তবে বিশ্বকাপ জেতাকেই সাফল্যের চূড়ান্ত মানতে নারাজ শাস্ত্রী। এটাকে ব্যর্থতা হিসেবেও দেখতে চান না তিনি। তাঁর মতে, ‘গাঙ্গুলি, দ্রাবিড়, লক্ষ্মণ, রোহিতের মতো বড় খেলোয়াড়েরা বিশ্বকাপ জেতেনি। তার মানে এটা নয় যে তারা খারাপ খেলোয়াড়। আমাদের মাত্র দুজন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আছে। এমনকি টেন্ডুলকারও একটি বিশ্বকাপ জেতার আগে ছয়টিতে হেরেছিল।’
ঘরের বাইরে ভারত নিয়মিত জিততে শিখেছে শাস্ত্রীর কোচিংয়ের মেয়াদকালে। এই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পরপর দুটি টেস্ট সিরিজ জেতে ভারত। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ ছাড়াও কোচ হিসেবে শাস্ত্রীর সাফল্য বেশ ঈর্ষণীয়। বিশ্বকাপ দিয়ে একজন খেলোয়াড়কে বিচার করা ঠিক না জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ দিয়ে কাউকে বিচার করা ঠিক না। বিচার করা উচিত তার খেলা দিয়ে, খেলাটায় সে কেমনভাবে প্রতিনিধিত্ব করছে এবং এতে তার কতটা উদ্যম আছে।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২০ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে