ক্রীড়া ডেস্ক

ভারতীয় ক্রিকেট দল উল্লাস করতে ব্যস্ত। কিন্তু বিরাট কোহলির কারণে মুহূর্তেই তা হরিষে বিষাদে পরিণত হয়। কারণ, তিনি সংকেত দিয়েছেন যে ক্যাচটা তিনি মিস করেছেন। এমন লোপ্পা ক্যাচ কোহলির হাতছাড়া করাটা বিশ্বাসই করতে পারেননি জসপ্রীত বুমরা-লোকেশ রাহুলরা।
তারকা ক্রিকেটারদের ভুল শোধরানোর উপায়টাও তো জানা। মারনাস লাবুশেনেকে জীবন দিলেও কোহলির হাত থেকে এরপর নিস্তার পাননি উসমান খাজা। অস্ট্রেলিয়ারও হোঁচট খাওয়ার শুরু এখান থেকেই। ভারতের আক্রমণে দিশেহারা অস্ট্রেলিয়া পার্থে প্রথম দিন শেষ করেছে ৭ উইকেটে ৬৭ রানে। এখনো তারা পিছিয়ে ৮৩ রানে। দিনে যে ১৭ উইকেট পড়েছে, সব উইকেটই নিয়েছেন পেসাররা।
১৫০ রানে ভারত অলআউট হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার উদ্বোধনী জুটি ভেঙে যায় ১৪ রানে। অজিদের প্রথম ইনিংসের তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে অভিষিক্ত নাথান ম্যাকসুইনির বিপক্ষে এলবিডব্লিউর আবেদন করেন বুমরা। আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউর মাধ্যমে উইকেটটি পায় ভারত। একই ওভারের পঞ্চম বলে ভারত পেতে পারত দ্বিতীয় উইকেট। তবে দ্বিতীয় স্লিপে কোহলি দুই হাতে ক্যাচ ধরলেও শেষ মুহূর্তে হাত গলে মাটিতে পড়ে যায়। লাবুশেনে তখনো রানের খাতা খুলতে পারেননি।
প্রায়শ্চিত্ত করার সুযোগ কোহলি পেয়েছেন দ্রুতই। সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে উসমান খাজার উইকেট নিয়েছেন বুমরা। স্লিপেই ক্যাচটা ধরেন কোহলি। খাজা ১৯ বলে করেন ৮ রান। ঠিক তার পরের বলেই স্টিভ স্মিথকে লেগবিফোরের ফাঁদে ফেলেন বুমরা। স্মিথ গোল্ডেন ডাক মারলে অস্ট্রেলিয়া পরিণত হয় ৩ উইকেটে ১৯ রানে। পাঁচ নম্বরে ট্রাভিস হেড আক্রমণাত্মক খেলতে গিয়ে উইকেট খুইয়েছেন। ১৩ বলে ২ চারে ১১ রান করেন হেড। ১২তম ওভারের প্রথম বলে হেডকে বোল্ড করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উইকেটের হালখাতা খোলেন হারশিত রানা।
হেড ফেরার পর আরও এক দফা ধস নামে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে। ৪ উইকেটে ৩১ রান থেকে মুহূর্তেই ৭ উইকেটে ৫৯ রানে পরিণত হয় স্বাগতিকেরা। একপ্রান্তে চীনের মহাপ্রাচীরের মতো আঁকড়ে থাকা লাবুশেনকে (৫২ বলে ২ রান) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মোহাম্মদ সিরাজ। প্রথম দিনে অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং করেছে ২৭ ওভার। উইকেটরক্ষক ব্যাটার অ্যালেক্স ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত। ২৮ বলের ইনিংসে মেরেছেন ৩ চার। স্টার্ক ব্যাটিং করছেন ৬ রানে। বুমরা নিয়েছেন ৪ উইকেট। ১০ ওভারে খরচ করেন ১৭ রান, ৪ ওভার মেডেনও দিয়েছেন। সিরাজ নিয়েছেন ২ উইকেট।
নিয়মিত অধিনায়ক রোহিত শর্মা না থাকায় ভারতকে পার্থে সিরিজের প্রথম টেস্টে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জসপ্রীত বুমরা। টস জিতে বুমরা নিয়েছেন ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত। তবে অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের সুইং ও গতিতে যেন চোখে সর্ষেফুল দেখতে থাকে ভারত। ৭৩ রানেই হারায় ৬ উইকেট। এমন পরিস্থিতিতে সপ্তম উইকেটে ৮৫ বলে ৪৮ রানের জুটি গড়েন নীতিশ কুমার রেড্ডি ও ঋষভ পন্ত। ১২১ রানে ভারত সপ্তম উইকেট হারালেও এই উইকেট হারাতে পারত ৯৭ রানে। ৩৯তম ওভারের চতুর্থ বলে মিচেল স্টার্ককে তুলে মারতে যান পন্ত। মিড অন থেকে উল্টো দিকে দৌড়েও ক্যাচ ধরতে পারেননি প্যাট কামিন্স। পন্তের রান তখন ২৬।
জীবন পাওয়া পন্তকে ফিরিয়ে জুটি ভেঙেছেন কামিন্সই। ৪৬তম ওভারের পঞ্চম বলে কামিন্স নিয়েছেন পন্তের উইকেট। দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ ধরেন স্মিথ। ৭৮ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৭ রান করেন পন্ত। পন্ত-রেড্ডির জুটি ভাঙার পর বড় স্কোর আর করতে পারেনি ভারত। ২৯ রানে শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানে অলআউট সফরকারীরা। ইনিংস সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন রেড্ডি। ৫৯ বলের ইনিংসে মেরেছেন ৬ চার ও ১ ছক্কা। অস্ট্রেলিয়ার সেরা বোলার হ্যাজলউড দিয়েছেন ৪ উইকেট। স্টার্ক, কামিন্স, মিচেল মার্শ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। যেখানে স্টার্ক ১১ ওভার বোলিং করে ১৪ রান দিয়েছেন।

ভারতীয় ক্রিকেট দল উল্লাস করতে ব্যস্ত। কিন্তু বিরাট কোহলির কারণে মুহূর্তেই তা হরিষে বিষাদে পরিণত হয়। কারণ, তিনি সংকেত দিয়েছেন যে ক্যাচটা তিনি মিস করেছেন। এমন লোপ্পা ক্যাচ কোহলির হাতছাড়া করাটা বিশ্বাসই করতে পারেননি জসপ্রীত বুমরা-লোকেশ রাহুলরা।
তারকা ক্রিকেটারদের ভুল শোধরানোর উপায়টাও তো জানা। মারনাস লাবুশেনেকে জীবন দিলেও কোহলির হাত থেকে এরপর নিস্তার পাননি উসমান খাজা। অস্ট্রেলিয়ারও হোঁচট খাওয়ার শুরু এখান থেকেই। ভারতের আক্রমণে দিশেহারা অস্ট্রেলিয়া পার্থে প্রথম দিন শেষ করেছে ৭ উইকেটে ৬৭ রানে। এখনো তারা পিছিয়ে ৮৩ রানে। দিনে যে ১৭ উইকেট পড়েছে, সব উইকেটই নিয়েছেন পেসাররা।
১৫০ রানে ভারত অলআউট হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার উদ্বোধনী জুটি ভেঙে যায় ১৪ রানে। অজিদের প্রথম ইনিংসের তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে অভিষিক্ত নাথান ম্যাকসুইনির বিপক্ষে এলবিডব্লিউর আবেদন করেন বুমরা। আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউর মাধ্যমে উইকেটটি পায় ভারত। একই ওভারের পঞ্চম বলে ভারত পেতে পারত দ্বিতীয় উইকেট। তবে দ্বিতীয় স্লিপে কোহলি দুই হাতে ক্যাচ ধরলেও শেষ মুহূর্তে হাত গলে মাটিতে পড়ে যায়। লাবুশেনে তখনো রানের খাতা খুলতে পারেননি।
প্রায়শ্চিত্ত করার সুযোগ কোহলি পেয়েছেন দ্রুতই। সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে উসমান খাজার উইকেট নিয়েছেন বুমরা। স্লিপেই ক্যাচটা ধরেন কোহলি। খাজা ১৯ বলে করেন ৮ রান। ঠিক তার পরের বলেই স্টিভ স্মিথকে লেগবিফোরের ফাঁদে ফেলেন বুমরা। স্মিথ গোল্ডেন ডাক মারলে অস্ট্রেলিয়া পরিণত হয় ৩ উইকেটে ১৯ রানে। পাঁচ নম্বরে ট্রাভিস হেড আক্রমণাত্মক খেলতে গিয়ে উইকেট খুইয়েছেন। ১৩ বলে ২ চারে ১১ রান করেন হেড। ১২তম ওভারের প্রথম বলে হেডকে বোল্ড করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উইকেটের হালখাতা খোলেন হারশিত রানা।
হেড ফেরার পর আরও এক দফা ধস নামে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে। ৪ উইকেটে ৩১ রান থেকে মুহূর্তেই ৭ উইকেটে ৫৯ রানে পরিণত হয় স্বাগতিকেরা। একপ্রান্তে চীনের মহাপ্রাচীরের মতো আঁকড়ে থাকা লাবুশেনকে (৫২ বলে ২ রান) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মোহাম্মদ সিরাজ। প্রথম দিনে অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং করেছে ২৭ ওভার। উইকেটরক্ষক ব্যাটার অ্যালেক্স ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত। ২৮ বলের ইনিংসে মেরেছেন ৩ চার। স্টার্ক ব্যাটিং করছেন ৬ রানে। বুমরা নিয়েছেন ৪ উইকেট। ১০ ওভারে খরচ করেন ১৭ রান, ৪ ওভার মেডেনও দিয়েছেন। সিরাজ নিয়েছেন ২ উইকেট।
নিয়মিত অধিনায়ক রোহিত শর্মা না থাকায় ভারতকে পার্থে সিরিজের প্রথম টেস্টে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জসপ্রীত বুমরা। টস জিতে বুমরা নিয়েছেন ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত। তবে অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের সুইং ও গতিতে যেন চোখে সর্ষেফুল দেখতে থাকে ভারত। ৭৩ রানেই হারায় ৬ উইকেট। এমন পরিস্থিতিতে সপ্তম উইকেটে ৮৫ বলে ৪৮ রানের জুটি গড়েন নীতিশ কুমার রেড্ডি ও ঋষভ পন্ত। ১২১ রানে ভারত সপ্তম উইকেট হারালেও এই উইকেট হারাতে পারত ৯৭ রানে। ৩৯তম ওভারের চতুর্থ বলে মিচেল স্টার্ককে তুলে মারতে যান পন্ত। মিড অন থেকে উল্টো দিকে দৌড়েও ক্যাচ ধরতে পারেননি প্যাট কামিন্স। পন্তের রান তখন ২৬।
জীবন পাওয়া পন্তকে ফিরিয়ে জুটি ভেঙেছেন কামিন্সই। ৪৬তম ওভারের পঞ্চম বলে কামিন্স নিয়েছেন পন্তের উইকেট। দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ ধরেন স্মিথ। ৭৮ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৭ রান করেন পন্ত। পন্ত-রেড্ডির জুটি ভাঙার পর বড় স্কোর আর করতে পারেনি ভারত। ২৯ রানে শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানে অলআউট সফরকারীরা। ইনিংস সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন রেড্ডি। ৫৯ বলের ইনিংসে মেরেছেন ৬ চার ও ১ ছক্কা। অস্ট্রেলিয়ার সেরা বোলার হ্যাজলউড দিয়েছেন ৪ উইকেট। স্টার্ক, কামিন্স, মিচেল মার্শ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। যেখানে স্টার্ক ১১ ওভার বোলিং করে ১৪ রান দিয়েছেন।

রিয়াল মাদ্রিদের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র সাত মাস পরই বরখাস্ত হলেন জাবি আলোনসো। গতকাল স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে বার্সেলোনার কাছে হার এবং লা লিগার পয়েন্ট টেবিলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে ৪ পয়েন্ট পিছিয়ে থাকার প্রেক্ষাপটে ‘পারস্পরিক সমঝোতার’ ভিত্তিতে ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন...
৮ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ভারতে খেলার মতো পরিস্থিতি নেই— আজ বিকেলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এমনটাই বলেছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
১০ ঘণ্টা আগে
নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স রীতিমতো উড়ছে। জয় দিয়েই তারা সিলেট পর্ব শেষ করেছে। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আজ ঢাকা ক্যাপিটালসকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে রাজশাহী।শুধু তাই নয়, রাজশাহীর জয়ে ২০২৬ বিপিএলে তিন দলের প্লে অফে ওঠা নিশ্চিত হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা নিজেদের কাছেই রেখে দিল বার্সেলোনা। এবারও তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে। মাঠে যতই তারা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হোক না কেন, চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনাকে ‘গার্ড অব অনার’ দিতে প্রস্তুত ছিল রিয়াল।
১১ ঘণ্টা আগে