ক্রীড়া ডেস্ক

বয়স মাত্র ১৪ বছর। এই ১৪ বছর বয়সে আইপিএল অভিষেকে রেকর্ড বই ওলটপালট করলেন বৈভব সূর্যবংশী। ভারতের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত এক শুরুর রাতে তাঁর দুচোখ বেয়ে পড়েছে অশ্রু।
জয়পুরের সাওয়াই মানসিংহ স্টেডিয়ামে গত রাতে আইপিএলে অভিষেক হয়েছে সূর্যবংশী। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের পেসার শার্দুল ঠাকুরকে ডিপ এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে তুলে মারলেন সূর্যবংশী। শট যে ছক্কা হচ্ছে, সেটা বলের গতিপথ দেখেই বোঝা গেছে। আর এই বল আকাশে ভাসা অবস্থাতেই ধারাভাষ্যকক্ষে থাকা মুরালি কার্তিক লম্বা এক টানে ‘ওওও.....’ উচ্চারণ করলেন। মূলত ১৪ বছর বয়সী সূর্যবংশীর ছক্কা রীতিমতো অবাক করেছে কার্তিককে। শেষ পর্যন্ত সূর্যবংশীর ছক্কা আছড়ে পড়ল গ্যালারিতে থাকা টাটা কার্ভ ইভি গাড়ির ঠিক পরেই।
রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতে গত রাতে খেলতে নেমেই সূর্যবংশী করেছেন রেকর্ড। ১৪ বছর ২৩ দিন বয়সে খেলতে নেমে আইপিএল ইতিহাসে অভিষেকেই সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার বনে গেলেন তিনি। এই রেকর্ডই নয়, আরও দুটি রেকর্ড গড়েছেন সূর্যবংশী। সবচেয়ে কম বয়সে আইপিএলে ছক্কা মারার কীর্তি গড়েছেন তিনি। তাতে ভেঙেছেন তাঁর আইপিএল সতীর্থ রিয়ান পরাগের রেকর্ড। রাজস্থানের জার্সিতে পরাগ ছক্কা মেরেছিলেন ১৭ বছর ১৬১ দিনে। গত রাতে সূর্যবংশীর দলের অধিনায়ক ছিলেন পরাগ। আর দশম ক্রিকেটার হিসেবে ছক্কা দিয়ে আইপিএল ক্যারিয়ার শুরুর রেকর্ড গড়েন সূর্যবংশী।
Murali Karthik gotta be the worst commentator one could have for this moment. 😩 https://t.co/1sNScdooJ7
— Febin (@febinvthomas) April 19, 2025
আইপিএলে অভিষেকে রেকর্ডের রাতে ২০ বলে ৩৪ রান করেছেন সূর্যবংশী। ২ চার ও ৩ ছক্কা মেরেছেন। এইডেন মার্করামের অসাধারণ এক কুইকারে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন সূর্যবংশী। ক্ষিপ্রতার সঙ্গে স্টাম্পিং করেন লক্ষ্ণৌ উইকেটরক্ষক ঋষভ পন্ত। ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় সূর্যবংশীর চোখের কোণায় দেখা গেছে অশ্রু। ধারাভাষ্যকক্ষে থাকা কার্তিক বলেন, ‘সবার প্রথম বলটা যেভাবে খেলল সে, আমার মনে হয়েছে তার (সূর্যবংশী) চোখে অশ্রু দেখা গেছে। সে কাঁদছিল।’
সূর্যবংশীর চোখের পানিই যে গত রাতে রাজস্থানের প্রতীকী ছবি হয়ে গেছে শেষ পর্যন্ত। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেওয়া লক্ষ্ণৌ করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮০ রান। জয়ের লক্ষ্যে নামা রাজস্থানের শেষ ওভারে হাতে ৬ উইকেট নিয়ে দরকার ছিল ৯ রান। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৭৮ রানে থেমে যায় রাজস্থানের ইনিংস। ২ রানের জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে লক্ষ্ণৌ এখন পয়েন্ট টেবিলের চার নম্বরে। আর ৮ ম্যাচে ২ জয় ও ৬ পরাজয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে রাজস্থান অবস্থান করছে আট নম্বরে। লক্ষ্ণৌও খেলেছে ৮ ম্যাচ।
সূর্যবংশীর আগে আইপিএলে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটারের রেকর্ড গড়েছিলেন প্রয়াস রায় বর্মণ। ২০১৯ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে ১৬ বছর ১৫৭ দিন বয়সে খেলতে নেমেছিলেন তিনি। আর সূর্যবংশীসহ রাজস্থান রয়্যালসের তিন ক্রিকেটার ছক্কা মেরে আইপিএল ক্যারিয়ার শুরু করেন। রাজস্থানের অপর দুই ক্রিকেটার হলেন রব কুইনি ও কেভন কুপার। আন্দ্রে রাসেল, ক্রেগ ব্র্যাথওয়েট, জ্যাভন সার্লস, অনিকেত চৌধুরী, সিদ্ধেশ লাদ, মাহিশ তিকশানা, সামির রিজভি—তাঁরাও ছক্কা মেরে আইপিএলে পথচলা শুরু করেন।

বয়স মাত্র ১৪ বছর। এই ১৪ বছর বয়সে আইপিএল অভিষেকে রেকর্ড বই ওলটপালট করলেন বৈভব সূর্যবংশী। ভারতের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত এক শুরুর রাতে তাঁর দুচোখ বেয়ে পড়েছে অশ্রু।
জয়পুরের সাওয়াই মানসিংহ স্টেডিয়ামে গত রাতে আইপিএলে অভিষেক হয়েছে সূর্যবংশী। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের পেসার শার্দুল ঠাকুরকে ডিপ এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে তুলে মারলেন সূর্যবংশী। শট যে ছক্কা হচ্ছে, সেটা বলের গতিপথ দেখেই বোঝা গেছে। আর এই বল আকাশে ভাসা অবস্থাতেই ধারাভাষ্যকক্ষে থাকা মুরালি কার্তিক লম্বা এক টানে ‘ওওও.....’ উচ্চারণ করলেন। মূলত ১৪ বছর বয়সী সূর্যবংশীর ছক্কা রীতিমতো অবাক করেছে কার্তিককে। শেষ পর্যন্ত সূর্যবংশীর ছক্কা আছড়ে পড়ল গ্যালারিতে থাকা টাটা কার্ভ ইভি গাড়ির ঠিক পরেই।
রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতে গত রাতে খেলতে নেমেই সূর্যবংশী করেছেন রেকর্ড। ১৪ বছর ২৩ দিন বয়সে খেলতে নেমে আইপিএল ইতিহাসে অভিষেকেই সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার বনে গেলেন তিনি। এই রেকর্ডই নয়, আরও দুটি রেকর্ড গড়েছেন সূর্যবংশী। সবচেয়ে কম বয়সে আইপিএলে ছক্কা মারার কীর্তি গড়েছেন তিনি। তাতে ভেঙেছেন তাঁর আইপিএল সতীর্থ রিয়ান পরাগের রেকর্ড। রাজস্থানের জার্সিতে পরাগ ছক্কা মেরেছিলেন ১৭ বছর ১৬১ দিনে। গত রাতে সূর্যবংশীর দলের অধিনায়ক ছিলেন পরাগ। আর দশম ক্রিকেটার হিসেবে ছক্কা দিয়ে আইপিএল ক্যারিয়ার শুরুর রেকর্ড গড়েন সূর্যবংশী।
Murali Karthik gotta be the worst commentator one could have for this moment. 😩 https://t.co/1sNScdooJ7
— Febin (@febinvthomas) April 19, 2025
আইপিএলে অভিষেকে রেকর্ডের রাতে ২০ বলে ৩৪ রান করেছেন সূর্যবংশী। ২ চার ও ৩ ছক্কা মেরেছেন। এইডেন মার্করামের অসাধারণ এক কুইকারে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন সূর্যবংশী। ক্ষিপ্রতার সঙ্গে স্টাম্পিং করেন লক্ষ্ণৌ উইকেটরক্ষক ঋষভ পন্ত। ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় সূর্যবংশীর চোখের কোণায় দেখা গেছে অশ্রু। ধারাভাষ্যকক্ষে থাকা কার্তিক বলেন, ‘সবার প্রথম বলটা যেভাবে খেলল সে, আমার মনে হয়েছে তার (সূর্যবংশী) চোখে অশ্রু দেখা গেছে। সে কাঁদছিল।’
সূর্যবংশীর চোখের পানিই যে গত রাতে রাজস্থানের প্রতীকী ছবি হয়ে গেছে শেষ পর্যন্ত। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেওয়া লক্ষ্ণৌ করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮০ রান। জয়ের লক্ষ্যে নামা রাজস্থানের শেষ ওভারে হাতে ৬ উইকেট নিয়ে দরকার ছিল ৯ রান। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৭৮ রানে থেমে যায় রাজস্থানের ইনিংস। ২ রানের জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে লক্ষ্ণৌ এখন পয়েন্ট টেবিলের চার নম্বরে। আর ৮ ম্যাচে ২ জয় ও ৬ পরাজয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে রাজস্থান অবস্থান করছে আট নম্বরে। লক্ষ্ণৌও খেলেছে ৮ ম্যাচ।
সূর্যবংশীর আগে আইপিএলে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটারের রেকর্ড গড়েছিলেন প্রয়াস রায় বর্মণ। ২০১৯ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে ১৬ বছর ১৫৭ দিন বয়সে খেলতে নেমেছিলেন তিনি। আর সূর্যবংশীসহ রাজস্থান রয়্যালসের তিন ক্রিকেটার ছক্কা মেরে আইপিএল ক্যারিয়ার শুরু করেন। রাজস্থানের অপর দুই ক্রিকেটার হলেন রব কুইনি ও কেভন কুপার। আন্দ্রে রাসেল, ক্রেগ ব্র্যাথওয়েট, জ্যাভন সার্লস, অনিকেত চৌধুরী, সিদ্ধেশ লাদ, মাহিশ তিকশানা, সামির রিজভি—তাঁরাও ছক্কা মেরে আইপিএলে পথচলা শুরু করেন।

শীর্ষেই ছিল রংপুর রাইডার্স। কিন্তু চট্টগ্রাম রয়্যালসের দাপটে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের পর্বের লিগ টেবিলের দুইয়ে নেমে যেতে হয়েছে তাদের। হারানো সিংহাসন ফিরে পাওয়ার মিশনে আজ দুপুরে মাঠে নামবে নুরুল হাসান সোহানের দল। তাদের প্রতিপক্ষ রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। বিপিএলে দিনের অপর ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিট
২৭ মিনিট আগে
বর্ণাঢ্য ক্লাব ক্যারিয়ার মোহাম্মদ সালাহর। চেলসি, লিভারপুলের মতো ইউরোপসেরা ক্লাবের হয়ে সম্ভাব্য সব ধরনের শিরোপা জিতেছেন এই ফরোয়ার্ড। কিন্তু কখনো মিসরের হয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরা হয়নি তাঁর। সেই অপেক্ষার পালা শেষ করতে আরেকটি সুযোগ পেয়েছেন তিনি। আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের সেমিফাইনালে উঠেছে সালাহর মিসর।
৪৪ মিনিট আগে
স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে এল ক্লাসিকো দেখতে চাওয়ার আশা পূরণ হয়েছে বার্সেলোনার কোচ হান্সি ফ্লিকের। এখন নির্ভার হয়ে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ ঘিরে পরিকল্পনা আঁটছেন তিনি। তবে ফ্লিকের মতো নির্ভার থাকার সুযোগ নেই জাবি রিয়াল মাদ্রিদের কোচ জাবি আলোনসোর। মাথার ওপর চাপ এবং ভবিষ্যতের শঙ্কা নিয়ে ফাইনালের মঞ্চ
২ ঘণ্টা আগে
নিরাপত্তার কারণে ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে না চাওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এ মুহূর্তে বেশ চাপে আছে। সবচেয়ে বেশি চাপে আছেন সম্ভবত বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিসিআই) কি স্বস্তিতে আছে? উত্তরটা যে হ্যাঁ-সূচক নয়, সেটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরই বলে দিচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে