আজকের পত্রিকা ডেস্ক

৩২ ম্যাচ হয়ে গেছে বিপিএলের। প্লে-অফসহ টুর্নামেন্টের বাকি আর ১৪ ম্যাচ। তো ঘরোয়া এই টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে কেমন করছেন আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা?
এই প্রশ্নের উত্তরে যদি—খুবই ভালো, ভালো, মোটামুটি, খারাপ, খুবই খারাপ—এই পাঁচটি অপশনের মধ্য থেকে একটি বেছে নিলে তা হবে ‘মোটামুটি’কেই! ‘খুবই ভালো’ কিংবা ‘ভালো’—কোনোটিই বেছে না নেওয়ার বড় কারণ, দু-তিনজন ছাড়া জাতীয় দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটারই এই বিপিএলে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলে থাকা পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহীদ হৃদয় কিংবা মুশফিকুর রহিম খুবই বাজে ফর্মে। ইমন ৭ ম্যাচে করেছেন ১০৩ রান। গড় ১৪.৭১।
হৃদয় ৮ ম্যাচে ২২.৪২ গড়ে করেছেন ১৫৭ রান। মুশফিকের ফর্ম আরও বাজে। ৮ ম্যাচে করেছেন ৭৮। ওহ্, ভুলেই গেছি, এই তালিকায় অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর নামটাই প্রথমে আনা উচিত ছিল। ৫ ম্যাচে তাঁর রান ৫৬। অথচ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলের বাইরে থাকা এনামুল হক বিজয় (৩৭৯) কিংবা জাকির হাসানদের (৩৪৮) রান তিন শর বেশি।
ব্যাটারদের ফর্ম যদি এতই খারাপ হয়, তাহলে তো ‘বিপিএলে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা কেমন করছেন’—প্রশ্নের উত্তর হিসেবে ‘খারাপ’কেই বেছে নিতে হয়। কিন্তু সেটি বলার সুযোগ রাখেননি তানজিদ হাসান তামিম কিংবা তাসকিন আহমেদ। চলতি বিপিএলে একজন যে শীর্ষ রান সংগ্রাহক আর আরেকজন শীর্ষ উইকেটশিকারি। ১০ ম্যাচে একটি সেঞ্চুরিসহ সর্বোচ্চ ৪২০ রান করেছেন তানজিদ। গড় ৪৬.৬৬। স্ট্রাইকরেটটাও খারাপ নয়—১৪৩.৮৩।
আর বল হাতে সর্বোচ্চ ২২ উইকেট তাসকিন আহমেদের। এক ম্যাচে তো বিপিএলেরই সেরা বোলিং করেছেন তিনি; মিরপুরে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে ১৯ রানে নিয়েছেন ৭ উইকেট; যা স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতেই তৃতীয় সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড।
বল হাতে তাসকিনের মতো ঔজ্জ্বল্য ছড়াতে পারেননি কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান কিংবা গতির ঝড় তোলা নাহিদ রানা। ১০ ম্যাচে মোস্তাফিজ নিয়েছেন ৯ উইকেট। বোলিং গড় ৩১.৩৩! ডেথ ওভারের বোলার হিসেবে তাঁর যে পরিচিতি, সেটির সঙ্গে মানানসই পারফরম্যান্স খুব কমই দেখাতে পেরেছেন ফিজ। নাহিদ রানা ৮ ম্যাচে নিয়েছেন ১০ উইকেটে। তাঁর ইকোনমি ৮.৫১। উইকেট প্রাপ্তির দিক থেকে মোস্তাফিজ কিংবা নাহিদ রানার চেয়ে এগিয়ে তানজিদ হাসান তামিমই। ৬ ম্যাচে ১১ উইকেট নেওয়া তানজিদের বোলিং গড় ১৯.৪৫। জাতীয় দলের বাইরে থাকা আবু হায়দার রনিরই যেখানে ১৫ উইকেট, সেখানে আরও ভালো করার কথা ছিল মোস্তাফিজ-রানাদের।
এ তো গেল পেসারদের কথা। স্পিনারদের অবস্থা আরও খারাপ। ৭ মাচে নাসুম আহমেদ নিয়েছেন ৭ উইকেট। রিশাদ হোসেন ৫ ম্যাচে ৫ উইকেট। অথচ পাকিস্তানের স্পিন অলরাউন্ডার খুশদিল শাহ নিয়েছেন ১৪ উইকেট। রান খরচায় তাঁর কিপ্টেমিটাও দেখুন—উইকেটপ্রতি গড়ে রান দিয়েছেন ১০.৭১!
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলে থাকা জাকের আলী অবশ্য খারাপ নয়। ফিনিশার হিসেবে সিলেট স্ট্রাইকার্সে খেলা এই ব্যাটার ৯ ম্যাচে করেছেন ১৮৩। গড় ২৬.১৪। স্ট্রাইকরেট ১৪১.৮৬। অলরাউন্ডারের ভূমিকায় সফলই বলা যায় ফরচুন বরিশাল অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজকে। ৯ ম্যাচে ১৩২.৩৬ স্ট্রাইকরেটে করেছেন ২২৯ রান। আর ২৭.৬৬ গড়ে নিয়েছেন ৯ উইকেট। খণ্ডকালীন বোলার মাহমুদউল্লাহ ১ উইকেট নিলেও ৫ ইনিংসে করেছেন ৩৩.৫০ গড়ে ১৩৪ রান।
বোলার ইনিংস উইকেট ইকোনমি
তাসকিন আহমেদ ১০ ২২ ৬.৫৪
তানজিদ হাসান সাকিব ৬ ১১ ৯.১০
নাহিদ রানা ৮ ১০ ৮.৫১
মেহেদী হাসান মিরাজ ৯ ৯ ৮.৫৮
মোস্তাফিজুর রহমান ১০ ৯ ৭.৬৯
নাসুম আহমেদ ৭ ৬ ৭.৫৫
রিশাদ হোসেন ৫ ৫ ৭.৭৮
ব্যাটার ইনিংস রান স্ট্রাইকরেট
তানজিদ হাসান তামিম ১০ ৪২০ ১৪৩.৮৩
মেহেদী হাসান মিরাজ ৯ ২২৯ ১৩২.৩৬
জাকের আলী ৯ ১৮৩ ১৪১.৮৬
তাওহীদ হৃদয় ৭ ১৫৭ ১২৮.৬৮
মাহমুদউল্লাহ ৫ ১৩৪ ১৪২. ৫৫
পারভেজ হোসেন ইমন ৭ ১০৩ ১২৫.৬০
মুশফিকুর রহিম ৫ ৭৮ ১১৮.১৮
নাজমুল হোসেন শান্ত ৫ ৫৬ ১১৯.১৪

৩২ ম্যাচ হয়ে গেছে বিপিএলের। প্লে-অফসহ টুর্নামেন্টের বাকি আর ১৪ ম্যাচ। তো ঘরোয়া এই টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে কেমন করছেন আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা?
এই প্রশ্নের উত্তরে যদি—খুবই ভালো, ভালো, মোটামুটি, খারাপ, খুবই খারাপ—এই পাঁচটি অপশনের মধ্য থেকে একটি বেছে নিলে তা হবে ‘মোটামুটি’কেই! ‘খুবই ভালো’ কিংবা ‘ভালো’—কোনোটিই বেছে না নেওয়ার বড় কারণ, দু-তিনজন ছাড়া জাতীয় দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটারই এই বিপিএলে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলে থাকা পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহীদ হৃদয় কিংবা মুশফিকুর রহিম খুবই বাজে ফর্মে। ইমন ৭ ম্যাচে করেছেন ১০৩ রান। গড় ১৪.৭১।
হৃদয় ৮ ম্যাচে ২২.৪২ গড়ে করেছেন ১৫৭ রান। মুশফিকের ফর্ম আরও বাজে। ৮ ম্যাচে করেছেন ৭৮। ওহ্, ভুলেই গেছি, এই তালিকায় অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর নামটাই প্রথমে আনা উচিত ছিল। ৫ ম্যাচে তাঁর রান ৫৬। অথচ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলের বাইরে থাকা এনামুল হক বিজয় (৩৭৯) কিংবা জাকির হাসানদের (৩৪৮) রান তিন শর বেশি।
ব্যাটারদের ফর্ম যদি এতই খারাপ হয়, তাহলে তো ‘বিপিএলে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা কেমন করছেন’—প্রশ্নের উত্তর হিসেবে ‘খারাপ’কেই বেছে নিতে হয়। কিন্তু সেটি বলার সুযোগ রাখেননি তানজিদ হাসান তামিম কিংবা তাসকিন আহমেদ। চলতি বিপিএলে একজন যে শীর্ষ রান সংগ্রাহক আর আরেকজন শীর্ষ উইকেটশিকারি। ১০ ম্যাচে একটি সেঞ্চুরিসহ সর্বোচ্চ ৪২০ রান করেছেন তানজিদ। গড় ৪৬.৬৬। স্ট্রাইকরেটটাও খারাপ নয়—১৪৩.৮৩।
আর বল হাতে সর্বোচ্চ ২২ উইকেট তাসকিন আহমেদের। এক ম্যাচে তো বিপিএলেরই সেরা বোলিং করেছেন তিনি; মিরপুরে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে ১৯ রানে নিয়েছেন ৭ উইকেট; যা স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতেই তৃতীয় সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড।
বল হাতে তাসকিনের মতো ঔজ্জ্বল্য ছড়াতে পারেননি কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান কিংবা গতির ঝড় তোলা নাহিদ রানা। ১০ ম্যাচে মোস্তাফিজ নিয়েছেন ৯ উইকেট। বোলিং গড় ৩১.৩৩! ডেথ ওভারের বোলার হিসেবে তাঁর যে পরিচিতি, সেটির সঙ্গে মানানসই পারফরম্যান্স খুব কমই দেখাতে পেরেছেন ফিজ। নাহিদ রানা ৮ ম্যাচে নিয়েছেন ১০ উইকেটে। তাঁর ইকোনমি ৮.৫১। উইকেট প্রাপ্তির দিক থেকে মোস্তাফিজ কিংবা নাহিদ রানার চেয়ে এগিয়ে তানজিদ হাসান তামিমই। ৬ ম্যাচে ১১ উইকেট নেওয়া তানজিদের বোলিং গড় ১৯.৪৫। জাতীয় দলের বাইরে থাকা আবু হায়দার রনিরই যেখানে ১৫ উইকেট, সেখানে আরও ভালো করার কথা ছিল মোস্তাফিজ-রানাদের।
এ তো গেল পেসারদের কথা। স্পিনারদের অবস্থা আরও খারাপ। ৭ মাচে নাসুম আহমেদ নিয়েছেন ৭ উইকেট। রিশাদ হোসেন ৫ ম্যাচে ৫ উইকেট। অথচ পাকিস্তানের স্পিন অলরাউন্ডার খুশদিল শাহ নিয়েছেন ১৪ উইকেট। রান খরচায় তাঁর কিপ্টেমিটাও দেখুন—উইকেটপ্রতি গড়ে রান দিয়েছেন ১০.৭১!
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলে থাকা জাকের আলী অবশ্য খারাপ নয়। ফিনিশার হিসেবে সিলেট স্ট্রাইকার্সে খেলা এই ব্যাটার ৯ ম্যাচে করেছেন ১৮৩। গড় ২৬.১৪। স্ট্রাইকরেট ১৪১.৮৬। অলরাউন্ডারের ভূমিকায় সফলই বলা যায় ফরচুন বরিশাল অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজকে। ৯ ম্যাচে ১৩২.৩৬ স্ট্রাইকরেটে করেছেন ২২৯ রান। আর ২৭.৬৬ গড়ে নিয়েছেন ৯ উইকেট। খণ্ডকালীন বোলার মাহমুদউল্লাহ ১ উইকেট নিলেও ৫ ইনিংসে করেছেন ৩৩.৫০ গড়ে ১৩৪ রান।
বোলার ইনিংস উইকেট ইকোনমি
তাসকিন আহমেদ ১০ ২২ ৬.৫৪
তানজিদ হাসান সাকিব ৬ ১১ ৯.১০
নাহিদ রানা ৮ ১০ ৮.৫১
মেহেদী হাসান মিরাজ ৯ ৯ ৮.৫৮
মোস্তাফিজুর রহমান ১০ ৯ ৭.৬৯
নাসুম আহমেদ ৭ ৬ ৭.৫৫
রিশাদ হোসেন ৫ ৫ ৭.৭৮
ব্যাটার ইনিংস রান স্ট্রাইকরেট
তানজিদ হাসান তামিম ১০ ৪২০ ১৪৩.৮৩
মেহেদী হাসান মিরাজ ৯ ২২৯ ১৩২.৩৬
জাকের আলী ৯ ১৮৩ ১৪১.৮৬
তাওহীদ হৃদয় ৭ ১৫৭ ১২৮.৬৮
মাহমুদউল্লাহ ৫ ১৩৪ ১৪২. ৫৫
পারভেজ হোসেন ইমন ৭ ১০৩ ১২৫.৬০
মুশফিকুর রহিম ৫ ৭৮ ১১৮.১৮
নাজমুল হোসেন শান্ত ৫ ৫৬ ১১৯.১৪

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যতই এগিয়ে আসছে, ততই খারাপ হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি ও বিসিসিআই) সম্পর্ক। গতকাল রাতে ক্রিকবাজ জানিয়েছিল, চলমান দোলাচলে লিটন দাসদের ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তন করার প্রস্তাব দেবে আইসিসি। তবে বিষয়টি নিয়ে কোনো তথ্য নেই বিসিসিআইয়ের কাছে।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা নিয়ে এবার নিল নতুন মোড়। এখন পর্যন্ত বিসিবি ও আইসিসির পক্ষ থেকে আসেনি কোনো অগ্রগতি। সম্প্রতি ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো চেন্নাই ও কেরালায় সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। তবে বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন নতুন খবর। বাংলাদে
২ ঘণ্টা আগে
টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সেরা ব্যাটারদের একজন মনে করা হয় স্টিভ স্মিথকে। এই সংস্করণে প্রায় ১১০০০ রানের মালিক তিনি। যেভাবে এগোচ্ছেন তাতে ব্যাট-প্যাড তুলে রাখার পর কিংবদন্তির তকমা পাবেন সেটা বলাই যায়। রিশাদ হোসেনের চোখেও তাই স্মিথ একজন কিংবদন্তি।
২ ঘণ্টা আগে
টুর্নামেন্টের প্রথম অংশটা কী দারুণ ছিল রংপুর রাইডার্সের। প্রথম ৫ ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জিতেছে রংপুর। যার মধ্যে ছিল হ্যাটট্রিক জয়ের কীর্তিও। নুরুল হাসান সোহানের নেতৃত্বাধীন রংপুর এবার চোখে সর্ষেফুল দেখছে। সিলেট স্টেডিয়ামে আজ রংপুর রাইডার্সকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্স।
২ ঘণ্টা আগে