নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

লম্বা সময় ধরে ওপেনিংয়ে একাধিক পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। কোনোভাবেই সাফল্য পাচ্ছিল না তারা। এশিয়া কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে তাই পুরো উল্টোভাবে উদ্বোধনী জুটি সাজায় বাংলাদেশ। তাতেই ফল মিলেছে। পাওয়ার প্লে’কে দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন ব্যাটাররা। এরপর বাকি গল্পটা সাজিয়েছেন আফিফ হোসেন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মোসাদ্দেক হোসেন। তাতেই লঙ্কানদের ১৮৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে সাকিব আল হাসানরা।
আজ দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৩ রান তোলে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান আসে আফিফের ব্যাটে। লঙ্কানদের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন চামিকা করুণারত্নে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।
একাদশের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতেও বড়সড় পরিবর্তন নিয়ে ব্যাটিংয়ে আসে বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরু করেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাব্বির রহমান। প্রথম ওভারেই ১১ রান নিয়ে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেন এই জুটি। যদিও সাব্বির থিতু হতে পারেননি। তৃতীয় ওভারের শেষ বলেই ৫ রান করে ফেরেন তিনি।
তিনে আসা সাকিব আল হাসানের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় রানের চাকা এগিয়ে নেন মিরাজ। রীতিমতো লঙ্কান বোলারদের ওপর তোপ ঝাড়েন তিনি। পাওয়ার প্লেতে ৫৫ রান তোলে এই জুটি। ঝড়ো ব্যাটিং করা মিরাজ অবশ্য পরের ওভারেই ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার গুগলিতে ফেরেন। ২৬ বলে দুটি করে চার ও ছক্কায় ৩৮ রান করেন তিনি।
মিরাজ ফিরলে রানের গতি কিছুটা থেমে যায়। চারে ব্যাট করতে এসে ব্যর্থ হয়ে ফেরেন মুশফিক। ৫ বলে ৪ রান করে করুণারত্নের শিকার হন তিনি। ৩ উইকেট হারিয়ে খানিকটা চাপেই পড়ে বাংলাদেশ। পাঁচে এসে সাকিবকে সঙ্গে দেন আফিফ। জুটি বড় হওয়ার আগেই ফেরেন সাকিব (২৪)। ভাঙে ২৪ রানের জুটি।
চার ব্যাটার ফিরলেও দলের রানের চাকা সচল রেখেছেন আফিফ। এ সময় তিনি সঙ্গ পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহর। ৩৩ বলে জুটির ফিফটি করেন আফিফ-রিয়াদ। সাবলীল ব্যাটে দু’জনেই লঙ্কান বোলারদের এলোমেলো বোলিং করতে বাধ্য করে তোলেন। ৫৭ রানের এই জুটি ভাঙে আফিফ ফিরলে। ২২ বলে চার ৪ ও দুই ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৯ রান করা এই ব্যাটারকে ফেরান দিলশান মধুশঙ্ক। খানিক পরই ২২ বলে ২৭ করা রিয়াদকে ফেরান হাসারাঙ্গা। শেষের দিকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ঝড়ো ২৪ রানে চড়ে লড়াইয়ের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।

লম্বা সময় ধরে ওপেনিংয়ে একাধিক পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। কোনোভাবেই সাফল্য পাচ্ছিল না তারা। এশিয়া কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে তাই পুরো উল্টোভাবে উদ্বোধনী জুটি সাজায় বাংলাদেশ। তাতেই ফল মিলেছে। পাওয়ার প্লে’কে দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন ব্যাটাররা। এরপর বাকি গল্পটা সাজিয়েছেন আফিফ হোসেন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মোসাদ্দেক হোসেন। তাতেই লঙ্কানদের ১৮৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে সাকিব আল হাসানরা।
আজ দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৩ রান তোলে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান আসে আফিফের ব্যাটে। লঙ্কানদের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন চামিকা করুণারত্নে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।
একাদশের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতেও বড়সড় পরিবর্তন নিয়ে ব্যাটিংয়ে আসে বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরু করেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাব্বির রহমান। প্রথম ওভারেই ১১ রান নিয়ে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেন এই জুটি। যদিও সাব্বির থিতু হতে পারেননি। তৃতীয় ওভারের শেষ বলেই ৫ রান করে ফেরেন তিনি।
তিনে আসা সাকিব আল হাসানের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় রানের চাকা এগিয়ে নেন মিরাজ। রীতিমতো লঙ্কান বোলারদের ওপর তোপ ঝাড়েন তিনি। পাওয়ার প্লেতে ৫৫ রান তোলে এই জুটি। ঝড়ো ব্যাটিং করা মিরাজ অবশ্য পরের ওভারেই ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার গুগলিতে ফেরেন। ২৬ বলে দুটি করে চার ও ছক্কায় ৩৮ রান করেন তিনি।
মিরাজ ফিরলে রানের গতি কিছুটা থেমে যায়। চারে ব্যাট করতে এসে ব্যর্থ হয়ে ফেরেন মুশফিক। ৫ বলে ৪ রান করে করুণারত্নের শিকার হন তিনি। ৩ উইকেট হারিয়ে খানিকটা চাপেই পড়ে বাংলাদেশ। পাঁচে এসে সাকিবকে সঙ্গে দেন আফিফ। জুটি বড় হওয়ার আগেই ফেরেন সাকিব (২৪)। ভাঙে ২৪ রানের জুটি।
চার ব্যাটার ফিরলেও দলের রানের চাকা সচল রেখেছেন আফিফ। এ সময় তিনি সঙ্গ পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহর। ৩৩ বলে জুটির ফিফটি করেন আফিফ-রিয়াদ। সাবলীল ব্যাটে দু’জনেই লঙ্কান বোলারদের এলোমেলো বোলিং করতে বাধ্য করে তোলেন। ৫৭ রানের এই জুটি ভাঙে আফিফ ফিরলে। ২২ বলে চার ৪ ও দুই ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৯ রান করা এই ব্যাটারকে ফেরান দিলশান মধুশঙ্ক। খানিক পরই ২২ বলে ২৭ করা রিয়াদকে ফেরান হাসারাঙ্গা। শেষের দিকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ঝড়ো ২৪ রানে চড়ে লড়াইয়ের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।

নায়ক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল রিশাদ হোসেনের সামনে। শেষ বলে ছক্কা মারলেই হোবার্ট হারিকেনস পেত রোমাঞ্চকর এক জয়। কিন্তু বোলিংয়ে মুগ্ধতা ছড়ানো রিশাদ ব্যাটিংয়ে সেটা করে দেখাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ব্রিসবেন হিটের কাছে ৩ রানে হেরে গেছে হোবার্ট হারিকেনস।
৪৩ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
৪ ঘণ্টা আগে