ক্রীড়া ডেস্ক

ইশ, নোয়াখালী এক্সপ্রেস যদি আরেকটু বেশি রান করত—নাসির হোসেন হয়তো এটা ভেবে আফসোসে পুড়ছেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের জয় নিয়ে কোনো সংশয় না থাকলেও নাসির সেঞ্চুরি করতে পারেন কি না, সেটাই ছিল দেখার অপেক্ষা। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ঢাকা ক্যাপিটালস হেসেখেলে জিতলেও সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপটা থেকেই গেল নাসিরের।
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আজ ২১ বলে ফিফটি তুলে নিয়েছেন নাসির। ২০২৬ বিপিএলে এটা দ্রুততম ফিফটি। নোয়াখালীর দেওয়া ১৩৪ রানের লক্ষ্যে নেমে ১২ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১০১ রান করে ফেলে ঢাকা। নাসিরের স্কোর তখন ৭৩। এক ঢিলে দুই পাখি মারার সম্ভাবনা নাসিরের কিছুটা হলেও তখন ছিল। তবে পাকিস্তানি অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিমের চার-ছক্কায় নাসিরের সেঞ্চুরি করা হলো না। ১০ রানের আক্ষেপ নিয়েই ম্যাচটা শেষ করেছেন নাসির। তাঁর ৯০ রানের ইনিংসের সুবাদে ৩৫ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে জিতেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
১৩৪ রানের লক্ষ্যে নেমে ২.৫ ওভারে ২ উইকেটে ১৪ রানে পরিণত হয় ঢাকা ক্যাপিটালস। রহমানউল্লাহ গুরবাজ রানের খাতা খোলার আগেই আউট হয়েছেন। আবদুল্লাহ আল মামুন আউট হয়েছেন ১ রান করে। তিন নম্বরে নামা নাসির দায়িত্ব নিয়ে খেলা শেষ করেছেন। তৃতীয় উইকেটে ইরফান শুক্কুরের সঙ্গে ২৮ বলে ৫৯ রানের জুটি গড়ে ম্যাচটা অনেকটা ঢাকা ক্যাপিটালসের পক্ষে নিয়ে আসেন নাসির। অষ্টম ওভারের দ্বিতীয় বলে শুক্কুরকে (১২) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন জহির খান।
শুক্কুর ফেরার পর ঢাকা ক্যাপিটালসের স্কোর হয়ে যায় ৭.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৭৩ রান। বিস্ফোরক এই জুটি ভাঙার পর আর কোনো সুবিধা করতে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। চতুর্থ উইকেটে ৪০ বলে ৬১ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েন নাসির-ইমাদ। একটা পর্যায়ে দলের জন্য প্রয়োজনীয় রানটা নাসিরের সেঞ্চুরির জন্য যথেষ্টই ছিল। সেক্ষেত্রে তাঁকে বাকি অংশটুকু নিজেরই খেলতে হতো। তাঁর যখন ৮০ রান, তখন ৪৫ বলে ২৬ রানের সমীকরণের সামনে এসে পড়ে ঢাকা। তবে ১৩তম ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে জহির খানকে যখন ইমাদ চার ও ছক্কা মারেন, তখন নাসিরের সেঞ্চুরির সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।
তুলির শেষ আঁচড়টা ইমাদই দিয়েছেন। ১৫তম ওভারের প্রথম বলে রেজাউর রহমান রাজাকে চার মেরে ঢাকাকে ৭ উইকেটের জয় এনে দেন নাসির। ৫০ বলে ১৪ চার ও ২ ছক্কায় ৯০ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এটাই তাঁর সর্বোচ্চ স্কোর। নোয়াখালীর হাসান মাহমুদ ৩ ওভারে ১৭ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। জহির খান নিয়েছেন এক উইকেট।
এর আগে আজ টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা ক্যাপিটালসের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। আগে ব্যাটিং পাওয়া নোয়াখালীর স্কোর হয়ে যায় ৯.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ৪০ রান। ১০০ রানে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হলেও মোহাম্মদ নবি ও হায়দার আলীর ব্যাটিংয়ে উদ্ধার হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৩ রান করে নোয়াখালী। ৩৬ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৪৭ রান করেন নোয়াখালী অধিনায়ক হায়দার আলী। দলটির সর্বোচ্চ স্কোরার তিনিই। নবি ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন।
ঢাকার ইমাদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, জিয়াউর রহমান, নাসির, আবদুল্লাহ আল মামুন একটি করে উইকেট পেয়েছেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন নাসির। ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ৩ ওভারে ২৪ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট।

ইশ, নোয়াখালী এক্সপ্রেস যদি আরেকটু বেশি রান করত—নাসির হোসেন হয়তো এটা ভেবে আফসোসে পুড়ছেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের জয় নিয়ে কোনো সংশয় না থাকলেও নাসির সেঞ্চুরি করতে পারেন কি না, সেটাই ছিল দেখার অপেক্ষা। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ঢাকা ক্যাপিটালস হেসেখেলে জিতলেও সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপটা থেকেই গেল নাসিরের।
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আজ ২১ বলে ফিফটি তুলে নিয়েছেন নাসির। ২০২৬ বিপিএলে এটা দ্রুততম ফিফটি। নোয়াখালীর দেওয়া ১৩৪ রানের লক্ষ্যে নেমে ১২ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১০১ রান করে ফেলে ঢাকা। নাসিরের স্কোর তখন ৭৩। এক ঢিলে দুই পাখি মারার সম্ভাবনা নাসিরের কিছুটা হলেও তখন ছিল। তবে পাকিস্তানি অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিমের চার-ছক্কায় নাসিরের সেঞ্চুরি করা হলো না। ১০ রানের আক্ষেপ নিয়েই ম্যাচটা শেষ করেছেন নাসির। তাঁর ৯০ রানের ইনিংসের সুবাদে ৩৫ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে জিতেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
১৩৪ রানের লক্ষ্যে নেমে ২.৫ ওভারে ২ উইকেটে ১৪ রানে পরিণত হয় ঢাকা ক্যাপিটালস। রহমানউল্লাহ গুরবাজ রানের খাতা খোলার আগেই আউট হয়েছেন। আবদুল্লাহ আল মামুন আউট হয়েছেন ১ রান করে। তিন নম্বরে নামা নাসির দায়িত্ব নিয়ে খেলা শেষ করেছেন। তৃতীয় উইকেটে ইরফান শুক্কুরের সঙ্গে ২৮ বলে ৫৯ রানের জুটি গড়ে ম্যাচটা অনেকটা ঢাকা ক্যাপিটালসের পক্ষে নিয়ে আসেন নাসির। অষ্টম ওভারের দ্বিতীয় বলে শুক্কুরকে (১২) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন জহির খান।
শুক্কুর ফেরার পর ঢাকা ক্যাপিটালসের স্কোর হয়ে যায় ৭.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৭৩ রান। বিস্ফোরক এই জুটি ভাঙার পর আর কোনো সুবিধা করতে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। চতুর্থ উইকেটে ৪০ বলে ৬১ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েন নাসির-ইমাদ। একটা পর্যায়ে দলের জন্য প্রয়োজনীয় রানটা নাসিরের সেঞ্চুরির জন্য যথেষ্টই ছিল। সেক্ষেত্রে তাঁকে বাকি অংশটুকু নিজেরই খেলতে হতো। তাঁর যখন ৮০ রান, তখন ৪৫ বলে ২৬ রানের সমীকরণের সামনে এসে পড়ে ঢাকা। তবে ১৩তম ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে জহির খানকে যখন ইমাদ চার ও ছক্কা মারেন, তখন নাসিরের সেঞ্চুরির সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।
তুলির শেষ আঁচড়টা ইমাদই দিয়েছেন। ১৫তম ওভারের প্রথম বলে রেজাউর রহমান রাজাকে চার মেরে ঢাকাকে ৭ উইকেটের জয় এনে দেন নাসির। ৫০ বলে ১৪ চার ও ২ ছক্কায় ৯০ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এটাই তাঁর সর্বোচ্চ স্কোর। নোয়াখালীর হাসান মাহমুদ ৩ ওভারে ১৭ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। জহির খান নিয়েছেন এক উইকেট।
এর আগে আজ টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা ক্যাপিটালসের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। আগে ব্যাটিং পাওয়া নোয়াখালীর স্কোর হয়ে যায় ৯.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ৪০ রান। ১০০ রানে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হলেও মোহাম্মদ নবি ও হায়দার আলীর ব্যাটিংয়ে উদ্ধার হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৩ রান করে নোয়াখালী। ৩৬ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৪৭ রান করেন নোয়াখালী অধিনায়ক হায়দার আলী। দলটির সর্বোচ্চ স্কোরার তিনিই। নবি ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন।
ঢাকার ইমাদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, জিয়াউর রহমান, নাসির, আবদুল্লাহ আল মামুন একটি করে উইকেট পেয়েছেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন নাসির। ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ৩ ওভারে ২৪ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট।

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) অংশ নিয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টটিতে খেলতে এসে এখনো জয়ের মুখ দেখা হয়নি তাদের। বিপরীতে হয়েছে টানা ৬ হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা। হারের বৃত্তে আটকে থাকায় ভক্তদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন দলটির তারকা ক্রিকেটার সৌম্য সরকার।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বিষয়টি ভালো লাগেনি তামিম ইকবালের কাছে। সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হলে বিসিবি বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়বে বলে মনে করেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে এ বিষ
২ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশ সবশেষ গত বছরের অক্টোবরে নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলেছে। তবে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ নারী দলের ম্যাচ হয়েছে আরও আগে। এবারের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব দিয়ে এক বছরের অপেক্ষা ফুরোচ্ছে বাংলাদেশের মেয়েদের।
৩ ঘণ্টা আগে
কিছুতেই যেন কিছু হচ্ছে না নোয়াখালী এক্সপ্রেসের। প্রথমবারের মতো বিপিএল খেলতে আসা নোয়াখালী ছয় ম্যাচ খেলে এখনো জয়ের দেখা পায়নি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আজ রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে ৫ উইকেটের পরাজয়ে আজ নোয়াখালীর পূর্ণ হলো হারের হেক্সা।
৪ ঘণ্টা আগে