লর্ডস টেস্টের শেষ দিনে আজ রোমাঞ্চ অপেক্ষা করছে। ইংল্যান্ডকে জিততে হলে পঞ্চম দিনে করতে হবে ২৫৭ রান। রেকর্ড রান তাড়া করে জিততে তাদের হাতে রয়েছে ৬ উইকেট। অস্ট্রেলিয়াকে জিততে হলে লক্ষ্যের আগেই প্রতিপক্ষের বাকি উইকেট নিতে হবে সফরকারীদের।
তবে গতকাল বেন ডাকেট আউট হলে হয়তো রোমাঞ্চের বিষয়টা না-ও আসতে পারত। ২৯তম ওভারের পঞ্চম বলে ক্যামেরুন গ্রিনের বলে আউট হয়ে টিভি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে বেঁচে যান তিনি। তাঁর আউট নিয়েই বিতর্ক চলছে ক্রিকেটাঙ্গনে। গ্রিনের বাউন্সারকে থার্ড ম্যান দিয়ে মারতে গিয়ে ফাইন লেগে ক্যাচ দেন তিনি। কিছু দূর দৌড়ে এসে ক্যাচটি লুফে নেন মিচেল স্টার্ক। এরপর সতীর্থ উসমান খাজার সঙ্গে উইকেট উদ্যাপনও করলেন তিনি। ব্যাটার ডাকেটও হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ছিলেন। ইংল্যান্ডের বাঁ হাতি ব্যাটার সীমানার কাছে পৌঁছালে দুই আম্পায়ার এহসান রাজা ও ক্রিস গ্যাফানি তাঁকে থামিয়ে দেন।
টিভি আম্পায়ার মরিস এরাসমাস নট আউটের সিদ্ধান্ত দেন। ক্যাচ নেওয়ার সময় স্টার্কের বাঁ হাতে থাকা বল মাটি স্পর্শ করেছে বলে এমন সিদ্ধান্ত দিয়েছেন এরাসমাস। এ নিয়ে ক্ষোভ ঝেড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক দুই ক্রিকেটার রিকি পন্টিং ও গ্লেন ম্যাকগ্রা। তাঁদের মতে, স্টার্কের নেওয়া ক্যাচ আউট ছিল।
বিবিসি টেস্ট ম্যাচ স্পেশালে ধারাভাষ্য দেওয়ার সময় অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি পেসার ম্যাকগ্রা বলেছেন, ‘আমি দুঃখিত, আমার জীবনে দেখা সবচেয়ে বড় রাবিশ ঘটনা এটি। সে (স্টার্ক) বলকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল। দুঃখিত, এটা লজ্জার। খেলার সবকিছু দেখে ফেলেছি। এটা বিশ্বাস করতে পারছি না। এটি হাস্যকর। এটা যদি নট আউট হয়, তাহলে এ পর্যন্ত যত ক্যাচ নেওয়া হয়েছে সবই নট আউট হওয়া উচিত।’
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার দুই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক পন্টিং ম্যাচ শেষে স্কাই স্পোর্টসকে বলেছেন, ‘মিচেল স্টার্কের বলের ওপর খুব ভালো নিয়ন্ত্রণ ছিল। জো রুটের ক্যাচ নেওয়া স্টিভেন স্মিথের চেয়েও বেশি নিয়ন্ত্রণ ছিল।’
দুই সাবেক অজি ক্রিকেটার স্টার্কের ক্যাচকে বৈধ বললেও ক্রিকেট আইন প্রণেতা সংস্থা মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) বৈধতা দেয়নি। এমসিসি ব্যাখ্যা করেছে, ‘ক্রিকেট আইনের ৩৩.৩ ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে একটি ক্যাচ তখনই বৈধ হবে, যখন বলের সঙ্গে নিজের শরীরকে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে ফিল্ডার। উভয়ই নিয়ন্ত্রণে থাকার আগে পর্যন্ত বল মাটি স্পর্শ করতে পারবে না। মিচেল স্টার্কের ক্ষেত্রে দেখা যায়, বলটি মাটি স্পর্শ করার সময়ও সে পিছলে যাচ্ছিল, এতেই বোঝা যায় সে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল না।’

আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোল না হলে হয়তো নরওয়ের এই রাতের গল্পই লেখা হতো না। কিন্তু হালান্ড গোল করার আগেই যিনি নরওয়েকে ম্যাচে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন, তাঁর নাম অরইয়ান নিল্যান্ড। ১২ মিনিটে ব্রুনো গিমারেসের পেনাল্টি ঠেকানো থেকে শুরু করে বিরতির আগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রদের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের উত্তেজনার মধ্
১৮ মিনিট আগে
নরওয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। তবে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে অন্তত ব্যক্তিগত লড়াইয়ে জিতেছেন নেইমার। নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নিল্যান্ডের সঙ্গে পেনাল্টি নেওয়ার আগে ও পরে তাঁর কথার লড়াই এখন ভক্তদের আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
২৭ মিনিট আগে
রীতিমতো এক নাটকই মঞ্চস্থ হলো মেক্সিকো সিটির আসতেকা স্টেডিয়ামে। ইংল্যান্ড-মেক্সিকোর ম্যাচে কী ছিল না! ফাউল, লাল কার্ড, পেনাল্টি। এমন নাটকীয় ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে টমাস টুখেলের দল। রাউন্ড অব সিক্সটিনের ম্যাচে মেক্সিকোকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কাটল ইংলিশরা।
২ ঘণ্টা আগে
ক্লাব পর্যায়ে গোলের ঝুলঝুরি ছুটিয়ে অনেক আগেই গোলমেশিন তকমা পেয়েছেন আরলিং হালান্ড। এবারের বিশ্বকাপেও ধারাবাহিকভাবে জালের দেখা পাচ্ছেন। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলকে বিদায় করার পথে দুইবার পেয়েছেন জালের দেখা। এরপর সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই স্ট্রাইকার।
২ ঘণ্টা আগে