ক্রীড়া ডেস্ক

নতুন দায়িত্ব, নতুন চ্যালেঞ্জ। কিন্তু লক্ষ্য একটাই—দেশের জন্য ভালো কিছু করা। মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। বাংলাদেশের পূর্ণ মেয়াদে অধিনায়ক হিসেবে এটি মিরাজের প্রথম সিরিজ। নেতৃত্বের দিক থেকে প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট হলেও এটা তাঁকে খুব বেশি ভাবাচ্ছে না—আগের অভিজ্ঞতাকেই শক্তি বানিয়ে এগিয়ে যেতে চাইছেন তিনি।
কলম্বোয় সিরিজপূর্ব প্রথম সংবাদ সম্মেলনে মিরাজ বলেন, ‘আমি যে সময় ব্যাটিং করি, সেটা প্রেশার সিচুয়েশনেই। বোলিংটাও প্রেশারে করি। বাংলাদেশ দলে অনেক ম্যাচ খেলেছি, এসব অভিজ্ঞতা থেকেই আমি শিখেছি কীভাবে চাপ সামলে খেলা যায়। অধিনায়কত্বটাও এমন এক সময়ে পেয়েছি যখন দল কঠিন সময় পার করছে। আমার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করব।’
সম্প্রতি দল ভালো পারফর্ম না করলেও মিরাজ সেটা একপেশে ভাবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, দলের অবস্থা খারাপ হলেও সেটা তবে সেটা নিয়মিত নয়।। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা হয়তো কিছুদিন ধরে ভালো খেলছি না। কিন্তু এর মানে এই না যে আমরা নিয়মিত খারাপ খেলছি।’
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের আগে বড় বাস্তবতা হলো ‘পঞ্চপাণ্ডব’ ছাড়া নতুন শুরু। মুশফিকুর রহিম টেস্ট চালিয়ে গেলেও সীমিত ওভারে তাঁরা কেউই আর খেলছেন না। সবশেষ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ-মুশফিক। তাঁদের অভিজ্ঞ স্তম্ভের জায়গা পূরণ করাটা সহজ নয় বলে স্বীকার করেছেন মিরাজ, ‘রিয়াদ ভাই, মুশফিক ভাই—ওদের সঙ্গে আমরা অনেক দিন ক্রিকেট খেলেছি। তারা এখন দলে নেই। যদি থাকতেন, ভালো লাগত। এখন আমরা সেই দুই জায়গায় কাকে খেলাব, কীভাবে দীর্ঘ মেয়াদে সেট করব, সেটা নিয়ে কাজ করছি। এটা এক-দুই সিরিজে হয়ে যাবে এমন না। একটু সময় লাগবে। একসঙ্গে এত সিনিয়র ক্রিকেটার চলে যাওয়ায় স্বাভাবিক হওয়াটা কঠিন। তাই আমরা চেষ্টা করছি আমাদের যে জায়গাগুলো আছে সেগুলো উন্নতি করা।’
কদিন ধরেই বেশ আলোচনায়—শান্তর কাছ থেকে অধিনায়কত্ব কেড়ে নেওয়ার ধরন এবং টেস্টে তাঁর নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গ। মিরাজের বিশ্বাস এ সবকিছু তাঁদের খেলায় কোনো প্রভাব পড়বে না। এত কিছুর মধ্যেও দলের মধ্যে নেতৃত্ব নিয়ে কোনো বিভাজন নেই—এটাও স্পষ্ট করেছেন তিনি। শান্তর অধিনায়কত্বের সময় যেমন মিরাজ ছিলেন পাশে, তেমনি এখন মিরাজও দলের সবার সমর্থন পাবেন।
মিরাজের মতে, সবকিছু ওপরে দল। খেলতে চান বাংলাদেশের জন্য, ‘অধিনায়কত্ব ইস্যু নিয়ে অনেক কথা আলোচনা হচ্ছে। এটা আমাদের মধ্যে তেমন একটা প্রভাব ফেলে না। ক্রিকেটার হিসেবে যখন খেলি, আমাদের কাজই হলো দলকে সমর্থন করা। দলগত পারফর্ম করা। শান্ত যখন অধিনায়ক ছিল আমি ওকে অনেক সহায়তা করেছি, পারফর্ম করেছি। এর আগেও যারা অধিনায়ক ছিল তাদের সঙ্গেও পারফর্ম করেছি। এখানে পারফর্ম করাটা গুরুত্বপূর্ণ। দলের মধ্যে একই সময় একজন অধিনায়ক থাকে।’
মিরাজ যেন আরেকবার মনে করিয়ে দিলেন তাঁদের সবচেয়ে বড় পরিচয়—তাঁরা বাংলাদেশের প্রতিনিধি, ‘সবশেষ সবারই খেলতে হয়। সবাই পারফর্ম করলে কিন্তু দেশ ভালো করে। দলের ফলাফলটা হয়। অধিনায়ক একজনই থাকে। দলের সবাই পারফর্ম করা, সাপোর্ট করাটা গুরুত্বপূর্ণ। আমার ভেতরে এই জিনিসটা নাই। আর শান্তর ভেতরেও এই জিনিসটাই নাই। সবার আগে টিম বাংলাদেশ। আমার কাছে মনে হয় যে এটাই গুরুত্বপূর্ণ।’

নতুন দায়িত্ব, নতুন চ্যালেঞ্জ। কিন্তু লক্ষ্য একটাই—দেশের জন্য ভালো কিছু করা। মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। বাংলাদেশের পূর্ণ মেয়াদে অধিনায়ক হিসেবে এটি মিরাজের প্রথম সিরিজ। নেতৃত্বের দিক থেকে প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট হলেও এটা তাঁকে খুব বেশি ভাবাচ্ছে না—আগের অভিজ্ঞতাকেই শক্তি বানিয়ে এগিয়ে যেতে চাইছেন তিনি।
কলম্বোয় সিরিজপূর্ব প্রথম সংবাদ সম্মেলনে মিরাজ বলেন, ‘আমি যে সময় ব্যাটিং করি, সেটা প্রেশার সিচুয়েশনেই। বোলিংটাও প্রেশারে করি। বাংলাদেশ দলে অনেক ম্যাচ খেলেছি, এসব অভিজ্ঞতা থেকেই আমি শিখেছি কীভাবে চাপ সামলে খেলা যায়। অধিনায়কত্বটাও এমন এক সময়ে পেয়েছি যখন দল কঠিন সময় পার করছে। আমার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করব।’
সম্প্রতি দল ভালো পারফর্ম না করলেও মিরাজ সেটা একপেশে ভাবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, দলের অবস্থা খারাপ হলেও সেটা তবে সেটা নিয়মিত নয়।। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা হয়তো কিছুদিন ধরে ভালো খেলছি না। কিন্তু এর মানে এই না যে আমরা নিয়মিত খারাপ খেলছি।’
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের আগে বড় বাস্তবতা হলো ‘পঞ্চপাণ্ডব’ ছাড়া নতুন শুরু। মুশফিকুর রহিম টেস্ট চালিয়ে গেলেও সীমিত ওভারে তাঁরা কেউই আর খেলছেন না। সবশেষ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ-মুশফিক। তাঁদের অভিজ্ঞ স্তম্ভের জায়গা পূরণ করাটা সহজ নয় বলে স্বীকার করেছেন মিরাজ, ‘রিয়াদ ভাই, মুশফিক ভাই—ওদের সঙ্গে আমরা অনেক দিন ক্রিকেট খেলেছি। তারা এখন দলে নেই। যদি থাকতেন, ভালো লাগত। এখন আমরা সেই দুই জায়গায় কাকে খেলাব, কীভাবে দীর্ঘ মেয়াদে সেট করব, সেটা নিয়ে কাজ করছি। এটা এক-দুই সিরিজে হয়ে যাবে এমন না। একটু সময় লাগবে। একসঙ্গে এত সিনিয়র ক্রিকেটার চলে যাওয়ায় স্বাভাবিক হওয়াটা কঠিন। তাই আমরা চেষ্টা করছি আমাদের যে জায়গাগুলো আছে সেগুলো উন্নতি করা।’
কদিন ধরেই বেশ আলোচনায়—শান্তর কাছ থেকে অধিনায়কত্ব কেড়ে নেওয়ার ধরন এবং টেস্টে তাঁর নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গ। মিরাজের বিশ্বাস এ সবকিছু তাঁদের খেলায় কোনো প্রভাব পড়বে না। এত কিছুর মধ্যেও দলের মধ্যে নেতৃত্ব নিয়ে কোনো বিভাজন নেই—এটাও স্পষ্ট করেছেন তিনি। শান্তর অধিনায়কত্বের সময় যেমন মিরাজ ছিলেন পাশে, তেমনি এখন মিরাজও দলের সবার সমর্থন পাবেন।
মিরাজের মতে, সবকিছু ওপরে দল। খেলতে চান বাংলাদেশের জন্য, ‘অধিনায়কত্ব ইস্যু নিয়ে অনেক কথা আলোচনা হচ্ছে। এটা আমাদের মধ্যে তেমন একটা প্রভাব ফেলে না। ক্রিকেটার হিসেবে যখন খেলি, আমাদের কাজই হলো দলকে সমর্থন করা। দলগত পারফর্ম করা। শান্ত যখন অধিনায়ক ছিল আমি ওকে অনেক সহায়তা করেছি, পারফর্ম করেছি। এর আগেও যারা অধিনায়ক ছিল তাদের সঙ্গেও পারফর্ম করেছি। এখানে পারফর্ম করাটা গুরুত্বপূর্ণ। দলের মধ্যে একই সময় একজন অধিনায়ক থাকে।’
মিরাজ যেন আরেকবার মনে করিয়ে দিলেন তাঁদের সবচেয়ে বড় পরিচয়—তাঁরা বাংলাদেশের প্রতিনিধি, ‘সবশেষ সবারই খেলতে হয়। সবাই পারফর্ম করলে কিন্তু দেশ ভালো করে। দলের ফলাফলটা হয়। অধিনায়ক একজনই থাকে। দলের সবাই পারফর্ম করা, সাপোর্ট করাটা গুরুত্বপূর্ণ। আমার ভেতরে এই জিনিসটা নাই। আর শান্তর ভেতরেও এই জিনিসটাই নাই। সবার আগে টিম বাংলাদেশ। আমার কাছে মনে হয় যে এটাই গুরুত্বপূর্ণ।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বেছে নেবে আইসিসি, এমন খবর বের হয়েছিল আজ। তবে এর কোনো সত্যতা খুঁজে পায়নি বিসিবি। ইংল্যান্ডের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসির সঙ্গে এখন পর্যন্ত কোনো কথাই হয়নি স্কটল্যান্ডের।
৬ ঘণ্টা আগে
সিলেট টাইটানস এবং রংপুর রাইডার্সের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বিপিএলের প্লে অফ। এলিমিনেটরে আগামীকাল দুপুর দেড়টায় মাঠে নামবে দুদল। শেষ চারের ম্যাচে লিটন দাসের দলের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার বার্তা দিলেন সিলেটের ইংলিশ ব্যাটার ইথান ব্রুকস।
৭ ঘণ্টা আগে
মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়া নিয়ে জল কম ঘোলা হচ্ছে না। এই ইস্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বলে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি। এরপর থেকেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মাঝে নতুন করে আলোচনায় এলেন মোস্তাফিজ। সেটা মাঠের পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি দিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
ইএসপিএনক্রিকইনফোসহ ভারতের আরও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ডেডলাইন ঠিক করে দিয়েছে আইসিসি। তবে বিষয়টির সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন বিসিবির বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন।
১১ ঘণ্টা আগে