
‘ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখা’ কথাটি হয়তো যশস্বী জয়সওয়াল শুনেছেন অনেকবার। না হওয়ার কারণও তো ছিল না। অভাবের সংসারে ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন দেখা তো বিলাসিতা। তিনিই ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্টে করলেন সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরির পর নিজের আবেগ লুকিয়ে রাখতে পারেননি ভারতীয় এই বাঁহাতি ব্যাটার।
ডমিনিকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচ ছিল জয়সওয়ালের অভিষেক টেস্ট। ১২ জুলাই শুরু হওয়া টেস্টের প্রথম দিনই ব্যাটিংয়ের সুযোগ পান তিনি। শুরু থেকেই ব্যাটিংয়ে ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছিলেন তিনি। সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন দ্বিতীয় দিনে। ২১৫ বলে তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি।
অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরির কথা পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করতে দেরী করেননি জয়সওয়াল। টেস্টের দ্বিতীয় দিনই বাবা ভূপেন্দ্রকে ভিডিও কল করেছিলেন ভারতীয় এই বাঁহাতি ব্যাটার। আর উত্তর প্রদেশের ভাদোহিতে ভূপেন্দ্রর রঙের দোকান রয়েছে। কথা আর বলবেন কি, জয়সওয়াল যেন ভাষাই হারিয়ে ফেলেছিলেন। ছেলের অনুভূতির প্রসঙ্গে বাবা ভূপেন্দ্র হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, ‘সে আমাকে ভোর সাড়ে ৪টায় (ভারতীয় সময়) ফোন করেছিল (দ্বিতীয় দিন)। সে তার চোখের জল ধরে রাখতে পারেনি। আমিও কেঁদেছি। এটা খুবই আবেগপ্রবণ এক মুহূর্ত। ক্লান্ত থাকায় সে বেশিক্ষণ কথা বলতে পারেনি। সে শুধু আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, তুমি কি খুশি, বাবা?’
অভিষেক টেস্টে ৩৮৭ বলে ১৭১ রান করেছেন জয়সওয়াল। ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্টে তা তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ১৭তম ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন তিনি। আর এই জয়সওয়ালকেই জীবিকার তাগিদে একসময় ফুচকা বিক্রি করতে হয়েছে। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে এক তাঁবুতে বাবা ভূপেন্দ্রর সঙ্গ ফুচকা বিক্রি করতেন। এই ওয়াংখেড়েতেই এবারের আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে সেঞ্চুরি করেন ভারতীয় এই বাঁহাতি ব্যাটার। মুম্বাই ইন্ডিয়ানস-রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচটি ছিল আইপিএল ইতিহাসের ১০০০তম ম্যাচ। আর উত্তর প্রদেশের ভাদোহিতে ভূপেন্দ্রর রঙের দোকান রয়েছে।

‘ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখা’ কথাটি হয়তো যশস্বী জয়সওয়াল শুনেছেন অনেকবার। না হওয়ার কারণও তো ছিল না। অভাবের সংসারে ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন দেখা তো বিলাসিতা। তিনিই ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্টে করলেন সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরির পর নিজের আবেগ লুকিয়ে রাখতে পারেননি ভারতীয় এই বাঁহাতি ব্যাটার।
ডমিনিকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচ ছিল জয়সওয়ালের অভিষেক টেস্ট। ১২ জুলাই শুরু হওয়া টেস্টের প্রথম দিনই ব্যাটিংয়ের সুযোগ পান তিনি। শুরু থেকেই ব্যাটিংয়ে ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছিলেন তিনি। সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন দ্বিতীয় দিনে। ২১৫ বলে তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি।
অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরির কথা পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করতে দেরী করেননি জয়সওয়াল। টেস্টের দ্বিতীয় দিনই বাবা ভূপেন্দ্রকে ভিডিও কল করেছিলেন ভারতীয় এই বাঁহাতি ব্যাটার। আর উত্তর প্রদেশের ভাদোহিতে ভূপেন্দ্রর রঙের দোকান রয়েছে। কথা আর বলবেন কি, জয়সওয়াল যেন ভাষাই হারিয়ে ফেলেছিলেন। ছেলের অনুভূতির প্রসঙ্গে বাবা ভূপেন্দ্র হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, ‘সে আমাকে ভোর সাড়ে ৪টায় (ভারতীয় সময়) ফোন করেছিল (দ্বিতীয় দিন)। সে তার চোখের জল ধরে রাখতে পারেনি। আমিও কেঁদেছি। এটা খুবই আবেগপ্রবণ এক মুহূর্ত। ক্লান্ত থাকায় সে বেশিক্ষণ কথা বলতে পারেনি। সে শুধু আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, তুমি কি খুশি, বাবা?’
অভিষেক টেস্টে ৩৮৭ বলে ১৭১ রান করেছেন জয়সওয়াল। ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্টে তা তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ১৭তম ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন তিনি। আর এই জয়সওয়ালকেই জীবিকার তাগিদে একসময় ফুচকা বিক্রি করতে হয়েছে। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে এক তাঁবুতে বাবা ভূপেন্দ্রর সঙ্গ ফুচকা বিক্রি করতেন। এই ওয়াংখেড়েতেই এবারের আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে সেঞ্চুরি করেন ভারতীয় এই বাঁহাতি ব্যাটার। মুম্বাই ইন্ডিয়ানস-রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচটি ছিল আইপিএল ইতিহাসের ১০০০তম ম্যাচ। আর উত্তর প্রদেশের ভাদোহিতে ভূপেন্দ্রর রঙের দোকান রয়েছে।

নতুন বছরের প্রথম দিনই মাঠে নামছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে শুরু হবে হোবার্ট হারিকেনস-পার্থ স্কর্চার্স ম্যাচ। এখন মেলবোর্নের ডকল্যান্ডস স্টেডিয়ামে চলছে বিগ ব্যাশের মেলবোর্ন রেনেগেডস-সিডনি সিক্সার্স ম্যাচ।
৩ মিনিট আগে
নতুন বছরে সবার চোখ থাকবে ফিফা বিশ্বকাপে। তবে এই বৈশ্বিক ফুটবলযজ্ঞের বছরে রয়েছে ছেলেদের ও মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ । ফুটবলে আছে মেয়েদের এশিয়ান কাপ এবং অনূর্ধ্ব -২০ মেয়েদের এশিয়ান কাপও । ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দর্শক হলেও এসব বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে খেলছে বাংলাদেশ।
১ ঘণ্টা আগে
বিদায় নিল ২০২৫। এল ২০২৬। বিদায়ী বছরের শেষ দিনে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের গ্রুপ পর্ব শেষ হয়েছে। তাতে নির্ধারিত হয়েছে ২০২৫-২৬ আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের (আফকন) শেষ ষোলোর লাইনআপ।
১ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরে সবার চোখ থাকবে ফিফা বিশ্বকাপে । তবে এই বৈশ্বিক ফুটবলযজ্ঞের বছরে রয়েছে ছেলেদের ও মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ । ফুটবলে আছে মেয়েদের এশিয়ান কাপ এবং অনূর্ধ্ব -২০ মেয়েদের এশিয়ান কাপও । ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দর্শক হলেও এসব বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে খেলছে বাংলাদেশ ।
১ ঘণ্টা আগে