
শ্রীলঙ্কার ২৫৭ রানের জবাবে প্রথম ইনিংস শুরু করে ৯১ রানেই ট্রাভিস হেড (২১), মারনাস লাবুশেন (৪) ও উসমান খাজাকে (৩৬) হারিয়ে ফেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। এই অবস্থায় দলীয় ব্যাটারদের কাছে প্রত্যাশা ছিল তার চেয়ে বেশিই ভূমিকা রেখেছেন দুই ব্যাটার স্টিভ স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারি। দুজনের জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রথম দিনের মতো গল টেস্টের দ্বিতীয় দিনটিও অস্ট্রেলিয়ার। ওই ৩ উইকেটেই ৩৩০ রান তুলে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ৭৩ রানের লিড নিয়েছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।
৯১ রানে ৩ উইকেট খুইয়ে ফেলার পর চতুর্থ উইকেটে ২৩৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন স্মিথ ও ক্যারি। তাঁদের এই জুটি শুধু দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ই কাটিয়ে তোলেনি, দলের বড় স্কোরের ভিতও গড়ে দিয়েছে। ৯টি চার ও ১টি ছয়ে ২৩৯ বলে ১২০ রান করে অপরাজিত আছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্মিথ।
চলতি সিরিজে এটি স্মিথের টানা সেঞ্চুরি, ক্যারিয়ারের ৩৬তম। আর ১৫৬ বলে ১৩৯ রান করে অপরাজিত আছেন ক্যারি। ১৩টি চার ও ২টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংস। আজ টেস্টের তৃতীয় দিনে যত আগে এই জুটি ভাঙতে পারবে শ্রীলঙ্কা, তাদের জন্য ততই মঙ্গল। অস্ট্রেলিয়ার পতন হওয়া ৩ উইকেটের ২টি নিয়েছেন নিশান পেইরিস।
এর আগে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংসে শেষ হয় ২৫৭ রানে। আগের দিনের ২২৯ রান নিয়ে দিন শুরু করে শ্রীলঙ্কা শেষ উইকেটে যোগ করতে পারে ২৮ রান। আগের দিন ৫৯ রানে অপরাজিত থাকা কুশল মেন্ডিস এদিনও অপরাজিত থাকেন। সঙ্গীর অভাবে ৮৫ রান করে ফিরে যেতে হয় তাঁকে।

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
১৬ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে