লাইছ ত্বোহা, ঢাকা

দেশের ক্রিকেটে তাঁর আবির্ভাব দুর্দান্ত এক রেকর্ড করে। পাঁচ বছর আগে বিপিএলে আলিস আল ইসলাম টি-টোয়েন্টি অভিষেকেই করলেন হ্যাটট্রিক। এই রেকর্ড আর কারও ছিল না। না ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে, না আন্তর্জাতিক ম্যাচে। সেই রেকর্ডটা তিনি করলেন প্রতিপক্ষ রংপুর রাইডার্সের মোহাম্মদ মিঠুন, মাশরাফি বিন মর্তুজা ও ফরহাদ রেজাকে আউট করে।
ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে হ্যাটট্রিক করে হইচই ফেলে দেওয়া আলিসের পেশাদার ক্রিকেটে যত রঙিন অভিষেক হোক, এরপরই ধূসর মেঘ নেমে আসে তাঁর ক্যারিয়ারে। হ্যাটট্রিক ম্যাচের পর তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের লিখিত অভিযোগ করে রংপুর। অবশ্য সেবার নিজের চতুর্থ ম্যাচে হাঁটুর চোটে বিপিএল থেকেই ছিটকে যান। করাতে হয় অস্ত্রোপচার। সবকিছু শুধরে নিতে হারিয়ে গেল দুটি বছর। অতঃপর আবারও ফিরলেন। সর্বশেষ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আলিস খেলেছিলেন কোচ সালাহ উদ্দিনের দল প্রাইম ব্যাংকের হয়ে।
নেট বোলিং থেকে এবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসে সুযোগ পেয়ে বিপিএলের রঙিন মঞ্চে আবারও নজর কাড়লেন ‘মিস্ট্রি’ স্পিন দিয়ে। নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে নিয়েছেন ৪ উইকেট। ২০১৯ বিপিএলে যখন আলোচনায় আসেন আলিস, মিস্ট্রি স্পিনারের তকমাটা তাঁর ছিল না। এবার ফিরেছেন টপ স্পিন, টার্ন, সুইং, সিম—কয়েকটি অস্ত্র আয়ত্ত করে। ৭ ম্যাচে ৬.৫৩ ইকোনমিতে শিকার ৯ উইকেট। রবিচন্দ্রন অশ্বিন, অজন্তা মেন্ডিস, সুনিল নারাইন, ইমাদ ওয়াসিম, হালের মহিশ তিকশানারা রহস্য স্পিনকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছেন।
আধুনিক ক্রিকেটে রহস্য স্পিনার যেকোনো কোচেরই বড় অস্ত্র হতে পারেন। রহস্য ফাঁদে পাওয়ার প্লেতে উইকেট নিয়ে শুরুতেই চাপ তৈরি, মাঝপথে দারুণ ব্রেক-থ্রু দেওয়াই তাঁদের কাজ। এ কারণে আলিস দ্রুত নজর কেড়েছেন সবার। বিপিএলে তাঁর বোলিংয়ে মুগ্ধ বিসিবির নির্বাচকেরাও। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাকও পেয়েছেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে সুযোগ পেয়ে স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে ২৭ বছর বয়সী আলিস। গতকাল চট্টগ্রাম থেকে মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে তিনি বললেন, ‘প্রতিটি ক্রিকেটার এই স্বপ্ন দেখে। যখন খেলা শুরু করে জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন দেখে সবাই। আমারও একই স্বপ্ন ছিল। সামনে যেন খেলার সুযোগ আসে, ভালো করতে পারি, এটাই আশা।’
দেশের ক্রিকেটে রহস্য স্পিনার নেই বললেই চলে। এ অভাব ঘোচাতে আলিস কাজ করেছেন দেশের সবচেয়ে সফল কোচ সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে। মিস্ট্রি বোলিং নিয়ে আলিস বললেন, ‘প্রথমে আইডিয়া নিজের মাথায় এমনি এসেছে। শুধু আইডিয়া হলেই তো হয় না, কার্যকারিতা বাড়াতে হয়। মাস্কো সাকিব একাডেমির সালাহ উদ্দিন স্যার ও হুমায়ূন কবির শাহিন স্যারের সঙ্গে কাজ করেছি। বোলিং, ভ্যারিয়েশন নিয়ে অনুশীলন করতে করতে আয়ত্ত করেছি।’
বোলিংয়ে আলিসের আদর্শ ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুনিল নারাইন। ২০১৯ বিপিএলে হ্যাটট্রিকের ম্যাচে অভিষেক টুপি পরিয়ে দেন নারাইনই। তাঁকে সামনেই আলিস দেখান ঘূর্ণি ভেলকি। উইন্ডিজ তারকার সব ডেলিভারি আয়ত্ত করেছেন আলিস, ‘হ্যাঁ সুনিল নারাইনকে অনুকরণ করি। মোটামুটি তাঁর প্রায় সব ডেলিভারি আয়ত্ত করেছি। তবে নিজের অস্ত্র গোপনই থাক।’
সাভারের বলিয়ারপুর থেকে উঠে আসা আলিসের লক্ষ্য এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রঙিন ক্যারিয়ার শুরুর, ‘শ্রীলঙ্কা সিরিজে যদি সুযোগ পাই, ইনশা আল্লাহ নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। এখন বিপিএলে মনোযোগ যেন ভালোভাবে শেষ করতে পারি।’

দেশের ক্রিকেটে তাঁর আবির্ভাব দুর্দান্ত এক রেকর্ড করে। পাঁচ বছর আগে বিপিএলে আলিস আল ইসলাম টি-টোয়েন্টি অভিষেকেই করলেন হ্যাটট্রিক। এই রেকর্ড আর কারও ছিল না। না ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে, না আন্তর্জাতিক ম্যাচে। সেই রেকর্ডটা তিনি করলেন প্রতিপক্ষ রংপুর রাইডার্সের মোহাম্মদ মিঠুন, মাশরাফি বিন মর্তুজা ও ফরহাদ রেজাকে আউট করে।
ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে হ্যাটট্রিক করে হইচই ফেলে দেওয়া আলিসের পেশাদার ক্রিকেটে যত রঙিন অভিষেক হোক, এরপরই ধূসর মেঘ নেমে আসে তাঁর ক্যারিয়ারে। হ্যাটট্রিক ম্যাচের পর তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের লিখিত অভিযোগ করে রংপুর। অবশ্য সেবার নিজের চতুর্থ ম্যাচে হাঁটুর চোটে বিপিএল থেকেই ছিটকে যান। করাতে হয় অস্ত্রোপচার। সবকিছু শুধরে নিতে হারিয়ে গেল দুটি বছর। অতঃপর আবারও ফিরলেন। সর্বশেষ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আলিস খেলেছিলেন কোচ সালাহ উদ্দিনের দল প্রাইম ব্যাংকের হয়ে।
নেট বোলিং থেকে এবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসে সুযোগ পেয়ে বিপিএলের রঙিন মঞ্চে আবারও নজর কাড়লেন ‘মিস্ট্রি’ স্পিন দিয়ে। নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে নিয়েছেন ৪ উইকেট। ২০১৯ বিপিএলে যখন আলোচনায় আসেন আলিস, মিস্ট্রি স্পিনারের তকমাটা তাঁর ছিল না। এবার ফিরেছেন টপ স্পিন, টার্ন, সুইং, সিম—কয়েকটি অস্ত্র আয়ত্ত করে। ৭ ম্যাচে ৬.৫৩ ইকোনমিতে শিকার ৯ উইকেট। রবিচন্দ্রন অশ্বিন, অজন্তা মেন্ডিস, সুনিল নারাইন, ইমাদ ওয়াসিম, হালের মহিশ তিকশানারা রহস্য স্পিনকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছেন।
আধুনিক ক্রিকেটে রহস্য স্পিনার যেকোনো কোচেরই বড় অস্ত্র হতে পারেন। রহস্য ফাঁদে পাওয়ার প্লেতে উইকেট নিয়ে শুরুতেই চাপ তৈরি, মাঝপথে দারুণ ব্রেক-থ্রু দেওয়াই তাঁদের কাজ। এ কারণে আলিস দ্রুত নজর কেড়েছেন সবার। বিপিএলে তাঁর বোলিংয়ে মুগ্ধ বিসিবির নির্বাচকেরাও। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাকও পেয়েছেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে সুযোগ পেয়ে স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে ২৭ বছর বয়সী আলিস। গতকাল চট্টগ্রাম থেকে মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে তিনি বললেন, ‘প্রতিটি ক্রিকেটার এই স্বপ্ন দেখে। যখন খেলা শুরু করে জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন দেখে সবাই। আমারও একই স্বপ্ন ছিল। সামনে যেন খেলার সুযোগ আসে, ভালো করতে পারি, এটাই আশা।’
দেশের ক্রিকেটে রহস্য স্পিনার নেই বললেই চলে। এ অভাব ঘোচাতে আলিস কাজ করেছেন দেশের সবচেয়ে সফল কোচ সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে। মিস্ট্রি বোলিং নিয়ে আলিস বললেন, ‘প্রথমে আইডিয়া নিজের মাথায় এমনি এসেছে। শুধু আইডিয়া হলেই তো হয় না, কার্যকারিতা বাড়াতে হয়। মাস্কো সাকিব একাডেমির সালাহ উদ্দিন স্যার ও হুমায়ূন কবির শাহিন স্যারের সঙ্গে কাজ করেছি। বোলিং, ভ্যারিয়েশন নিয়ে অনুশীলন করতে করতে আয়ত্ত করেছি।’
বোলিংয়ে আলিসের আদর্শ ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুনিল নারাইন। ২০১৯ বিপিএলে হ্যাটট্রিকের ম্যাচে অভিষেক টুপি পরিয়ে দেন নারাইনই। তাঁকে সামনেই আলিস দেখান ঘূর্ণি ভেলকি। উইন্ডিজ তারকার সব ডেলিভারি আয়ত্ত করেছেন আলিস, ‘হ্যাঁ সুনিল নারাইনকে অনুকরণ করি। মোটামুটি তাঁর প্রায় সব ডেলিভারি আয়ত্ত করেছি। তবে নিজের অস্ত্র গোপনই থাক।’
সাভারের বলিয়ারপুর থেকে উঠে আসা আলিসের লক্ষ্য এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রঙিন ক্যারিয়ার শুরুর, ‘শ্রীলঙ্কা সিরিজে যদি সুযোগ পাই, ইনশা আল্লাহ নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। এখন বিপিএলে মনোযোগ যেন ভালোভাবে শেষ করতে পারি।’

গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলা দেখা যাচ্ছে না কোনো টিভি চ্যানেলে। এমনকি চুক্তি করা ওটিটি প্লাটফর্মেও দেখা যায়নি। কাল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ডের একটি ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচও দেখা যাবে না।
২৮ মিনিট আগে
জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
শামীম হোসেন পাটোয়ারী খেলছিলেন তাঁর মতো করে। উইকেটের চতুর্দিকে বাহারি শটের পসরা সাজিয়ে করেছেন ফিফটি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেছেন । তবে সতীর্থদের কাছ থেকে যে তেমন সমর্থন পাননি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ফুটবল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ড হবে কাল ও পরশু। কাল মুন্সিগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ব্রাদার্স ইউনিয়নের মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তবে এর আগেই ধাক্কা খেল সাদা-কালোরা। লিগের মাঝপথেই ক্লাব ছেড়ে চলে যাচ্ছেন দলের অন্যতম বড় অস্ত্র মুজাফফর মুজাফফর
৬ ঘণ্টা আগে