
‘অবিশ্বাস্য’ এক লড়াইয়ে পাকিস্তানকে বিদায় করে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে অস্ট্রেলিয়া। শেষ ১২ বলে যখন ২২ রান প্রয়োজন, তখন এগিয়ে আসেন পাকিস্তানের বড় ভরসা শাহীন শাহ আফ্রিদি। কিন্তু হাসান আলীর ক্যাচ মিসের পর টানা ছক্কায় এক ওভার হাতে রেখেই অস্ট্রেলিয়ার ফাইনাল নিশ্চিত করেন ম্যাথু ওয়েড।
এই ওয়েডই অবশ্য লম্বা সময় দলের বাইরে ছিলেন। ২০১৬ সালের পর টানা চার বছর দলে ছিলেন না। কিন্তু সুযোগ পেয়ে আস্থার প্রতিদান দিয়ে দলকে তুলে দিলেন ফাইনালে। দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত এই ব্যাটার।
ওয়েড যখন উইকেটে আসেন তখন ৯৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে কাঁপছিল অস্ট্রেলিয়া। এমন অবস্থায় মার্কাস স্টয়িনিসকে সঙ্গে নিয়ে খাদের কিনারা থেকে দলকে উদ্ধার করেন তিনি। দলকে দাপুটে জয় এনে দিয়ে ম্যাচসেরাও হয়েছেন ওয়েড। ম্যাচের পর ওয়েড বলেন, ‘দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে খুশি। লম্বা সময় দলের বাইরে ছিলাম। আবার সুযোগ পেয়ে আনন্দিত।’
কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে উদ্ধার করে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের প্রশংসাও পেলেন ওয়েড। ম্যাচ শেষে ফিঞ্চ বলেন, ‘এটা দারুণ একটা ম্যাচ ছিল। যেভাবে ওয়েড স্নায়ুচাপ সামলেছে, তা অসাধারণ। স্টোনিয়িসের সঙ্গে তাঁর জুটিটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’
এই ম্যাচে ফিল্ডিংয়ে অস্ট্রেলিয়া বেশ নড়বড়ে ছিল। একাধিক ক্যাচও ফেলেছিল তারা। দলের দুর্বল উল্লেখ করে ফিঞ্চ বলেন, ‘আমার মনে হয়, আজ আমরা বেশ নড়বড়ে ছিলাম। একাধিক ক্যাচ ফেলেছি, যদিও সেগুলো কঠিন ছিল। কিন্তু আমরা যা দেখিয়েছি তা হলো, দলের সব খেলোয়াড়কেই প্রয়োজন। দলের সবাইকে অবদান রাখতে হয়।’
এবারের বিশ্বকাপে বেশির ভাগ ম্যাচে পরে ব্যাট করা দলই জিতেছে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে ফিঞ্চ বলেন, ‘এটা বেশ অদ্ভুত।’
টানা পাঁচ ম্যাচ জিতে সেমিতে উঠেছিল পাকিস্তান। এই ম্যাচেও বেশির ভাগ সময় নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের হাতে। কিন্তু শেষ হাসিটা আর হাসা হয়নি। ম্যাচের পর হতাশ পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম বলেন, ‘আমরা নিজেদের চাহিদামতো সংগ্রহ পেয়েছিলাম। কিন্তু রান তাড়ার সময় তাদের অনেক বেশি সুযোগ দিয়ে ফেলি। যদি আমরা সেই ক্যাচটা (হাসান আলীর ফেলে দেওয়া) ধরতে পারতাম, তবে গল্পটা ভিন্ন হতে পারত।’

‘অবিশ্বাস্য’ এক লড়াইয়ে পাকিস্তানকে বিদায় করে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে অস্ট্রেলিয়া। শেষ ১২ বলে যখন ২২ রান প্রয়োজন, তখন এগিয়ে আসেন পাকিস্তানের বড় ভরসা শাহীন শাহ আফ্রিদি। কিন্তু হাসান আলীর ক্যাচ মিসের পর টানা ছক্কায় এক ওভার হাতে রেখেই অস্ট্রেলিয়ার ফাইনাল নিশ্চিত করেন ম্যাথু ওয়েড।
এই ওয়েডই অবশ্য লম্বা সময় দলের বাইরে ছিলেন। ২০১৬ সালের পর টানা চার বছর দলে ছিলেন না। কিন্তু সুযোগ পেয়ে আস্থার প্রতিদান দিয়ে দলকে তুলে দিলেন ফাইনালে। দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত এই ব্যাটার।
ওয়েড যখন উইকেটে আসেন তখন ৯৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে কাঁপছিল অস্ট্রেলিয়া। এমন অবস্থায় মার্কাস স্টয়িনিসকে সঙ্গে নিয়ে খাদের কিনারা থেকে দলকে উদ্ধার করেন তিনি। দলকে দাপুটে জয় এনে দিয়ে ম্যাচসেরাও হয়েছেন ওয়েড। ম্যাচের পর ওয়েড বলেন, ‘দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে খুশি। লম্বা সময় দলের বাইরে ছিলাম। আবার সুযোগ পেয়ে আনন্দিত।’
কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে উদ্ধার করে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের প্রশংসাও পেলেন ওয়েড। ম্যাচ শেষে ফিঞ্চ বলেন, ‘এটা দারুণ একটা ম্যাচ ছিল। যেভাবে ওয়েড স্নায়ুচাপ সামলেছে, তা অসাধারণ। স্টোনিয়িসের সঙ্গে তাঁর জুটিটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’
এই ম্যাচে ফিল্ডিংয়ে অস্ট্রেলিয়া বেশ নড়বড়ে ছিল। একাধিক ক্যাচও ফেলেছিল তারা। দলের দুর্বল উল্লেখ করে ফিঞ্চ বলেন, ‘আমার মনে হয়, আজ আমরা বেশ নড়বড়ে ছিলাম। একাধিক ক্যাচ ফেলেছি, যদিও সেগুলো কঠিন ছিল। কিন্তু আমরা যা দেখিয়েছি তা হলো, দলের সব খেলোয়াড়কেই প্রয়োজন। দলের সবাইকে অবদান রাখতে হয়।’
এবারের বিশ্বকাপে বেশির ভাগ ম্যাচে পরে ব্যাট করা দলই জিতেছে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে ফিঞ্চ বলেন, ‘এটা বেশ অদ্ভুত।’
টানা পাঁচ ম্যাচ জিতে সেমিতে উঠেছিল পাকিস্তান। এই ম্যাচেও বেশির ভাগ সময় নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের হাতে। কিন্তু শেষ হাসিটা আর হাসা হয়নি। ম্যাচের পর হতাশ পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম বলেন, ‘আমরা নিজেদের চাহিদামতো সংগ্রহ পেয়েছিলাম। কিন্তু রান তাড়ার সময় তাদের অনেক বেশি সুযোগ দিয়ে ফেলি। যদি আমরা সেই ক্যাচটা (হাসান আলীর ফেলে দেওয়া) ধরতে পারতাম, তবে গল্পটা ভিন্ন হতে পারত।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ছোট সংস্করণে বিশ্বকাপের দশম পর্ব। তার আগে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।
২১ মিনিট আগে
প্রথমবার বিগ ব্যাশ খেলতে গিয়েই মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন রিশাদ হোসেন। লেগ স্পিন জাদুতে ব্যাটারদের পরাস্ত করছেন বারবার। দুর্দান্ত বোলিংয়ে সতীর্থদের প্রশংসা কুড়োচ্ছেন বাংলাদেশের এই তরুণ লেগস্পিনার।
৩০ মিনিট আগে
তিন বছর পর আবার দেখা হচ্ছে সাদিও মানে ও মোহামেদ সালাহর। তবে একই দলে নয়, পরস্পরের প্রতিপক্ষ হিসেবে। আফ্রিকা কাপ অব ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সেনেগাল ও মিসর মুখোমুখি আজ। এই সেমিফাইনালে দুই দেশের জার্সিতে নামবেন সাবেক লিভারপুল সতীর্থ এই দুই তারকা। দিনের অন্য সেমিফাইনালে সুপার ইগল নাইজেরিয়ার মুখোমুখি হবে স্বা
১ ঘণ্টা আগে
অ্যাশেজে মাঠের লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে রীতিমতো উড়ে গেছে ইংল্যান্ড। ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হারই বলে দিচ্ছে সবকিছু। বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা তো হচ্ছেই। মাঠের বাইরের ঘটনা নিয়েও চলছে নানা আলাপ-আলোচনা।
১ ঘণ্টা আগে