
অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও বাবর আজমের সমালোচনা থামেনি। নেতৃত্ব ছাড়ার আগে পাকিস্তানের অনেক সাবেক ক্রিকেটারের সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু ছাড়ার পরও মুক্তি পাচ্ছেন না পাকিস্তানি ব্যাটার। এবার তাঁর অধিনায়কত্বের সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার জুনাইদ খান।
গত ১৫ নভেম্বর চাপের মুখে অধিনায়কের পদ ছাড়েন বাবর। অথচ তাঁর নেতৃত্বগুণেই পাকিস্তান ওয়ানডেতে এক নম্বরে উঠেছিল। তবে এই শীর্ষে ওঠা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন জুনাইদ। সাবেক বাঁহাতি পেসারের মতে, পাকিস্তান ওয়ানডে সংস্করণে শীর্ষে উঠেছিল দুর্বল দলের বিপক্ষে খেলে।
সম্প্রতি পাকিস্তানের এক ইউটিউব চ্যানেলকে এমনটিই জানিয়েছেন জুনাইদ। তিনি বলেছেন, ‘অধিনায়ক হিসেবে বাবর কোনো উন্নতি করেনি। আপনি যদি সরফরাজ আহমেদের দিকে তাকান, দেখবেন সে দিন দিন উন্নতি করেছিল। তার নেতৃত্বেই আমরা চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতেছিলাম এবং টি-টোয়েন্টিতে এক নম্বর হয়েছিলাম। অনেকে বলছে, বাবরের নেতৃত্বে ওয়ানডেতে এক নম্বর হয়েছিলাম। তবে সেটা দুর্বল দলের বিপক্ষে খেলে। বাবর দ্রুত শিখতে পারেনি।’
অধিনায়কত্ব নিয়ে সমালোচনা করলেও বাবর যে বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটার তাতে সন্দেহ নেই জুনাইদের। সব সংস্করণ মিলিয়ে ১৮৯ উইকেট নেওয়া বাঁহাতি পেসার বলেছেন, ‘বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটার হলেও তার নেতৃত্ব বলার মতো ছিল না।’
নেতৃত্বের উদাহরণ হিসেবে প্যাট কামিন্স ও বিরাট কোহলির নাম উল্লেখ করেছেন জুনাইদ। তিনি বলেছেন, ‘প্যাট কামিন্সকে দেখেন, সে অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন করেছে। তার মধ্যে আগ্রাসন আছে এবং সকলের সঙ্গে কথাও বলত। বিরাট কোহলিও সংগ্রাম করেছেন কিন্তু তার মধ্যেও সেই আগ্রাসন ছিল। এমএস ধোনির অবসরের পর সে (কোহলি) সংগ্রাম করেছে। কিন্তু তার রেকর্ড বেশ ভালো।’
ঠান্ডা মাথার অধিনায়ক হিসেবে পরিচিত ধোনি এবং স্টিফেন ফ্লেমিং নিয়েও কথা বলেছেন জুনাইদ। তিনি বলেছেন, ‘অনেকে বলবে ধোনি এবং স্টিফেন ফ্লেমিং তো আক্রমনাত্মক ছিল না। কিন্তু তারা জানত কীভাবে দলকে নেতৃত্ব দিতে হয়। বাবরের সেই গুণগুলো ছিল না। ছেলেদের উৎসাহিত করতে আপনাকে আগ্রাসন দেখাতে হবে। চার বছর ধরে সব সংস্করণে অধিনায়কত্ব করেও তার কোনো উন্নতি হয়নি।’

অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও বাবর আজমের সমালোচনা থামেনি। নেতৃত্ব ছাড়ার আগে পাকিস্তানের অনেক সাবেক ক্রিকেটারের সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু ছাড়ার পরও মুক্তি পাচ্ছেন না পাকিস্তানি ব্যাটার। এবার তাঁর অধিনায়কত্বের সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার জুনাইদ খান।
গত ১৫ নভেম্বর চাপের মুখে অধিনায়কের পদ ছাড়েন বাবর। অথচ তাঁর নেতৃত্বগুণেই পাকিস্তান ওয়ানডেতে এক নম্বরে উঠেছিল। তবে এই শীর্ষে ওঠা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন জুনাইদ। সাবেক বাঁহাতি পেসারের মতে, পাকিস্তান ওয়ানডে সংস্করণে শীর্ষে উঠেছিল দুর্বল দলের বিপক্ষে খেলে।
সম্প্রতি পাকিস্তানের এক ইউটিউব চ্যানেলকে এমনটিই জানিয়েছেন জুনাইদ। তিনি বলেছেন, ‘অধিনায়ক হিসেবে বাবর কোনো উন্নতি করেনি। আপনি যদি সরফরাজ আহমেদের দিকে তাকান, দেখবেন সে দিন দিন উন্নতি করেছিল। তার নেতৃত্বেই আমরা চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতেছিলাম এবং টি-টোয়েন্টিতে এক নম্বর হয়েছিলাম। অনেকে বলছে, বাবরের নেতৃত্বে ওয়ানডেতে এক নম্বর হয়েছিলাম। তবে সেটা দুর্বল দলের বিপক্ষে খেলে। বাবর দ্রুত শিখতে পারেনি।’
অধিনায়কত্ব নিয়ে সমালোচনা করলেও বাবর যে বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটার তাতে সন্দেহ নেই জুনাইদের। সব সংস্করণ মিলিয়ে ১৮৯ উইকেট নেওয়া বাঁহাতি পেসার বলেছেন, ‘বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটার হলেও তার নেতৃত্ব বলার মতো ছিল না।’
নেতৃত্বের উদাহরণ হিসেবে প্যাট কামিন্স ও বিরাট কোহলির নাম উল্লেখ করেছেন জুনাইদ। তিনি বলেছেন, ‘প্যাট কামিন্সকে দেখেন, সে অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন করেছে। তার মধ্যে আগ্রাসন আছে এবং সকলের সঙ্গে কথাও বলত। বিরাট কোহলিও সংগ্রাম করেছেন কিন্তু তার মধ্যেও সেই আগ্রাসন ছিল। এমএস ধোনির অবসরের পর সে (কোহলি) সংগ্রাম করেছে। কিন্তু তার রেকর্ড বেশ ভালো।’
ঠান্ডা মাথার অধিনায়ক হিসেবে পরিচিত ধোনি এবং স্টিফেন ফ্লেমিং নিয়েও কথা বলেছেন জুনাইদ। তিনি বলেছেন, ‘অনেকে বলবে ধোনি এবং স্টিফেন ফ্লেমিং তো আক্রমনাত্মক ছিল না। কিন্তু তারা জানত কীভাবে দলকে নেতৃত্ব দিতে হয়। বাবরের সেই গুণগুলো ছিল না। ছেলেদের উৎসাহিত করতে আপনাকে আগ্রাসন দেখাতে হবে। চার বছর ধরে সব সংস্করণে অধিনায়কত্ব করেও তার কোনো উন্নতি হয়নি।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ছোট সংস্করণে বিশ্বকাপের দশম পর্ব। তার আগে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।
২৩ মিনিট আগে
প্রথমবার বিগ ব্যাশ খেলতে গিয়েই মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন রিশাদ হোসেন। লেগ স্পিন জাদুতে ব্যাটারদের পরাস্ত করছেন বারবার। দুর্দান্ত বোলিংয়ে সতীর্থদের প্রশংসা কুড়োচ্ছেন বাংলাদেশের এই তরুণ লেগস্পিনার।
৩১ মিনিট আগে
তিন বছর পর আবার দেখা হচ্ছে সাদিও মানে ও মোহামেদ সালাহর। তবে একই দলে নয়, পরস্পরের প্রতিপক্ষ হিসেবে। আফ্রিকা কাপ অব ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সেনেগাল ও মিসর মুখোমুখি আজ। এই সেমিফাইনালে দুই দেশের জার্সিতে নামবেন সাবেক লিভারপুল সতীর্থ এই দুই তারকা। দিনের অন্য সেমিফাইনালে সুপার ইগল নাইজেরিয়ার মুখোমুখি হবে স্বা
১ ঘণ্টা আগে
অ্যাশেজে মাঠের লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে রীতিমতো উড়ে গেছে ইংল্যান্ড। ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হারই বলে দিচ্ছে সবকিছু। বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা তো হচ্ছেই। মাঠের বাইরের ঘটনা নিয়েও চলছে নানা আলাপ-আলোচনা।
১ ঘণ্টা আগে